কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চেন্নাইকে হারিয়ে ফাইনালে মুম্বাই

প্রকাশিত : ২০ মে ২০১৫, ০১:১৫ এ. এম.
  • আইপিএল

জাহিদুল আলম জয় ॥ দুইবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসকে সহজেই ২৫ রানে হারিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) ফাইনালে উঠেছে একবারের শিরোপাধারী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মঙ্গলবার রাতে চলমান অষ্টম আসরের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে মুম্বাই। ১৮৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯ ওভারে ১৬২ রানে অলআউট হয় চেন্নাই।

আইপিএলের দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে আগামী ২৪ মে কলকাতার বিখ্যাত ইডেন গার্ডেন্সে ফাইনাল ম্যাচ খেলবে ২০১৩ আসরের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ চেন্নাই, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু অথবা রাজস্থান রয়্যালস। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে হারলেও ফাইনালে খেলার সুযোগ থাকছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের। আজ ব্যাঙ্গালুরু ও রাজস্থানের মধ্যকার এলিমিনেটর ম্যাচের বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে শুক্রবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মুখোমুখি হবে চেন্নাই। এই ম্যাচের জয়ী দল মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মহারণে মাঠে নামবে।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করেন মুম্বাইয়ের দুই ওপেনার লেন্ডল সিমন্স ও পার্থিব প্যাটেল। এ দু’জন উদ্বোধনী জুটিতে ১০.৪ ওভারে করেন ৯০ রান করে দলের ভিত মজবুত করেন। দলীয় ৯০ রানে প্যাটেল ও ১১৩ রানে সিমন্স আউট হলে রানের গতি কিছুটা কমে মুম্বাইয়ের। তবে মিডলঅর্ডারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা কাইরন পোলার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় রোহিত বাহিনী। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে মুম্বাই। দলের পক্ষে ওপেনার সিমন্স সর্বোচ্চ ৬৫, ম্যাচসেরা পোলার্ড ৪১, প্যাটেল ৩৫ ও অধিনায়ক রোহিত করেন ১৯ রান। চেন্নাইয়ের ক্যারিবীয় তারকা ডোয়াইন ব্রাভো ৪০ রান খরচায় ৩ উইকেট দখল করেন।

আরও একবার ফাইনাল খেলার লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। দলীয় ভা-ারে কোন রান জমা হওয়ার আগেই ইনিংসের চতুর্থ বলে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ডোয়াইন স্মিথ (০)। এরপর মাইক হাসির সঙ্গে হাল ধরেন ফাপ ডু প্লেসিস। কিন্তু দলীয় ৪৬ রানে হাসি (১৬) আউট হলে ফের চাপে পড়ে ২০১০ ও ২০১১ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। তৃতীয় উইকেটে পরিস্থিতি দারুণভাবে সামাল দিয়ে চেন্নাইকে ম্যাচে ফেরান প্লেসিস ও সুরেশ রায়না। কিন্তু দলীয় ৮৬ রানে বিপজ্জনক এই জুটি ভাঙেন মুম্বাইয়ের তারকা স্পিনার হরভজন সিং। শুধু তাই নয়, টানা দুই বলে দু’জনকে আউট করে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে দেন। এগারোতম ওভারের দ্বিতীয় বলে রায়না ও তৃতীয় বলে অধিনায়ক ধোনিকে সাজঘরে ফেরান ভাজ্জি। রায়না ২৫ রান করলেও নিজের প্রথম বলেই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন চেন্নাই কা-ারী ধোনি। এর পরই মূলত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে মুম্বাইয়ের অধীনে।

দলীয় ১১০ রানে দলের পক্ষ্যে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করা প্লেসিস আউট হলে হার সময়ের ব্যাপার হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। এরপর ডোয়াইন ব্রাভো ১৫ বলে ২০ রান করে রানআউট হলে শেষ আশাটুকুও নিভে যায় ধোনির দলের। শেষ দিকে রবিচন্দন অশ্বিন ১২ বলে ২৩ রান করে পরাজয়ের ব্যবধানই শুধু কমান। শেষ পর্যন্ত এক ওভার বাকি থাকতেই ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। মুম্বাইয়ের শ্রীলঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা ২৩ রানে ৩, হরভজন সিং ২৬ রানে ২ ও বিনয় কুমার ২৬ রানে ২ উইকেট লাভ করেন।

প্রকাশিত : ২০ মে ২০১৫, ০১:১৫ এ. এম.

২০/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: