মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

স্মার্টফোনের ব্যবহার এখনও কম

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৫
  • চৌধুরী জাকারিয়া মোস্তাফিজ

ম্যানেজার, মার্কেটিং, র‌্যাংকস মোবাইল

পড়াশোনা শেষ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বাবা-মা দু’জনেই শিক্ষকতা করতেন। প্রযুক্তির প্রতি তার দারুণ শখ। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি মেজ। জনকণ্ঠের আইটি ডট কমের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় শেয়ার করলেন নিজের ভাবনা ও দেশের বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির অবস্থা।

জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান যে উন্নয়নের গতি সেটার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, জীবনে গতি আনতে সকল এ্যাপ্লিকেশন মোবাইলের মাধ্যমে প্রয়োগ করার জন্য দেশের তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের ভাবা উচিত। এ ছাড়াও এ দেশে স্মার্টফোনের মাধ্যমে শুধু ফেসবুকিং আর ভিডিও, অডিও, মুভি দেখা শোনার মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এখনও স্মার্টফোন দিয়ে তেমন কোন কাজই দেশের মধ্যে করা যায় না।

তিনি চীনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, চীনা সরকার তাদের জনগণের জন্য ব্যবহার উপযোগী এ্যাপ্লিকেশন বানিয়েছেন। যার ফলে ট্যাক্সি ক্যাবের বিল পরিশোধ থেকে স্কুলে ভর্তি সব কিছুই করা যায় স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে। স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে নাগরিক সেবার জন্য নিত্যনতুন এ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রের বিস্তার ঘটানো উচিত। নিজের কোম্পানির মোবাইল ফোন সম্পর্কে বলেন, র‌্যাংকস বহুবছর ধরে এ দেশের মানুষকে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আমদানি ও সংযোজন করে সেবা দিয়ে আসছে। এবারও দেশের মানুষের কথা ভেবে কোয়ালিটি ফোন নিয়ে এসেছে। যার মধ্যে খুবই উন্নত ফিচারের ফোনও রয়েছে। এ দেশে আপনার কোম্পানি মোবাইল তৈরি করার কারখানা নির্মাণ করবে কি নাÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশের ইলেট্রনিক্স পণ্য আমদানিতে যে অর্থ ব্যয় হয়, তার থেকে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় হয় মোবাইল কারখানা তৈরিতে। যারাই এ দেশের মোবাইল আমদানি করছেন তাদের সাধ ও সাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী সঠিক নীতিমালা ও নিরুসাহিত ট্যাক্স প্রক্রিয়ার কারণে এ দেশের মোবাইল ফোন তৈরির কারখানা তৈরি করা সম্ভব নয়। তিনি ভারতের উদাহরণ টেনে বললেন, ভারতে মোবাইল ফোন আমদানি করতে সরকারকে দিতে হয় ১৫ পারসেন্ট কিন্তু দেশে যদি কোন ব্যক্তি কারখানা নির্মাণ করেন তাহলে ফ্ল্যাটরেটে মাত্র ১ পারসেন্ট ট্যাক্স সরকারকে দিতে হয়।

আলোচনার এক ফাঁকে তিনি জনকণ্ঠকে জানান, নিজের আগ্রহের কারণে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দেশ ডেনমার্ক, চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন।

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৫

০৯/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: