কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি

প্রকাশিত : ২৪ মে ২০১৫

মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাধীন বাংলাদেশ ও ভারত রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বি-পক্ষীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি। এটি ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের মে মাসের ১৬ তারিখে নয়াদিল্লীতে সম্পাদিত। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভেতরে ছিটমহলবাসী বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যাবে। আর পশ্চিমবঙ্গের ভেতরের ছিটমহলবাসী ভারতের নাগরিক হয়ে যাবে। জমির পরিমাণ নিয়ে বলা হয়, জমি বেশি বা কম এর জন্য কোন ক্ষতিপূরণ কোন দেশ দাবি করবে না। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের মে মাসের ১৬ তারিখে চুক্তির দিনই ভারত বেরুবাড়ির মালিক হয়ে যায়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ তখন পায়নি তিন বিঘা। ১৬২ ছিটমহল মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৬ মাসের মধ্যে বিনিময়ের কথা থাকলেও তা হয়নি ৪১ বছরেও।

এই চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদের ১৪ উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ভারত দক্ষিণ বেরুবাড়ি ইউনিয়ন নং-১২ এর দক্ষিণ দিকস্থ অর্ধাংশ ও পার্শ্ববর্তী ছিটমহলগুলোর অধিকারী হবে, যে এলাকার পরিমাণ প্রায় ২.৬৪ বর্গমাইল এবং বিনিময়ে বাংলাদেশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহলের অধিকারী হবে। বাংলাদেশের পানবাড়ী মৌজার (পাটগ্রাম থানা) সঙ্গে দহগ্রামকে সংযুক্ত করার জন্য ভারত বাংলাদেশকে ‘তিনবিঘা’ নামে ১৭৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৮৫ মিটার প্রস্থ এলাকা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেবে। কিন্তু ‘ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তি’ কে ভারতের লোকসভা (পার্লামেন্ট) তখন অনুমোদন দেয়নি।

প্রকাশিত : ২৪ মে ২০১৫

২৪/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: