আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মহেশখালী বিদ্যুত হাব ॥ কয়লা পরিবহন ব্যবস্থা গড়তে এমওইউ সই

প্রকাশিত : ৬ মে ২০১৫
  • জাপানের আদলে বন্দর নির্মাণ করা হবে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কক্সবাজারের মহেশখালী বিদ্যুত হাবে কয়লা পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিদ্যুত বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। বিদ্যুত বিভাগের মহেশখালিতে একটি বড় বিদ্যুত হাব নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রের কয়লা খালাসের জন্য জাপানের আদলে একটি বন্দর নির্মাণ করা হবে। এই বন্দরের মাধ্যমেই কয়লা আমদানি করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বন্দরের জন্য চ্যানেল এবং জেটি নির্মাণে সহায়তা করবে। মঙ্গলবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এমওইউটি স্বাক্ষর হয়। এটিই হচ্ছে দেশের কয়লা খালাসের প্রথম বন্দর। কয়লা খালাসের অবকাঠামো না থাকায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ গতিশীল না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যুত বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলাম এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেহেদী স্ব স্ব পক্ষে স্বাক্ষর করেন। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-আপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এখানকার প্রথম বিদ্যুত কেন্দ্র এবং বন্দর নির্মাণে অর্থায়ন করছিল। অর্থায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিদ্যুত বিভাগের একটি সমঝোতার বিষয় জাপানের এই দাতাসংস্থা জুড়ে দেয়। অভিযোগ ছিল বিদ্যুত বিভাগ দীর্ঘ দিন ধরে চেষ্টা করেও এই সমঝোতা স্বাক্ষরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে রাজি করাতে পারছিল না। সবশেষ বিদ্যুত বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলাম নৌপরিবহন সচিব শফিক আলম মেহেদীর হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি চিঠি দেন। এরপরই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নড়েচড়ে বসে। ওই চিঠিতে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়, মাতারবাড়ি প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এসব প্রকল্পের দেখভাল করে থাকেন।

সমঝোতা স্মারক চুক্তি অনুযায়ী জেটি ও দেড় কিলোমিটার লম্বা ও ২৫০ মিটার চওড়া চ্যানেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে বিদ্যুত বিভাগের ওপর। উভয়পক্ষ, বিদ্যমান আইনের আওতায় টেকসই কয়লা টার্মিনাল এবং জেটি স্থাপন ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য পরস্পরকে সহযোগিতা করবে এবং সর্বোচ্চ স্বক্ষমতা অর্জনে একত্রে কাজ করবে।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান সমঝোতা স্মারক চুক্তিকালে বলেন, বিদ্যুত উৎপাদনের লক্ষ্যে গৃহীত সকল কার্যক্রমে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে। বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ সময় বলেন, মধ্যম আয়ের দেশের মানুষের যে পরিমাণ বিদ্যুত লাগবে আমরা তা উৎপাদনে কাজ করছি। প্রায় চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রাক্কলিত ব্যয় সম্মলিত মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গৃহীত ফাস্ট-ট্রাক্ট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এ সময় বিদ্যুত বিভাগ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশিত : ৬ মে ২০১৫

০৬/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: