মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খাল-সড়ক দখল করে শিল্প প্রতিষ্ঠান রূপগঞ্জে ॥ দুই গ্রামে স্থায়ী জলাবদ্ধতা

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, রূপগঞ্জ, ২০ মে ॥ রূপগঞ্জের বরপা এবং আড়িয়াবো গ্রামে বার মাসই এখন জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। বিষাক্ত শিল্পবর্জ্যে স্থানীয়দের এখন ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। স্থানীয় এইচএস টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান শতবর্ষী পুরনো খাল ও সরকারী সড়ক দখল করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ওই শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য মিশ্রিত পানি সে সঙ্গে সামান্য বৃষ্টির পানিতেই পুরো এলাকা থৈ থৈ করে। স্থানীয় বসত বাড়িগুলোও এখন স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার। জলাবদ্ধতায় জন দুর্ভোগতো আছেই, প্রায় ৩০০ বিঘা ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় চাষাবাদ করতে পারছে না স্থানীয় কৃষক। এতে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, তারাবো পৌরসভাধীন বরপা বাজার এলাকার এইচএস টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে গত ১০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী বরপা খালটি দখল করে রাখায় আড়িয়াব এবং বরপা গ্রামে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সড়ক নির্মাণ করা হয়। ওই সড়কটিও ওই প্রতিষ্ঠান দখল করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। ফলে স্থানীয়দের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কমিশনার হাজী আশ্রাফ বলেন, ‘সরকারী সড়কে জনগণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে বারবার বলা হলেও তারা এতে কর্ণপাত করছে না।’ এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মতিউর রহমান বলেন, জনগণের চলাচলের জন্য মিলের ভেতর দিয়ে একটি গেইট তৈরি করা হয়েছে। সেখান দিয়েই জনগণ অনায়াসে চলাচল করতে পারবে। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, ‘খাল এবং সরকারী সড়ক দখলের মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

খাবার পথ্য শর্ত অনুযায়ী না দেয়ার অভিযোগ

কলাপাড়া হাসপাতাল

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২০ মে ॥ ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য সরবারহকৃত খাবার-পথ্য দরপত্রের শর্তানুযায়ী বিতরণ না করায় পটুয়াখালী সিভিল সার্জনের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ লোকমান হাকিম। সম্প্রতি দেয়া অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, পথ্য ঠিকাদার গ্রীন ট্রেডার্সের মালিক কুদ্দুসুর রহমান দরপত্রের শর্তানুযায়ী কোন মালামাল সরবরাহ করেন না। এমনকি মাছ, মাংস আইটেমে প্রতিদিন ৪-৫ কেজি করে কম দিচ্ছে। এর ফলে ভর্তিকৃত রোগীদের খাবারে খুবই সমস্যা হচ্ছে। মাছ ও মাংসের বেলায় মাথা, লেজ ও নাড়ীভুঁড়ি বাদ দিয়ে সরবরাহের কথা থাকলেও ঠিকাদার তা মানছেন না। ঠিকদারকে একাধিকবার বলা সত্ত্বেও তিনি তোয়াক্কা করেননি।

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫

২১/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: