মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

গহীনের সৌন্দর্য রাইক্ষং

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫
  • মোঃ জাভেদ-বিন-এ-হাকিম

তিন পায়ে হেঁটে পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগ আর কিছু হতে পারে না! আর সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায় তাহলে তো আর কথাই নেই। পায়ের নিচে মেঘ-বৃষ্টি আর বিদ্যুত চমকানোর অসাধারণ সব দৃশ্য। যে পাহাড়ের ওপর দিয়ে হাঁটছি সেখানে প্রখর রৌদ্র অথচ পাশের পাহাড়েই ঝড়ছে ঝুম বৃষ্টি। মেঘ-রোদ আর বৃষ্টির অপূর্ব মিতালি। কখনও বা আবার আচমকা শুভ্র মেঘমালা আপনার দেহকে ঘিরে ধরে মনের মাঝে ছড়িয়ে দেবে এক অন্যরকম ভাললাগার দ্যুতি! সেই অপার্থিব সৌন্দর্যের ঘোর কাটতে না কাটতেই আপনার পিছু নেবে আরও নতুন কোনকিছু দর্শনের রোমাঞ্চকর অনুভূতি। এ সবকিছুরই শিহরিত অনুভব পাওয়া যাবে যখন সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় পনেরশ’ থেকে পঁচিশ’শ ফিট ওপর দিয়ে পাহাড়, বন-জঙ্গল আর সুমিষ্ট পানির ছড়া দিয়ে দু-পায়ের সঙ্গে টেকসই একটা লাঠি নিয়ে হেঁটে বেড়াবেন। দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বেড়াতে হাতের লাঠি অতিরিক্ত পা হিসেবে দারুণ কাজে আসে।

আমাদের এ্যাডভ্যাঞ্চার প্রিয় দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের এবারের ভ্রমণ ছিল বান্দরবানের উঁচু উঁচু পাহাড়, খরস্রোতা খাল আর আদিবাসীপাড়া পেরিয়ে রাঙ্গামাটি জেলার গহীনে সৌন্দর্যের আঁধার রাইক্ষং ঝর্ণার প্রান্তরে। দলে ছিলাম ছয়জন, লাইটার কচি ভাই ছাড়া সবাই ছিলাম সবল তবে মানসিকভাবে কচির ছিল অত্যন্ত দৃঢ় মনোবল। বগালেক হতে ভোর ৭টায় আল্লাহর নাম নিয়ে যুৎসই বাঁশের লাঠি সম্বল করে দু-পায়ের ওপর ভর করে হাঁটা শুরু। ঢেউ খেলানো সারি সারি পাহাড়, ছড়া-ঝিড়ি মাড়িয়ে শুধু এগিয়ে যাচ্ছি। কখনও ২ হাজার ফিট ওপরে কখনও বা আবার দেড় হাজার ফিট নিচে এভাবেই চলছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চড়াই-উৎরাই। কোথাও যে একটু নিশ্চিন্ত মনে জিরিয়ে নেব, শিকারি জোকের কারণে সেই সুযোগটুকুও নেই।

বেশ কয়েক ঘণ্টা হাঁটার পর নাখজংপাড়ার দেখা পেলাম, আদিবাসী মুরংদের বসতি। বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রামের পাশাপাশি সঙ্গে নেয়া মুড়ি-চানাচুর তেল দিয়ে মেখে বেশ মজা করে খাই। খাওয়া শেষে আবারও হাঁটা। আজকের গন্তব্য পুকুরপাড়া। তবে ছিপছিপে শরীরের দক্ষ গাইড শাহজাহানের ভবিষ্যদ্বাণী জাভেদ ভাই যেভাবে হাঁটছেন তাতে মনে হয় না আজকে পৌঁছতে পারব। ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, বোকা ছেলে রাইক্ষং দেখতে যাচ্ছি। ঝর্ণা দেখার পরই তো অভিযান শেষ। কিন্তু তার আগেও যে রয়েছে আরও অনেক কিছু দেখার। তোমাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না থাকার ফলে আগন্তক ভ্রমণপিপাসুদের নিকট পাহাড়ের সৌন্দর্য যথাযথভাবে তুলে ধরতে পার না। শুধু চোখ বাঁধা গরুর মতো হাঁটিয়ে নিয়ে যাও। পাহাড় অরণ্যে হাঁটতে হয় গুটি গুটি পায়ে, চারপাশে তাকিয়ে, কখনও বা আবার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে থমকে যেতে হবে, তবেই না পাওয়া যাবে পাহাড়ে ঘোরার চমকানো সৌন্দর্যের আনন্দ। আমার কথা শুনে গাইড সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল। অবাক বিস্ময়ের চাহনিতে মনের আনন্দে হেলে-দুলে হাঁটছি আর ক্যামেরার শার্টার টিপছি। প্রকৃতির রূপে এতটাই আছন্ন হয়ে পড়ি কখন যে পাহাড়ি মহিষা আর টাইগার জোঁক দেহ আলিঙ্গন করেছিল টেরই পাইনি। হুশ ফিরেছে যখন দেখেছি কাপড় ভিজে লাল রক্ত গড়িয়ে পড়েছিল তখন। আপন মনে বিড় বিড় করে বলি, রক্তচোষা জোঁক তোরা কি পারবি দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের দামাল ছেলেদের পথ আগলে রাখতে! না পারবি না! কারণ তোরা রক্তপিপাসু আর আমরা হলাম ভ্রমণপাগলু। জয় হবে আমাদেরই, চুষে যা রক্ত যত খুশি। দুপুর ২টা বিশ মিনিটে রুমাখালের দেখা পাই। খালের পানিতে ছড়ানো-ছিটানো প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ছোটবড় অসংখ্য পাথরের চাই, স্বচ্ছ শিতল পানি হাতে মুখে দিয়ে, দুপুরের আহার সঙ্গে থাকা চিঁড়া গুড় দিয়ে সেরে নেই। এবার পাথর আর পানি ডিঙ্গিয়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে চলা। এনোংপাড়া আসতেই প্রায় সন্ধ্যা, ডানে তাকিয়ে দেখি বিশাল বিশাল গাছ আর জঙ্গলে ঘেরা ইয়া উঁচু এক পাহাড়। পুকুরপাড়া যেতে হলে এই পাহাড়টি ডিঙ্গাতে হবে। এবার হয়ত ঢাকা থেকে বয়ে আনা রশির বস্তা কাজে আসবে, আমাদের রাত করে পাহাড় জঙ্গলে হাঁটার দারুণ মজার মজার সব অভিজ্ঞতা আছেÑ কিন্তু গাইড কেন যেন বেঁকে বসল। তার জোরালো আবদার রাতে এনোংপাড়াতেই থেকে যান। জানি না তার কোন স্বার্থ ছিল কি না। তবে তার ভদ্রতার জন্য বিষয়টা নেতিবাচক চিন্তা না করে ইতিবাচক হিসেবেই ধরে নেই।

রুমাখালে সাফসুতরো হয়ে এনোংপাড়াতেই থেকে যাই। রাতের খাবারে অর্ডার দেয়া হলো বাঁশ কোড়লের ভাজি, ডাল আর পাহাড়ি মুরগির ভুনা, সঙ্গে ঢেঁকিছাটা জুম চালের বৈঠা ভাত তো থাকছেই। খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাই কিন্তু ঘুম আসে না। বাইরে ভরা জোসনার আলো খোলা জানালার ফাঁক গলে চোখে পড়ে। সবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পর সুনসান নীরবতা। খান খান করে কানে ভেসে আসে অবিরাম ধারায় বয়ে যাওয়া খালের পানির কলকল শব্দ। একরাশ হিমেল হাওয়ায় শরীর জুড়িয়ে যায়। মনের মাঝে তীব্র আকর্ষণ বোধ করি। ঘরের বাইরে বের হয়ে পূর্ণিমা উপভোগ করার বাসনা জাগে কিন্তু হায় ততক্ষণে সবাই বেঘোর ঘুমে। আমিও এক সময় ঘুুমের রাজ্যে হারিয়ে যাই।

মোরগ ডাকা ভোরে বিছানা ছাড়ি, জাগিয়ে তুলি সবাইকে, সামান্য দানাপানি পেটে পুরে ছুটি এবার মূল গন্তব্যে। গত সন্ধ্যায় দেখা উঁচু পাহাড়টাই ট্র্যাকিং করতে হবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা, পাড়া থেকে নেমে সামান্য দূরে গিয়েই শুরু হয় ট্রাকিং। আকাশছোঁয়া বৃক্ষ, শরীরে জড়িয়ে যাওয়া সব লতা গুল্ম আর ভয়ানক সব শিকারি জোঁকের অভয়ারণ্য। এ যেন পাহাড় নয়, মনে হবে কোন মৃত্যুপুরির ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। আসলে তা নয়, প্রথমে দেখতে যে কারোরই এমটি মনে হতে পারে। দিনের আলো যে পাহাড়ে হার মেনেছে, সেখান দিয়েই আমরা হেঁটে বেড়াই, প্রায় ঘণ্টা দেড়েক হাঁটার পর পেয়ে যাই সুমিষ্ট স্বচ্ছ পানিধারা। দুই পাহাড়ের বুক চিরে অবিরাম গড়িয়ে পড়ে পানি।

স্যালাইন খেজুর ছড়ার পানি পান করে আবারও হাঁটা। এবার দুই পাহাড়ের মাঝে সরু পথ দিয়ে যেতে হবে। কিছুদূর যেতেই দেখি গাছের পাতায় পাহাড়ের ভাঁজে ঝুর ঝুরে পাথুরে মাটিতে পাহাড়ের সবচাইতে ভয়ঙ্কর টাইগার জোঁক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যেন মনে হয় মানুষের রক্তের স্বাদ নেবার জন্য আনন্দে নৃত্যরত। ইফতেখারত ভয়ে শিশুদের মতো কেঁদেই ফেলল। কান্না কিংবা হাসি যেটাকেই বেছে নেই না কেন এই দম বন্ধ হওয়া সৌন্দর্যের পথ পাড়ি দিয়ে প্রকৃতির অপার বিস্ময় রাইক্ষং ঝর্ণায় পৌঁছতেই হবে। কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হবে, এই দুর্গম নির্জন পাহাড়ের বিনা রক্তপাতে সেটা আশাই বা করি কিভাবে। যতটা সম্ভব দ্রত হাঁটছি। দেহের রক্ত চোষা যে শুরু হয়ে গেছে তা একটু-আধটু টেরও পাচ্ছি।

যাক বাবা দ্রুত হাঁটার জন্য সময়ত বাঁচল। আনুমানিক প্রায় পঁচিশ ফিট ওপরে যাওয়ার পর আমাদের চোখ ছানাবড়া ওয়াও! একি দেখছি দৃষ্টির সীমা যতদূর যায় শুধু সবুজে মোড়ানো দিগন্ত ছোঁয়া পাহাড়ের ঢেউ। পুকুরপাড়া আর্মি ক্যাম্পের পাদদেশেই বিশালাকার টলটলে পানির লেক। চারপাশে পাহাড় মাঝখানে অবিশ্বাস্যকর সৌন্দর্যের প্রাকৃতিক লেক। ভাবুন তো একবার ওমন পরিবেশে কেমন লাগবে আপনার? ক্লান্তি কি কখনও আছন্ন করতে পারবে? সোনার অঙ্গ বেয়েপড়া রক্ত মুছি আর মায়ের কথা মনে করি। যখন বাড়ি ফিরে যাব তখন মা তাঁর স্বভাব-সূলভ আচরণে বলবে ‘তোরে বাবা মাথায় রাখি নাই উকুনে খাবেÑ মাটিতে রাখি নাই পিপড়ায় খাবে’ আর তুই এখন বন জঙ্গলে গিয়ে শরীরটা জোঁকেরে খাওয়াছ। এবার প্রাণজংপাড়া পেড়িয়ে পুকুরপাড়া সুজন মাস্টারের কটেজের দিকে অগ্রসর হই। কটেজে কাঁধের ঝোলা বোস্কা রেখে স্বাদের দেশী পেয়ারা চিবিয়ে নব উদ্যমে হাঁটি। ঘণ্টা খানেক নিচের দিকে হাঁটার পর শুনতে পাই সেই কাক্সিক্ষত কলকল রিমঝিম ছন্দ তোলা নৈসর্গিক শব্দ। পায়ের গতি আরও বেড়ে যায়। দুই রাত আদিবাসীদের ঘরে মুলি বাঁশের মাঁচায় ঘুমিয়ে প্রায় দু’দিন বন্ধুর পথে হাইকিং ট্র্যাকিং অবশেষে পেয়ে যাই বছর খানেক ধরে স্বপ্নে বোনা সেই রুদ্বশ্বাস সৌন্দর্যের রাইক্ষং ঝর্ণা। অবারিত পানির জলরাশি বিশাল পরিধি নিয়ে সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে পানি অবিরাম গড়িয়ে পড়ে। মজার বিষয়, অন্য যে কোন ঝর্ণার চাইতে রাইক্ষংয়ের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। পানির বহমান ধারার দৃশ্য এক জায়গা থেকেই দেখা যায়। দু’পাশে সেগুন ও গর্জন গাছের ছায়াঘেরা উঁচু পাহাড় তার মাঝে রাইক্ষং। রাইক্ষংয়ের পানি বেশ দূর গিয়ে রুমাখালে পড়ে। সেই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখে আমরা আনন্দে লুটোপুটি খাই। বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসে আপ্লুত হয়ে হেঁটে যাই ঝর্ণার শেষপ্রান্তে। দেশের ভেতর এত সুন্দর একটা ঝর্ণা ভাবতেই অন্যরকম লাগে। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের বাংলাদেশী ফ্রেন্ড হিসেবে রাইক্ষংকে সম্বোধন করলে খুব একটা বাড়াবাড়ি হবে বলে মনে হবে না। প্রকৃতির অপার নিদর্শন রাইক্ষং দেখার জন্য এসেছি, দেখে তৃপ্তি পেয়েছি। দীর্ঘ পথ চলায় কোমল প্রকৃতি থেকে শিখতে পেরেছি অনেক কিছু। উদার প্রকৃতির মতো আমার প্রিয় বন্ধুরা পথের সব ধকল ভুলে, প্রাপ্তির ঢেকুর তুলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। তাদের খুশিই আগামীতে নতুন কোন সৌন্দর্যের খোঁজে যাবার শক্তি। দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের দেশ নিয়ে জাগ্রত চেতনাধারীদের আনন্দই আমার গর্ব। এবারের ট্যুরে ভাল লেগেছে যেখানে-সেখানে অপচনশীল বর্জ্য ফেলার বিরোধী সচেতন গাইডের সদা দৃষ্টি আর ম্যান অব দ্য ট্যুর নির্বাচিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ট্রিপে ওএসডি থাকা নাসিরুদ্দিন আহম্মেদ হিটার কচি। বন্ধুরা আর দেরি কেন? পাঁচ দিনের জন্য সেল ফোন বন্ধ করে চলে যান বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকার মতো রাইক্ষং।

কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সরাসরি বান্দরবানের এসি/নন এসি বাস আছে, ভাড়া ৬২০ থেকে ১০০০ টাকা, বান্দরবান রুমা বাসস্ট্যান্ড থেকে রুমা বাজার পর্যন্ত লোকাল বাস সার্ভিসে জনপ্রতি ১০০ টাকা অথবা জিপে ৩৫০০ টাকা রিজার্ভ ভাড়া। রুমা আর্মি ক্যাম্পে নাম এন্ট্রি করে দৈনিক ৮০০ থেকে ১২০০ টাকার চুক্তিতে গাইড নিতে হবে। নির্ভরশীল গাইড সম্পর্কে আর্মি ক্যাম্প অথবা আরণ্যক রিসোর্টের পরিচালক জসিমের কাছে সহযোগিতা নিতে পারেন।

থাকা-খাওয়া: রুমাবাজার হতে প্রয়োজনীয় বাজার সদাই করে নিতে হবে। যতটা সম্ভব শুকনো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। মাছ-মুরগি চাল এসব আদিবাসী পাড়াতেই পাবেন। রাতে সঙ্গে যাওয়া গাইডের নির্দেশর্না অনুযায়ী আদিবাসীপাড়ায় থাকবেন। মাথাপিছু ৮০ থেকে ১০০ টাকা নেবে।

টিপস :

# ভ্রমণে সদস্য চার থেকে ছয়জনের অধিক যেন না হয়। অধিক সদস্য হলে মতপার্থক্য সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

# প্রয়োজনীয় স্যালাইন, মশা ও জোঁক প্রতিরোধক ক্রিম ও অন্যান্য ওষুধ সঙ্গে নেবেন।# শক্ত লাঠি, টর্চ ও ব্যাগে হালকা কাপড় রাখুন।

# গাইড ও স্থানীয়দের সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা পরিহার করে তাদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহারের পরিচয় দিন।

# ভ্রমণের আগে অবশ্যই সঙ্গীদের যথা সম্ভব ট্রাকিং সম্পর্কে ধারণা দিন।

# অবশ্যই চলার পথে চারপাশের মায়াবী সৌন্দর্য সময় নিয়ে উপভোগ করুন।

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫

২২/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: