হালকা কুয়াশা, তাপমাত্রা ১৮.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মেয়রের প্রতি খোলা চিঠি

প্রকাশিত : ১২ মে ২০১৫
  • অঞ্জন আচার্য

মেয়র আনিসুল হকের প্রতি

শ্রদ্ধেয় মেয়র মহোদয়

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের উত্তরের মেয়র হওয়ার জন্য শুরুতেই আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমার এ চিঠি আপনার চোখে পড়বে কিনা জানি না, তবুও লিখছি। আপনি অবগত আছেন, ঢাকা উত্তরের রাস্তাঘাট আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে, চওড়া করা হয়েছে। কিন্তু এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে এখানকার গাছপালা কেটে ফেলে। আগে চারদিকে সবুজের আধিক্য ছিল। কিন্তু বর্তমানে গাছ সব কেটে ফেলায় ধুলোয় ধূসরিত হয়ে থাকে চারদিক। আগের মতো করে গাছ লাগালে পরিবেশ যেমন রক্ষা পায়, এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। আপনি যে সবুজের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, আশা করি তা দ্রুতই বাস্তবায়ন করবেন। তাছাড়া রাস্তা চওড়া হলেও হাঁটার জন্য ফুটপাথ নেই। যতটুকু আছে, সেখানে অপরিকল্পিতভাবে দোকান গড়ে ওঠায় আর লোকজন দাঁড়িয়ে থাকায় হাঁটার জায়গা পাওয়া যায় না। রাস্তার পাশে প্রশস্ত ফুটপাথ নির্মাণ এবং সেখানে হাঁটার মতো ব্যবস্থা গ্রহণে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাস্তায় নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর খাবার পানির ব্যবস্থা রাখাও জরুরী। আশা করছি, এ বিষয়গুলো আপনার সুনজরে আসবে।

সুপ্রিয় মেয়র, আপনি তো জানেন, যে কোন বয়সের জন্য শরীরচর্চা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। কিন্তু ঢাকার উত্তরে হাঁটার উপযুক্ত কোন ফাঁকা স্থান নেই, আর খেলার জন্য মাঠ তো নেই । সুতরাং আপনার কাছে পর্যাপ্ত মাঠ চাই। এদিকে ঢাকা উত্তরে, বিশেষ করে মিরপুরের বাসিন্দা হিসেবে দেখা যায় রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা মধ্যেই এলাকাতে অধিকাংশ আলো নিভিয়ে দেয়া হয়। গণমাধ্যমের সূত্রে আপনি হয়ত অবগত আছেন, এখানে বেশকিছু ক্রাইম জোন আছে। তাই সেসব স্থানে পুলিশী প্রহরা এবং আলোর ব্যবস্থা করা একান্ত জরুরী। তাছাড়া নারী নিরাপত্তার জন্য স্পেশাল ফোর্স গঠন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগের উপায় সহজ করা প্রয়োজন। যে কোন অবস্থানে যে কোন নারী কোন অপ্রীতিকর অবস্থার মুখে পড়লে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে তাকে রক্ষার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হলে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে। আপনার অবগতির জন্য একটি বিষয় জানাই, কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণের পর উত্তরা ও টঙ্গী রুটের বাসগুলো মিরপুর ১০-১২ এর রাস্তা ব্যবহার করে। যার ফলে রাস্তা হয়ে গেছে ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। তাই বাস থামার জন্য স্থান নির্বাচন করে দিলে এই ঝুঁকি হ্রাস পেতে পারে। সঙ্গে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করলে রোদ এবং বৃষ্টিতে মানুষ যেমন রক্ষা পায়, একই সঙ্গে যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে বাস থেকে নামা বা ওঠার প্রবণতাও কমে। এ পদক্ষেপগুলো আপনি নেবেন আশা করি।

সুপ্রিয় নগরপিতা, প্রতিটা শাখা রাস্তার মোড়ে ময়লা ফেলার উপযুক্ত ব্যবস্থা করা এবং প্রতিটা দোকানের সঙ্গে একটা করে ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হলে যত্রতত্র ময়লায় নাজেহাল হতে হবে না নগরবাসীকে।

জাহরা জাহান পার্লিয়া

প্রকৌশলী

মেয়র সাঈদ খোকনের প্রতি

প্রিয় নগরপিতা

প্রত্যেক নগরবাসী চায় তাদের নগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র যেন সফলতার সঙ্গে তার দায়িত্ব সম্পন্ন করতে পারেন। তা তিনি সমর্থিত দলের প্রার্থী হোন অথবা অসমর্থিত দলের প্রার্থীই হোন। কারণ নগরপিতা সফল হলে নাগরিক হিসেবে আমিই লাভবান হবো। তাই এই খোলা চিঠির শুরুতে আপনার সাফল্য কামনা করছি।

বয়সে তরুণ হলেও আপনার রাজনৈতিক অবস্থান এখন পর্যন্ত অনেক স্বচ্ছ বলে একটি ধারণা সবার মনে স্থান করে নিয়েছে। তাই ঢাকা দক্ষিণের যাবতীয় নাগরিক সমস্যা সমাধানে আপনি আন্তরিক হবেনÑ এমনটাই সবাই আশা করছে।

আপনি আগেই জানিয়েছেন, যানজট নিরসনের বিষয়টি আপনার কাছে অধিক গুরুত্ব পাবে। এটি সত্যকার অর্থেই আমাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। আপনার সদিচ্ছায় এটি একেবারে কমিয়ে আনা সম্ভব না হলেও সহনীয় মাত্রা পাবে নিশ্চয়। পাশাপাশি গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহনীয় লোডশেডিং অতীতের মতো এখনও চলমান। এর সমাধান কোন কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত জানি না। যদি এ ব্যাপারে আপনার কিছু করার থাকে তা হলে সেটা হবে ঢাকা দক্ষিণবাসীর জন্য জরুরী সেবা।

এদিকে বর্ষাকাল চলে এসেছে। ঢাকা দক্ষিণের খিলগাঁও, বাসাবো, মালিবাগ, মৌচাক এবং হাতিরপুল, কালাবাগান ধানম-িসহ বেশকিছু স্থানে বর্ষাকালের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। অনেক অভিযোগ, নানা গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের পরও সমাধান পায়নি ঢাকা দক্ষিণবাসী। এবার কি তারা আশায় বুক বাঁধতে পারবে মাননীয় নগর পিতা? আর জলাবদ্ধতার কারণে অলিগলির রাস্তার বেহাল দশাও নিত্য বছরের ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। সেদিকেও আপনার সতর্ক দৃষ্টি আশা করব আমরা। এছাড়া ঢাকা উত্তরের মেয়র জনাব আনিসুল হক সবুজ ঢাকা গড়ার যে প্রত্যয় জানিয়েছেন, আপনিও নিশ্চয় বিষয়টকে সমান গুরুত্বের সঙ্গেই নেবেন।

এদিকে ভাড়াটে নগরবাসীর আরেকটি চূড়ান্ত ভোগান্তির নাম বাড়িভাড়া ও বাড়িওয়ালা। বাড়িভাড়া বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার দাবি দীর্ঘদিনের হলেও প্রশাসনের কোন পর্যায় থেকে মেলেনি বিন্দুমাত্র ইতিবাচক পদক্ষেপের আশ্বাস। বাড়িওয়ালার হাত থেকে আমাদের এই জিম্মি দশা ঘোচাতে আপনার কি কিছু করণীয় আছে মাননীয় মেয়র?

বর্তমানে ভূমিকম্প আতঙ্কে কাঁপছি আমরা। অপরিকল্পিত ও অবৈধ স্থাপনায় ঠাসা এই নগরের এক অংশের অভিভাবক হিসেবে, আপনি আমাদের কিছুটা হলেও নিরাপত্তা দিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করছি। এছাড়াও নারী পুরুষের সমতা, দূষণ ও দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা গড়ার যে আশ্বাস আপনি দিয়েছেন, তা নিশ্চয় একে একে বাস্তবায়িত হবে।

মিজানুর রহমান সুমন

সাংস্কৃতিককর্মী

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের প্রতি

শ্রদ্ধেয় নগরপিতা

শুরুতেই আপনাকে কী সম্বোধন করব সেটি নিয়েই বিপাকে পড়েছি। প্রথমে ‘প্রিয়’ লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পর মুহূর্তেই মনে হলো একজন প্রাতিষ্ঠানিক অধিকর্তাকে এই সম্বোধন করাটা অনূচিত। তবে আপনার ভেতর ‘প্রিয়’ হবার সবগুলো গুণ আছে বলেই আমি বিশ্বাস করি। নগর ভবনে পথচলা শুরুর প্রাক্কালে আপনাকে অভিবাদন। চট্টগ্রামকে ‘তিলোত্তমা নগরী’ বানানোর আপনার পরিকল্পনা কিছুটা উচ্চাভিলাষী হলেও আমি একে যথার্থই ভাবছি। স্বপ্ন তো বড় থাকতেই হবে। এইরকম বড় বড় স্বপ্নের হাত ধরেই আমরা হয়ত পৌঁছে যাব লক্ষ্যে। আপনার ইশতেহার দেখেই বোঝা যায় চট্টগ্রাম নগরীতে চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় জলাবদ্ধতা। এই সমস্যা দিন দিন মহাআকার ধারণ করেছে। এর থেকে পরিত্রাণ হয়ত নিমিষেই সম্ভব নয়। তবে এটি সমাধানযোগ্য সমস্যা নয়Ñ এমটাও নয়। এক্ষেত্রে আপনার কাছে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার প্রত্যাশা থাকবে। ১৯৯৫ সালে প্রণীত ড্রেনেজ মাস্টারপ্লানের এক লাইনও বাস্তবায়ন হয়নি গত সময়ে। এই প্লান এখন আর কাজে আসবে কিনা সেটিও ভাবার বিষয়। আর তাই একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করে এই মাস্টারপ্লান পুনঃমূল্যায়ন করা দরকার। আপনার কাজের প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ দল যদি আপনার সঙ্গে থাকেন তবে সমস্যা সমাধান অনেকটা সহজ হবে বলেই মনে করি। এছাড়া স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনায় নগরীর নালা-খালগুলো পরিষ্কার রাখার চ্যালেঞ্জটা হাতে নিতে হবে আগেই। এছাড়া এক সময়ের পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম এখন আর্বজনার নগরীতে পরিণত হয়েছে। এর থেকে পরিত্রাণ চাই যে কোন মূল্যে। নগরজুড়ে আপনার অতি উৎসাহী সমর্থকরাও যাতে আপনার অর্জিত সুনামে কালি লাগাতে না পারে সেই বিষয়টাও দেখবেন আশা করছি। তার মানে কোন ধরনের অপ-মানুষই প্রশ্রয় পাবে না আপনার কাছে। নগরীতে এখন খোলা জায়গায় ডাস্টবিন আছে ১ হাজার ৪শ’ ৯টি। সারাদিন ধরে নাকে রুমাল চেপে জনসাধারণের দুর্ভোগের বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান জরুরী। সিটি কর্পোরেশনের সেবাখাতগুলোর ক্রমসংকোচন আপনার হাত ধরেই আবার বিকাশমান অবস্থা ফিরে পাবেÑ এমনটা আশা করতেই পারি। সবশেষে আপনার নেতৃত্ব আমাদের এমন একটা নগরীর দিকে নিয়ে যাবে যেখানে জলাবদ্ধতা, যানজট, আবর্জনা ও চাঁদাবাজমুক্ত একটি নগরীতে স্বস্তির বসবাসই নিশ্চিত করবে। আর আপনি আমারসহ সকলের প্রিয় হয়ে উঠুন এমনটাই চাই।

অনুপম শীল

গণমাধ্যম কর্মী, চট্টগ্রাম

মাননীয় মেয়র,

সালাম নিন। প্রথমেই অভিনন্দন বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নগরপিতা নির্বাচিত হওয়ার জন্য। ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে নগরবাসী তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। এবার তাদের প্রাপ্তির সময়। একজন তরুণ ভোটার হিসেবে নির্বাচন নিয়ে অনেক উৎসাহী ছিলাম। এখন উৎসাহী বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নতুন রূপে দেখার জন্য। আমাদের নতুন মেয়র আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করবেনÑ তাই কামনা করি।

অবশ্য নগরবাসীর প্রথম চাওয়া জলাবদ্ধতা নিরসন। সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর যে রূপ বিগত সময়গুলোতে আমরা দেখেছি তা আমাদের কখনই কাম্য নয়। কোমর সমান পানি ডিঙিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে নিজেদের গন্তব্যে। বন্দর নগরীর এমন ডুবন্ত দশা নগরবাসী আর দেখতে চায় না।

গত কিছু বছরে যানজট এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৫ মিনিটের দূরত্বে পৌঁছাতে এখন এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগে। আশা করি দ্রুত নগরবাসী যানজটমুক্ত নগরী উপহার পাবে নবনিযুক্ত মেয়রের কাছ থেকে। বাসে কয়েকটা সিট শুধু বরাদ্দ থাকে মহিলাদের জন্য। অনেক সময় ওইসব সিটেও পুরুষ বসে থাকে। মহিলাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সব রুটে আলাদা বাসের ব্যবস্থা করা উচিত। বন্দরনগরীকে আবার হেলদি সিটি পরিচয় দিয়ে গর্ব করতে পারব এমনটাই আশা আমাদের। তাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাস্তাঘাট অত্যাবশ্যক। নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতিটা ওয়ার্ডে সিটি কর্পোরেশনের অধীন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা সুচিকিৎসা প্রদান, বিনামূল্যে/নামমাত্রমূল্যে ওষুধ প্রদানের ব্যবস্থা করা অতি জরুরী। একজন ফার্মাসিস্ট হিসেবেও আমার প্রত্যাশা আছে আমাদের নগরপিতার কাছে। উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও ওষুধের সঠিক সরবরাহ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পাশাপাশি ফার্মাসিস্ট নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। আমাদের প্রত্যাশা নগরপিতা নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ইদানীং সব জায়গায় চোর এত বেড়েছে দিনে-দুপুরেও চুরি হয়। মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে বের হলে ঘরে তালা লাগিয়ে গিয়েও স্বস্তি পায় না, তালা ভেঙে, জানালার গ্রিল কেটে চুরি করে। বেকারত্বই হয়ত এই সমস্যার প্রধান কারণ। আশা করি বেকারত্ব নিরসনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সবাই শুনে একটু অবাক হয়, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বন্দরনগরীতে বিনোদনের জন্য কোন উন্নতমানের সিনেমা হল নেই। আশা করি আপনার কাছ থেকেই আমরা আমাদের বহু প্রতীক্ষিত সিনেপ্লেক্স পাব। এছাড়াও শিল্প-সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারে আপনার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা প্রত্যাশা করছি। সর্বোপরি ভাল থাকুন আমাদের নগরপিতা, আর আমাদের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমন্বয় করে শান্তির এবং স্বস্তির বন্দরনগরী উপহার দিবেন এই কামনায় রইল। ভবিষ্যতের চট্টগ্রাম হোক, সুন্দর ও শান্তির নগরীর প্রতীক। ধন্যবাদ।

প্রিয়াঙ্কা পাল

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ১২ মে ২০১৫

১২/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: