মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ওয়ালসনের জোড়া গোলে ব্রাদার্সের জয়

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫
ওয়ালসনের জোড়া গোলে ব্রাদার্সের জয়
  • ব্রাদার্স ইউনিয়ন ২- চট্টগ্রাম আবাহনী

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠার জন্য দরকার ছিল প্রতিপক্ষকে ৭-০ গোলে হারানো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবারের খেলায় ওই স্কোরলাইনে চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডকে হারাতে পারেনি ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেড। তাদের জয় এসেছে ২-০ গোলে। প্রথমার্ধের কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। দুটি গোলই করেন হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড অগাস্টিন ওয়ালসন। এই দুই গোল করে ‘মান্যবর প্রিমিয়ার লীগ’ ফুটবলে ব্যক্তিগত সর্বাধিক গোলদাতা হিসেবে নিজেকে বাকিদের চেয়ে আরেকটু এগিয়ে নিলেন তিনি। এখন লীগে তার গোলসংখ্যা ১১। নিজেদের দশম ম্যাচে এটা গোপীবাগের ক্লাব ‘দ্য অরেঞ্জ ব্রিগেড’ খ্যাত ব্রাদার্সের ষষ্ঠ জয়। পয়েন্ট ২০। পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ থেকে উন্নীত হলো তৃতীয় স্থানে। টপকে গেল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডকে। রাসেলের পয়েন্ট ২০। তবে গোল গড়ে পিছিয়ে থাকায় ‘বেঙ্গল ব্লুজ’রা এখন চার নম্বরে। ‘ব্ল্যাক এ্যান্ড হোয়াইট’ খ্যাত মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডেরও পয়েন্ট ব্রাদার্সের সমান। তবে গোল গড়ে এগিয়ে থাকায় মোহামেডান (+১৩) ওপরে আছে ব্রাদার্সের (+৯)। এটা ব্রাদার্সের টানা তৃতীয় জয়। আগের দুই ম্যাচে তারা পরাভূত করে রহমতগঞ্জ (১-০) এবং ফেনী সকারকে (৩-১)। পক্ষান্তরে ১০ ম্যাচে এটা চট্টগ্রামের সপ্তম হার। ৫ পয়েন্ট নিয়ে আগের দশম অবস্থানেই (১১ দলের মধ্যে) আছে তারা। এটা তাদের টানা দ্বিতীয় হার। আগের ম্যাচে হেরেছিল শেখ রাসেলের কাছে (০-২)।

প্রথম লেগে মোহামেডান-মুক্তিযোদ্ধার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শেখ জামালের সঙ্গেও ড্র করে চমক দেখিয়েছে ব্রাদার্স। কিন্তু বৃহস্পতিবার তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারাতে গিয়ে বিস্তর ঘাম ঝরাতে হয়েছে তাদের। প্রথমার্ধে চট্টগ্রাম আবাহনীর চাপের মুখে গোলের কোন সুযোগই তৈরি করতে পারেনি ব্রাদার্স।

৬৪ মিনিটে গোলবঞ্চিত হয় সৈয়দ নঈমউদ্দিনের (এদিন অবশ্য তাকে কোচ হিসেবে ডাগআউটে দেখা যায়নি, ম্যানেজার আমের খান ছিলেন সেই ভূমিকায়)। বল নিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর বক্সে ঢুকে পোস্ট লক্ষ্য করে তীব্র শট নেন ব্রাদার্সের ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার জার্মেইন কেনফাক। কিন্তু বক্সে দাঁড়ানো ডিফেন্ডাররা দক্ষতার সঙ্গে বল বিপদমুক্ত করেন। তবে এর পাঁচ মিনিট পর কাক্সিক্ষত গোলের সন্ধান পেয়ে যায় তারা। ৬৯ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড অগাস্টিন ওয়ালসনের ফ্রি কিক সরাসরি আশ্রয় নেয় চট্টগ্রাম আবাহনীর জালে। গোলরক্ষক সোহাগ হোসেনে ছিলেন অসহায়! (১-০)। ৮৩ মিনিটে ফ্রি কিকে অসাধারণ এক গোল করেন ওয়ালসন।

বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে নয়নাভিরাম বাঁক খাওয়ানো শটে বল পাঠান প্রতিপক্ষের জালে। এরপর হ্যাটট্রিক পূরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েও সফলকাম হতে পারেননি ওয়ালসন। ইনজুরি সময়ে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। পোস্ট লক্ষ্য করে তার নেয়া শটটি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার সাইফুল ইসলাম খোকন বল গোল লাইন থেকে পা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে হ্যাট্রিক করার সুযোগ দেননি হতাশার অনরে পোড়া ওয়ালসনকে। রেফারি ভারত চন্দ্র গৌড় ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজালে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে কমলা জার্সিধারীরা।

প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৫

২২/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

খেলার খবর



ব্রেকিং নিউজ: