রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অপরিকল্পিত নগরায়নে টেকসই উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫
  • ‘নগরায়ন ভাবনা’ পরামর্শ সভা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে নগরায়নের হার সবচেয়ে বেশি। নগরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এর অন্যতম কারণ। বাংলাদেশের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশই আসে নগর এলাকা থেকে। তবে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে টেকসই উন্নয়নের ধারা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে গ্রামে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ৩০ শতাংশ কমে যাবে। আর নগর ও শহরবাসীর সংখ্যা বেড়ে হবে ৩ গুণ। তাই দেশজুড়ে সুষম উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সুলভ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার স্বার্থে পরিকল্পিত নগরায়নের কোন বিকল্প নেই। এজন্য গ্রামের উন্নয়নে মনোযোগ দেয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান নগর কাঠামোর সংস্কার, নগর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে পঞ্চবার্ষিক পরকিল্পনা প্রণয়ন করা জরুরী। শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নগরায়ন ভাবনা’ শীর্ষক পরামর্শ সভায় নগর পরিকল্পনাবিদ, সরকারের নীতি নির্ধারক, উন্নয়নসহযোগী, গবেষক এবং বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন। সভায় ২০১৬-২০২০ সাল মেয়াদী পরিকল্পনায় নগরায়ন পরিকল্পনার খসড়া উপস্থাপন ও এ বিষয়ে মতামত আহ্বান করা হয়। সুষ্ঠু নগরায়ন এবং এর গুরুত্ব বিবেচনায় বাংলাদেশ আরবান ফোরাম (বিইউএফ) সচিবালয় ও সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগ (জিইডি) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। এ সময় সভায় উপস্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেইন জিল্লুর রহমান, বুয়েট নগর অঞ্চল ও পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক রোক্সানা হাফিজ, পৌরসভা সমিতি বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আজমতউল্লাহ খান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং উন্নয়ন সহযোগী ডিএফআইডির উপদেষ্টা নাভেদ চৌধুরী বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা নগরায়ন ভাবনা বিষয়ে তাদের মতামত দেন।

প্রকাশিত : ১৭ মে ২০১৫

১৭/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: