কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

‘কাজের মানকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি’-ওয়ার্দা রিহাব

প্রকাশিত : ১৯ মে ২০১৫

ওয়ার্দা রিহাব- একজন আন্তর্জাতিক মানের প্রফেশনাল ক্ল্যাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার। তিনি বর্তমানে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নৃত্যশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটে তিনি প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী বেলায়েত হোসেন খান, শান্তিবালা সিনহা, শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তামান্না রহমানের কাছে নৃত্যে হাতেখড়ি নেন। গুরু কলাবতী দেবীর তত্ত্বাবধানে তিনি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মণিপুরী নৃত্যে উচ্চতর শিক্ষা নেয়ার পাশাপাশি থৈবা সিং ও ওঝা রণজীতের কাছে তিনি মণিপুরী মার্শাল আর্ট ‘থান টা’ শেখেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশ ও দেশের বাইরে থেকে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। মণিপুরী নৃত্যের সফল এই জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীর জানা-অজানা নানাবিষয় উঠে এসেছে পান্থ আফজালের সঙ্গে আলাপচারিতায়।

নৃত্যশিল্পকে পথচলার সঙ্গী করার পেছনের কাহিনী কী ছিল জানতে চাই?

এই পথচলার পেছনে সম্পূর্ণ অবদান মায়ের। ১৯৫৩ সালে চিটাগংয়ে একবার ভারতের বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্কর অনুষ্ঠান করতে এসে আমার মাকে দেখে বলেছিলেন, ’তুই এত সুন্দর দেখতে, তুই নাচে চলে আয়।’ কিন্তু খুবই রক্ষণশীল সমাজ বলে মাকে আমার নানা নাচ শিখতে দেননি। তবে আমার মায়ের খুবই ইচ্ছে ছিল তার মেয়েরা অন্তত নাচ শিখবে। সেজন্য তিনি আমাকে আর আমার বোনকে ছায়ানটে ভর্তি করে দেন। আমার বোন ডাক্তারী প্রফেশনে যাওয়ার কারণে ছেড়ে দেয়। কিন্তু নাচকে আমি মেজর সাবজেক্ট হিসেবে নিয়ে নিয়মিত করে যাই।

কলকাতায় রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে রবীন্দ্রসদনে অনুষ্ঠিত ‘শ্যামা’ কেমন হলো?

ভারতের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২৫ বৈশাখ উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী ‘কবিপক্ষ’ নামে গান ও গীতিআলেখ্য নৃত্যনাট্যবিষয়ক একটি উৎসবের আয়োজন করেছিলেন কলকাতার রবীন্দ্রসদনে আর এখানে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের একটি বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই করা হয় সারা ভারতবর্ষ থেকে। যার ফলে আমাদের ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যটি সিলেক্ট হয়। এই নৃত্যনাট্যটি উদ্বোধনের দ্বিতীয় দিন মঞ্চস্থ হয় এবং এটি দর্শকবোদ্ধাদের নিকট এতটাই উপভোগ্য ছিল যে, তারা সবাই দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে আমাদের সম্মান জানিয়েছে। আসলে কলকাতায় এই দৃশ্য খুবই কম দেখা যায় কারণ ওরা খুবই ক্রিটিক দর্শক। আর বেশি ভাল না লাগলে সাধারণত এভাবে দাঁড়িয়ে সম্মান জানায় না। এটি আসলেই ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আমার দল এবং বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পীদের জন্য একটা বিশাল অর্জন।

ঢাকায় মঞ্চস্থ ‘শ্যামা’ নিয়ে আপনি কতটুকু সন্তুষ্ট?

হ্যাঁ,আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। কারণ রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে গত বুধবার বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে আমি আর আমার মণিপুরী নৃত্য শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ নৃত্যনাট্য ‘শ্যামা’ মঞ্চস্থ করি। এই প্রযোজনাটির পরিচালনা, কোরিওগ্রাফি ও ডিজাইন আমি করলেও আমার মণিপুরী নৃত্য শিক্ষার্থীরা এর সেট, প্রপস, কস্টিউম, লাইট সবকিছু নিজেরাই করেছে। আপনি দেখে থাকবেন, নাটক নির্মাণের ক্ষেত্রে সবাই সব কিছুই করে থাকে। কিন্তু নৃত্যশিল্পীদের ক্ষেত্রে এটি খুব কমই দেখা যায়। কারণ আমরা নৃত্যশিল্পীরা শুধু ফিজিক্যালি নাচ করতে পারলেও বাকি সব কিছুই রেডি থাকে। তবে ভবিষ্যতে আমার শিক্ষার্থী এবং ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এ্যাপ্লাই করা হবে, যাতে তারা একেকজন পূর্ণাঙ্গ নৃত্যশিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

নৃত্যনাট্য ‘শ্যামা’ নিয়ে পরবর্তী কোন পরিকল্পনা আছে কি?

পরিকল্পনা তো আছেই। কারণ আমরা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যটি এ পর্যন্ত তিনটি শো করেছি। আর একটি নৃত্যনাট্য আসলে তিনবার করেই থেমে থাকার ব্যাপার নয়; এর মধ্যে অনেক ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে যা শোধরানোর সময় আছে। নানাজনের নানা মত আমরা পেয়েছি, যেগুলো পরবর্তী ‘শ্যামা’ প্রযোজনার ক্ষেত্রে কাজে লাগাব। ইতোমধ্যে আমরা জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠান ‘বঙ্গমেলা’ এর আমন্ত্রণে সেখানে ‘শ্যামা’ মঞ্চস্থ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তারপর আগস্টে দিল্লীর ‘বিকল্প’ থিয়েটারের আয়োজনে দিল্লী ও বরদায় আমরা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্য নতুনভাবে উপস্থাপন করার আশা করছি।

ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নৃত্য প্রশিক্ষক দায়িত্বটি কেমন উপভোগ করছেন?

এ্যাকচুয়ালি, এইটি আমার জন্য একটা মিরাকল বলা যায়! আসলে আমি খুব ছোটবেলায় ভারতীয় হাইকমিশনারের তত্ত্বাবধানে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নাচ শিখেছি আমার গুরু শ্রীমতী কলাবতী দেবীর কাছে। তিনি পরপর চার বছর ধরে ছ’বার এদেশে এসেছেন আর ছায়ানটের পরেই ওই সময়ে আমি ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রেই মণিপুরী নৃত্য সম্পর্কে যাবতীয় বিষয় জানার সুযোগ পেয়েছি আর আমিই একমাত্র ছাত্রী, যে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা অবধি গুরু শ্রীমতী কলাবতী দেবীর কাছে নাচ শিখেছি আগ্রহভরে আবার আমি উচ্চতর শিক্ষার জন্য গুরুর বাড়িতে থেকেই রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। এরপর আমার গুরুজির পরে এই কেন্দ্রে আমাকে মণিপুরী নৃত্যপ্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেয়াটা সত্যিই আমার জন্য সম্মানজনক। এটা আমার গুরুর জন্যও আনন্দদায়ক, সঙ্গে সঙ্গে আমার জন্যও পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার আর আমার মনে হয় এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে স্ট্যান্ডার্ড ও আন্তর্জাতিক মানের হয়ে গড়ে উঠবে এবং আমি সেভাবেই তাদের তৈরি করার চেষ্টা করছি।

একজন ‘ওয়ার্দা রিহাব’ হিসেবে শ্রেষ্ঠ অর্জন কী?

এখনও আমি বলব আমার কোন শ্রেষ্ঠ অর্জন হয়নি। কাজ করার আরও অনেক সময় আছে। সবে শুরু করেছি। আমার মনে হয় না একজন শিল্পী কখনই তার শ্রেষ্ঠ অর্জনটা পেয়ে থাকে; তাদের মধ্যে সব সময় একটা না পাওয়ার বেদনা কাজ করে আর এই বেদনা থেকেই কিন্তু এক একটি বড় বড় কাজ হয়। তাই যখনই সে ভেবে ফেলবে এটাই তার শ্রেষ্ঠ কাজ, তাহলে সেখানেই কিন্তু শিল্প থেমে থাকবে।

একজন প্রফেশনাল কোরিওগ্রাফার হিসেবে উল্লেখযোগ্য কী কী কাজ করেছেন?

প্রফেশনাল কোরিওগ্রাফার হিসেবে সানিডেলে করা রবীন্দ্রনাথের ‘কালমেঘা’ দিয়ে আমার কাজ শুরু। পরবর্তীতে সাধনা অর্গানাইজারের আয়োজনে একটা বড় কাজ করেছিলাম রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য ‘হে অনন্ত পূর্ণ।’ তবে আমি ইউকে এর লিডস ইউনিভার্সিটির প্রফেসার রেচেল কৃশিকে সঙ্গে নিয়ে সবচেয়ে বড় কাজ করেছিলাম ব্রিটিশ কাউন্সিল ও সাধনা অর্গানাইজারের আয়োজনে রবীন্দ্রনাথের ‘তাসের দেশ’ প্রযোজনাটি। এই ফিউশন প্রযোজনায় পুরুলিয়ার ছৌ, মণিপুরী এবং লিডস ইউনিভার্সিটির কন্টেম্পরারি অর্থাৎ তিন ধরনের স্টাইলের ধারা ছিল। এরপর রবীন্দ্রনাথের ‘চিত্রাঙ্গদা’, প্রেম ও প্রকৃতিবিষয়ক প্রযোজনা ‘ঋতুরঙ্গ’ করেছি; আর এখন তো ধারাবাহিকভাবে ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যটি করে যাচ্ছি।

আঞ্চলিকভাবে মণিপুরী নৃত্য প্রচার ও বিকাশ কি খুবই কম হচ্ছে না?

হুম্মম...আমি মনে করি আমি বা আমরা যারা মণিপুরী নৃত্য নিয়ে কাজ করি তাদের সদিচ্ছার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি জেলায় সরকারীভাবে এই শিল্প বিকাশে নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আমি তো এই পদক্ষেপ তিন বছর আগেই নিয়েছি। এবার তো আমরা অনেক সাড়া পেয়েছি। মণিপুরী নৃত্যকে পূর্বে সবাই অবজ্ঞার চোখে দেখত কিন্তু এটার স্মার্ট ও নান্দনিক উপস্থাপন যথেষ্ট প্রশংসার দাবিদার।

বর্তমানে আপনি কী নিয়ে ব্যস্ত আসছেন?

‘বঙ্গমেলা’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে জুলাই মাসে অনুষ্ঠিতব্য আয়োজনে বর্তমান সময়ের সহিংসতা নিয়ে আমরা মঞ্চে আনছি ‘আলোর পথযাত্রী’ যেখানে প্রায় ৪০ জন নৃত্যশিল্পী ৪৫ মিনিটব্যাপী একটি পরিবেশনা করবে আর এর কোরিওগ্রাফি আমার করা আর নিয়মিত কাজগুলো তো আছেই। তবে ভবিষ্যতে ‘আলোর পথযাত্রী’ এদেশে করার ইচ্ছে রয়েছে।

নতুন মণিপুরী নৃত্যশিল্পীদের নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?

নতুন যাদের তৈরি করছি তাদের নিয়ে আমার পরবর্তীতে মণিপুরী ক্ল্যাসিক্যাল ড্যান্স প্রোডাকশন করার ইচ্ছে রয়েছে। তবে এটা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, ভাষা আয়ত্ত করার ব্যাপার আছে আর ভারতের মণিপুরে গিয়ে পুরা কাজটি করতে হবে। সেই বিষয়ে কথা চলছে। যেহেতু এদের আমি চার বছর ধরে ভালভাবে ট্রেনিং দিলাম সেহেতু এরা একটা ছাঁচে চলে এসেছে। আশা করি এদের দিয়ে আমি এই কাজটি ভালভাবে করতে পারব।

নৃত্যশিল্পকে এত আপন করে নেয়ার যৌক্তিকতা কী?

ছোটবেলা থেকেই আমার নাচের প্রতি আগ্রহ। টিভিতে যখনই নাচ দেখতাম তখন মুগ্ধ দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থাকতাম। আমাকে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করত যে তুমি বড় হয়ে কী করবে, আমি তখন নৃত্য শিখব তো বলতে পারতাম না, বলতাম নাচ শিখব। পাঁচ বছর বয়স থেকেই আমার নাচ শেখা শুরু। তারপর আস্তে আস্তে নাচের বিভিন্ন কাইটেরিয়া অনুয়ায়ী নিজেকে সেই ভাবে গড়েছি। প্রথমে অনেকটা না বুঝেই নাচ করতাম কিন্তু আমার মনের মধ্যে যে নটরাজের ছবির জলছাপটা ছিল, এখন মনে করি সেটা স্পষ্ট হয়ে ধরা দিয়েছে আর ২৭ বছর ধরে সেই ভালবাসা থেকে মণিপুরী নৃত্য করছি।

আপনার নাচের অনুপ্রেরণায় কে ছিলেন?

মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমি সারাজীবন ভেবেছিলাম একজন ভরতনট্যম ড্যান্সার হব; সেই কারণেই আমি ইন্সপাইরড ছিলাম গুরু লীলা স্যামসনের নাচ দেখে। কিন্তু পরবর্তীকালে যখন মণিপুরী নাচ শেখাতে এদেশে গুরু কলাবতী দেবী এবং তার মেয়ে বিম্বাবতী দেবী আসেন, তখন তাদের নাচ দেখে আমি খুবই অনুরক্ত হই। সেটা অবশ্য ১৯৯৬ সালের কথা। প্রয়াত বিপিন সিং, গুরু কলাবতী দেবী আর বিম্বাবতী দেবীর মণিপুরী নৃত্যের সেই স্মার্ট প্রেজেন্টেশনের প্রভাব আমার ওপর পড়েছে। সেই কারণেই আমি সব সময় আন্তর্জাতিক মানের সেই স্মার্ট প্রেজেন্টেশনের প্রতি খুবই আকৃষ্ট। কারণ এখন যদি আমাকে ৫ মিনিটের একটা অনুষ্ঠানের চাঙ্ক দিয়ে পুরো বাংলাদেশকে দেখাতে বলা হয়, তাহলে আমাকে সেই সময়ের মধ্যেই দর্শককে একটা আই ক্যাচি মুভমেন্ট দিয়ে নান্দনিক স্মার্ট উপস্থাপন করতে হয়।

নতুনদের কাজে আপনি কতটুকু সন্তুষ্ট?

আমি অনেক সন্তুষ্ট; কারণ নতুনদের মধ্যে যারা ভারত থেকে ভালভাবে শিখে আসছে তারা অনেক ভাল করছে। তবে আমি বলছি না সবাই; ১০ জনের মধ্যে অন্তত ২ জন তো উজ্জ্বলভাবে বেরিয়ে আসছে। যারা বেরিয়ে আসছে, আমি বলব-‘দে আর ভেরি ইনটেলিজেন্ট ড্যান্সার।’

পছন্দের আইডল হিসেবে কাকে মনে করেন?

আমার পছন্দের আইডল হলো দুইজন- গুরু কলাবতী দেবী আর তার মেয়ে বিম্বাবতী দেবী।

প্রিয় বাহন?

আমি ১৯৯৪-এর দিকে একবার ভারত গিয়েছিলাম। সেখানে মেয়েদের স্কুটি চালানো আমাকে খুব বেশি আকর্ষণ করে। কতটা স্বাবলম্বী হলে আর কতটা স্মার্ট হলে এভাবে স্কুটি চালানো যায়। তবে স্কুটি না চালানোর ক্ষোভ এখনও আছে। সেজন্যই আমার প্ল্যান আছে একটা স্কুটি কিনব আর ৮০ বছর বয়স হলেও আমি একবার না একবার স্কুটি চালাব।

প্রিয় পোশাক?

পছন্দের পোশাক শাড়ি; তবে সালোয়ার-কামিজেও কমফোর্টেবল অনুভব করি। তবে মণিপুরী পোশাক আমার খুবই প্রিয়।

ছবি : মো. ওয়ারেসুল ইসলাম সামি

প্রকাশিত : ১৯ মে ২০১৫

১৯/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: