রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বিলকুড়ালিয়ায় ভূমিহীনদের ধান কাটার উৎসব

প্রকাশিত : ২৮ মে ২০১৫
  • ২২ বছর সংগ্রামের সুফল

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ২৭ মে ॥ ‘মাঠ ভরা সোনালী ধান দোল খাচ্ছে বাতাসে। সেই ধানের দোলা লেগেছে ভূমিহীনদের প্রাণে। মহা আনন্দে চলছে ধান কাটা। এরপর বাড়িতে নিয়ে মাড়াই করা থেকে শুরু করে গোলায় তোলা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন ভূমিহীন নারী-পুরুষ। এ চিত্র পাবনার চাটমোহর উপজেলার বহুল আলোচিত ভূমিহীনদের রক্তে ভেজা বিলকুড়ালিয়া মাঠের। দীর্ঘ ২২ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে সফল হয়ে সরকারের কাছ থেকে বিলকুড়ালিয়ার ২৮৫ একর খাসজমি স্থায়ী বন্দোবস্ত পেয়েছেন ভূমিহীনরা। আর তাই বিলকুড়ালিয়া বিলে ভূমিহীনদের ধান কাটা পরিণত হয়েছে মহাউৎসবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিলকুড়ালিয়া মৌজার ৩৭১ একর খাসজমিতে ৩২টি শ্যালো মেশিন, ২টি ডিপ ও ১টি মিনি ডিপ টিউবয়েলে সেচ ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১ হাজার ৬শ’টি ভূমিহীন পরিবারের চাষাবাদকৃত জমিতে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। এ উপলক্ষে মঈলবার বিলকুড়ালিয়া মাঠে আয়োজন করা হয় ধান কাটা মহোৎসব অনুষ্ঠানের। প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমিহীনদের সঙ্গে ধান কেটে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান। ভূমিহীন উন্নয়ন সংস্থা (এলডিও)’র নির্বাহী পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা কে এম আতাউর রহমান রানা মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন থানার ওসি (তদন্ত) জি এম মিজানুর রহমান, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

১৯৯২ সালের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে বিলে লাল পতাকা উড়িয়ে খাসজমি নিজেদের দখলে নেয় ভূমিহীনরা। এরপর ভূমিগ্রাসীদের বহু হামলা, মামলা মোকাবেলা করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে তারা।

সৈয়দপুর রেল কারখানা থেকে গাছের গুঁড়ি পাচারের চেষ্টা ॥ আটক

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার লক্ষাধিক টাকার একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের ২৫টি গুঁড়ি গোপনে করাত কলে পাচারের সময় বুধবার সকালে শহরের রেলওয়ে হাসপাতাল মোড়ে স্থানীয় জনতা তা আটক করেছে। খবর পেয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করে রেলওয়ের কারখানায় নিয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে রেল কারখানার অভ্যান্তরে একটি চক্র টেন্ডার ছাড়াই রেল কারখানার গাছ কর্তন ও বিক্রয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দাবি করেছে স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতাল গির্জা মোড়ে ৫টি ভ্যানে কৃষ্ণচূড়া প্রায় ২৫টি গুঁড়ি নিয়ে একটি করাত কলে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন ভ্যান চালকদের জিজ্ঞাসা করলে তারা রেলওয়ে কারখানার স্টোর হতে এগুলো নিয়ে আসার কথা জানালে এলাকাবাসী তা আটক করে। খবর পেয়ে রেল কারখানার আইডাব্লু তৌহিদুল ইসলাম এসে জনতার হাতে আটক রেলওয়ের গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করে কারখানায় নিয়ে যায়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ডিএস নূর মোহাম্মদ সাংবাদিকদের জানান, চুরি করে গাছ কেটে বিক্রয় করার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকাশিত : ২৮ মে ২০১৫

২৮/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: