মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ইয়েমেনে নিউট্রন বোমা ফেলছে ইসরাইল ও সৌদী আরব

প্রকাশিত : ২৮ মে ২০১৫
  • হিজবুল্লার অভিযোগ

ইয়েমেনে নিউট্রন বোমা ফেলেছে ইসরাইল এবং সৌদি আরব। একবার নয়, দু’বার। গত সপ্তাহে ইয়েমেনের নাকুম পাহাড়ে যে বোমাটি ফেলা হয় সেটিও নাকি নিউট্রন বোমা। জানিয়েছে লেবানন ভিত্তিক আল-মানার টিভি। হিজবুল্লা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বলে ২০০৪ সালে এই টিভি চ্যানেলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে চ্যানেলটির দাবি অনেকে উড়িয়ে দিতে চাইলেও সমর্থনে বেশ কিছু তথ্য হাজির করেছে তারা। প্রথমত, সি সি ডি ক্যামেরায় তোলা নাকুম পাহাড়ে বিস্ফোরণের ছবি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিশ্লেষণ করিয়েছে। তাতে ভিডিও স্ক্রিনে যে সাদা ফ্ল্যাশ দেখা গিয়েছে সেটা নিউট্রন তেজস্ক্রিয়তা ছাড়া অন্য কিছু না বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। দ্বিতীয় যে কারণটি তুলে ধরা হচ্ছে তা হলো বিস্ফোরণ, বিচ্ছুরণের তীব্রতা। এটা কোন ২০০০ পাউন্ড (৯০৭.২ কেজি) সাধারণ বোমা থেকে পাওয়া সম্ভব না। একমাত্র সম্ভব যদি আমেরিকার তৈরি ৪০০০ পাউন্ডেরও বেশি এম ও এ বি (মাদার অব অল বম্বস) ফাটানো হয়। কিন্তু সেখানেও সমস্যা। কারণ এম ও এ বি সাধারণ এফ-১৬ যুদ্ধবিমান করে বহন করাই সম্ভব নয়। সেজন্য ৩-১৩০ হারকিউলিস বা অন্য বড় বিমান ব্যবহার হয়। কিন্তু ক্যামেরায় বিমানের উড্ডয়নের যে আওয়াজ ধরা পড়েছে তাতে পরিষ্কার যে সেটি এফ-১৬। এফ-১৬ করে নিউট্রন বোমা ফেলা সম্ভব। বিমানটির গায়ে সৌদির ছাপ ছিল। কিন্তু সৌদির কোন এফ-১৬ নেই। তারা যে ইসরাইলের এফ-১৬ ব্যবহার করছে সেটা সৌদি লুকোতেও চায় না।

তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা লিওনিদ ব্রেজনেভ একে বলেছিলেন ক্যাপিটালিস্ট বোমা। এতে অত্যধিক নিউট্রন তেজস্ক্রিয়তায় মানুষ মরে, কিন্তু সম্পত্তির ক্ষতি হয় না। -ওয়েবসাইট

প্রকাশিত : ২৮ মে ২০১৫

২৮/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: