মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

আমতলীতে সড়কের গাছ কেটে নিয়েছে বনদস্যুরা

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা, ২০ মে ॥ আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের চরখালী গ্রামের মেঠো রাস্তার দু’পাশের বয়স্ক (সারি) অর্ধ-শতাধিক রেইন্ট্রি গাছ কেটে প্রকাশ্যে নিয়ে যাচ্ছে বন দস্যুরা।

জানা গেছে, উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের চরখালী গ্রামের মেঠো রাস্তার দু’পার্শ্বের ২০Ñ২৫ বছরের পুরাতন অর্ধ-শতাধিক রেইন্ট্রি গাছ কেটে ফেলেছে বন দস্যুরা। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন আলম খান গোপনে রাস্তার দু’পার্শ্বের অর্ধ-শতাধিক গাছ বিক্রি করে দিয়েছে। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলার কুকুয়া নদীর তীর ঘেঁষা চরখালী গ্রামের মেঠো রাস্তার দু’পার্শ্বের পুরাতন (সারি) অর্ধ- শতাধিক রেইন্ট্রি গাছ কেটে রেখে দিয়েছে। ৮Ñ১০ শ্রমিক গাছ কাটছে। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে শ্রমিকরা গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়ে বসে আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, আলম খান গাছ ব্যবসায়ী সাইদুল মিয়ার কাছে এ গাছ বিক্রি করেছে। আমরা তা কেটে নিতে এসেছি। রাস্তার পার্শ্বের গাছ কাটা যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সে বলেন আমি জানি না। পূর্বচরখালী গ্রামের মোঃ মোতালেব শিকদার জানান, আলম খান এ গাছ কেটেছে। আবদুল মন্নান মিয়া জানানÑ শুনছি, এ জমি আলম খাঁনের তাই সে গাছ কেটেছে।

গাছ ব্যবসায়ী সাইদুল মিয়া মুঠোফোনে বলেন, আমি আলম খানের কাছ থেকে ছোট বড় মিলে ৩৫টি গাছ কিনেছি। ওই গাছ কাটতে শ্রমিক পাঠিয়েছি।

অভিযুক্ত আলম খান জানান, আমার জমির ওপর ২৫টি রেইন্ট্রি গাছ ছিল তা বিক্রি করে দিয়েছি। তবে রাস্তার পার্শ্বের গাছ বিক্রি করা যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে ফোন কেটে দেন।

কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু জানান চরখালী গ্রামের রাস্তা পার্শ্বের রেইন্ট্রি গাছ কেটে ফেলেছে বন দস্যুরা।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান জানান ঘটনা শুনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছি।

পাবনা চিনিকলের এমডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ আদালত অবমাননার মামলায় পাবনা সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তি প্রদানের আদেশ প্রদান করা হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতিগণের নির্দেশ প্রদানের কপি সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, গত ২৭ জানুয়ারি পাবনা চিনি মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে আকস্মিকভাবে গত ২৩ জানুয়ারি প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ নির্বাচন স্থগিত করে বোর্ডে নোটিস ঝুলিয়ে দেন। এ প্রেক্ষিতে শ্রমিক লীগ ঈশ্বরদী আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের সভাপতি পদপ্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন ও দাশুড়িয়া গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে রকিবুল ইসলাম গত ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপ্রতিদ্বয় ৪ সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্নের নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই সয়ম সীমা পার হয়ে গেলেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওযায় বাদীগণ গত ১২ মে পুনরায় হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ আদালতে কন্টেম্পট পিটিশন দাখিল করেন।

প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৫

২১/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: