মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মাদারীপুরের সাত যুবকের হদিস নেই

প্রকাশিত : ২৩ মে ২০১৫
  • মানবপাচারকারীর খপ্পরে পড়ে ১৫ মার্চ থেকে নিখোঁজ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর, ২২ মে ॥ দালালদের খপ্পরে পরে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছেন মাদারীপুরের রাজৈরের একই গ্রামের সাত যুবক ও তরুণ। তাদের পরিবারে চলছে কান্নার রোল। এ ধরনের মানবপাচার ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ায় কথা জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। তবে এ ঘটনার পর থেকে মানবপাচারকারী দালাল চক্রের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।

এলাকা ঘুরে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা বলে রাজৈরের আমগ্রাম ইউনিয়নের চেলিকান্দি গ্রামের সাত তরুণ-যুবককে ঢাকা নিয়ে যায় বাজিতপুর ইউনিয়নের পাখুল্যা গ্রামের মানবপাচারকারী দালাল সাদেক বয়াতী ও এছহাক মল্লিক। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজরা হলেনÑ চেলিগ্রামের বান্দু মাতুব্বরের ছেলে হান্নান মাতুব্বর, সোহরাব মাতুব্বরের ছেলে জহিরুল মাতুব্বর, আবেদ আলীর ছেলে রাসেল মোল্লা, মতি শেখের ছেলে হানিফ শেখ, জাহাঙ্গীর খাঁর ছেলে ওবায়দুর খাঁ, তৌয়ব আলী খাঁয়ের ছেলে অহিদুল খাঁ, কাজল খাঁর ছেলে বিনাদ খাঁ। চেলিগ্রামের বাসিন্দা ইউনুস মিয়া জানান, মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাজিতপুর ইউনিয়নের পাখুল্যা গ্রামের মানবপাচারকারী দালাল চক্রের সদস্য সাদেক বয়াতী ও এছহাক মল্লিক ওই সাতজনের কাছ থেকে ২০ হাজার করে টাকা নেয়। এরপর থেকেই ওই সাত যুবক-তরুণ নিখোঁজ রয়েছে। এমন ঘটনায় দালালদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।

নিখোঁজ বিনাদের মা ফরিদা বেগম জানান, দালালরা তার ছেলে বিনাদকে মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নেয়। টাকা দিলে ১৫ মার্চ তার ছেলেকে নিয়ে যায় দালালরা। এরপর কোন খোঁজ মেলেনি তার। ছেলেকে ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি। নিখোঁজ রাসেলের বাবা আদিলউদ্দিন মোল্লা জানান, সাদেক দালাল তার ছেলেকে জিম্মি করে বিভিন্ন কায়দায় টাকা চাচ্ছে। কখনও বলছে থাইল্যান্ড আছে, আবার কখনও বলছে মালয়েশিয়া আছে। আমার ছেলে আদৌ কোথায় আছে আমরা কেউ জানি না। আমার ছেলেকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার খোন্দকার ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের মানবপাচারকারী ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে এ ধরনের কার্যকলাপ করতে সাহস না পায় পুলিশ সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

প্রকাশিত : ২৩ মে ২০১৫

২৩/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: