আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পুরনো বইয়ের বাজার

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫
  • খোঁজ-খবর

যেসব বই পাবেন : ফুটপাথে গড়ে ওঠা পুরনো এসব দোকানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পাওয়া যায় দেশী-বিদেশী ম্যাগাজিন, উপন্যাস, রিসার্চ পেপার, জার্নাল, রেফারেন্স বই, নামী-দামী দেশী-বিদেশী লেখকের বই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন, বিশ্বখ্যাত নতুন-পুরনো সাহিত্যসমূহের বাংলা অনুবাদসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী ক্যাটালগ ও ইংরেজী, ফরাসী, আরবীসহ বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার বই। আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের থ্রিলার ও আত্মোন্নয়নমূলক দেশী-বিদেশী লেখকের বই।

কোথায় পাবেন : ফুটপাথের পুরনো বইয়ের দোকানগুলো দেশের বড় শহরগুলোতে। উল্লেখ্য, শিক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রসর শহরগুলোর অলিগলি, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্যাম্পাস সংলগ্ন স্থান এবং ফুটপাথের এসব দোকানে বেশি দেখা যায়।

নীলক্ষেত : ঢাকা মহানগরীর শিক্ষার্থীদের বই কেনার সবচেয়ে বড় ও জমজমাট বাজার নীলক্ষেত এলাকা। বিশেষ করে দুর্লভ ও পুরনো বইয়ের জন্য খ্যাত নীলক্ষেত এলাকা। কেননা বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাছাকাছি হওয়ায় সব সময়ই জমজমাট থাকে নীলক্ষেত এলাকা।

বাংলাবাজার : বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতে বাংলাবাজার অত্যন্ত পরিচিত ও বিখ্যাত। দেশের এমন কোন বই, পত্রিকা, সাময়িকী নেই যার শোরুম বা বিক্রয় কেন্দ্র বাংলাজারে নেই। পুরনো বইয়ের জন্যও বাংলাবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

পুরানা পল্টন : দুর্লভ সাহিত্য বিষয়ক বই, জার্নাল, রেফারেন্স বই, দেশী-বিদেশী ম্যাগাজিন কিনতে হলে চলে যেতে পারেন পুরানা পল্টন এলাকায়। পল্টন মোড় থেকে বায়তুল মোকাররম ওভারব্রিজ পর্যন্ত রাস্তায় ফুটপাথের ওপর দেখতে পাবেন লোভনীয় দামী পুরনো বইয়ের বিশাল পসরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে ফুটপাথে সবচেয়ে কমদামে পুরনো বই বিক্রি হয়ে থাকে।

আরও কিছু স্থান : চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকা, রাজশাহীর সাহেব বাজার, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, কাঁটাবন চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় স্বল্প পরিসরে কিছু পুরনো বইপত্র কিনতে পাওয়া যায়।

যেভাবে কিনবেন পুরনো বই : পুরনো বই কেনার আগে প্রথমে ভাল করে দেখুন যেন কোন পাতা কাটা বা ছেঁড়া না থাকে। তারপর দাম জিজ্ঞাসা করুন এবং প্রথমে অল্প দাম বলুন। আপনাকে এমন ভাব দেখাতে হবে যাতে বিক্রেতা বুঝতে না পারে যে বইটি আপনার খুব প্রয়োজন। তা না হলে সে বেশি দাম হাঁকবে এবং নাছোড়বান্দার মতো দাম কমাতে চাইবে না। বইয়ের দাম করার আগে দেখে নিন অন্যান্য দোকানেও একই বই আছে কিনা। যদি থাকে তবে দোকান যাচাই করে কিনতে পারেন। যদি কাক্সিক্ষত বইটি শুধু একজনের কাছেই থাকে তবে তাকে বুঝতে না দিয়ে দরদাম করে নিন এক বসাতেই। বই পছন্দ করার সময় একটা বিষয় খুঁটিয়ে দেখুন মলাটের লেখা নাম ও ভেতরের বিষয়বস্তু এক কিনা।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫

১৭/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: