কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

হ্যাপির নারাজি খারিজ করে রুবেলকে অব্যাহতি

প্রকাশিত : ২০ মে ২০১৫, ০২:১৫ পি. এম.
হ্যাপির নারাজি খারিজ করে রুবেলকে অব্যাহতি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মডেল অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপির করা মামলা থেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজিনা ইসলাম বুধবার হ্যাপির নারাজির আবেদন নামঞ্জুর করে রুবেলকে চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি প্রদান করেন।

এর আগে রবিবার নাজনীন আক্তার হ্যাপি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে রুবেলের অব্যাহতির উপর নারাজি দেন।

নারাজিতে উল্লেখ্য করা হয়, মামলাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হয়নি। এই মামলায় সাক্ষীদের কোন প্রশ্ন করা হয়নি। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে রুবেলকে অব্যাহতির আবেদন করেছেন। আদালতে নারাজির উপর শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।

অন্যদিকে রবিবার রুবেল হোসেন অত্মসমার্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালতে ২০ হাজার টাকায় মুচলেকায় তাকে জামিন প্রদান করেন।

হ্যাপিকে মামলায় আইন সহযোগিতা করেন এ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার ও রুবেলকে আইন সহযোগিতা করেন এ্যাডভোকেট আসাদ।

২০১৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর নাজনীন আক্তার হ্যাপি মিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ করেন- ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রুবেল হ্যাপির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

২০১৫ সালের ২৯ মার্চ ঢাকা মোট্রোপলিটন পুলিশের উইমেন সাপোর্ট এ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক হালিমা খাতুন আসামি রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালতের মিরপুরের জিআর শাখায় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দানের চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আতাউল হক চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি স্বাক্ষর করে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) বরাবর পাঠান।

২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ মামলাটি বদলি করেন।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, নাজনীন আক্তার হ্যাপি প্রাপ্তবয়স্ক, মিডিয়াতে কাজ করা একজন সচেতন আধুনিক ব্যক্তি।

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও বৈবাহিক সম্পর্ক ছাড়া তিনি যদি রুবেলের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে থাকেন তাহলে সেটা তার সম্মতিসহ হয়ে থাকতে পারে। ধর্ষণের সংজ্ঞানুযায়ী বিবাহের প্রলোভন দিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে তার কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাই এ মামলার দায় থেকে তাকে অব্যাহতিদানের প্রার্থনা জানালাম বলে উল্লেখ করেন।

প্রকাশিত : ২০ মে ২০১৫, ০২:১৫ পি. এম.

২০/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: