আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি দ্রুত কার্যকরের তাগিদ

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫, ১২:৪৩ এ. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে সম্মিলিত নাগরিক সমাজ। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি এবং...’ শীর্ষক আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। অনুষ্ঠানে সনসি সাধারণ সম্পাাদক ম. হামিদসহ অন্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ চুক্তির ফলে ছিটমহলগুলোতে বসবাসরত রাষ্ট্রীয় পরিচয়হীন ও নাগরিকত্বের অধিকার বঞ্চিত প্রায় ৭৮ হাজার মানুষের ভবিষ্যত সুন্দরভাবে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে। তাঁরা এখন তাদের নাগরিক মর্যাদা ফিরে পাবেন। এখন প্রয়োজন দ্রুত চুক্তির বাস্তবায়ন।

ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ বলেন, এই সমস্যা সমাধানের ফলে দু’দেশের সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। যেমন যোগাযোগ; নদী ও অন্যান্য যৌথ সম্পদ ব্যবস্থাপনা; জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্থলসীমান্ত ব্যবস্থাপায় যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন উভয়দেশেরই প্রধান কাজ হলো এই চুক্তির যথাযথ দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং একই সঙ্গে অন্য বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দিয়ে যথাযথ সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত ও কার্যকর করা। তাহলে এই চুক্তির সুফল উভয়দেশই যথাযথভাবে পাবে।

সভায় বলা হয়েছে, গত ৭ মে ভারতীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি চূড়ান্ত রূপ পায়। এই চুক্তি বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষার পর গৃহীত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূববর্তী সময়ে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ফিরোজ খান নূন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মধ্যে প্রথম একটি সীমান্ত চুক্তি সম্পাদিত হয়, তবে তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বঙ্গবন্ধু ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আবার এ বিষয়ে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর চুক্তিটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা হারিয়ে যায় অনিশ্চয়তার গহ্বরে। এরপর কেটে যায় আরও ৩৭ বছর। গত ২০১১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্থলসীমান্ত সমস্যা মীমাংসাকল্পে আবারও চুক্তি হয়। তারপর ভারতের বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তরিকতা ও দুরদর্শিতায় চুক্তিটি ভারতের সংসদে পাস হয় গত ৭ মে। এটি দু’দেশের জন্যই বড় অর্জন। অবশ্যই শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এর পেছনের মূল চালিকাশক্তি ছিল। এটি তার এবং তার সরকারের বিশাল কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সাফল্য।

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫, ১২:৪৩ এ. এম.

২২/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: