মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চাহিদার চেয়েও দ্বিগুণ লবণ উৎপাদনের সম্ভাবণা

প্রকাশিত : ৪ মে ২০১৫, ১২:৪৩ পি. এম.

নিজস্ব সংবাদদাতা, কক্সবাজার ॥ দেশের প্রধান লবণ উৎপাদনকারী জেলা কক্সবাজারে চলতি বছরেও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) কক্সবাজার আঞ্চলিক বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতিবছর ২০১৫ সালে দেশে লবণের চাহিদা রয়েছে ১৫লাখ ৮০হাজার মেট্রিক টন। আর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮লাখ মেট্রিক টন। ২০১৪ সালের নবেম্বর মাস থেকে কক্সবাজার জেলার ১৩টি কেন্দ্রের অধীনে প্রায় ৬০হাজার একর জমিতে লবণ চাষে চাষীরা আশানুরূপ সফলতা অর্জন করেছে। ইতোমধ্যে লবণ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১২লাখ মেট্রিক টন। মৌসুম শেষ হতে আরও দুই মাস সময় রয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকুলে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলতিবছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে অতিরিক্ত লবন উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবণা রয়েছে। ২০১৪ সালেও দেশে লবণ উৎপাদন হয়েছে ১৭লাখ ৫৩হাজার মেট্রিক টন। ওইসময় লবণের চাহিদা দেখানো হয় ১৪লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন। আর লক্ষ্যামাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৬লাখ মেট্রিক টন। প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকুলে থাকায় গেলবছর লক্ষ্যমাত্রা ডিঙ্গিয়ে দেশে অতিরিক্ত লবণ উৎপাদন হয়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার মেট্রিক টন। যা চাহিদার চেয়ে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন বেশি। বিসিকের হিসেবে গেল বছর দেশে তিন লাখ মেট্রিক টন লবণ উদ্বৃত্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ লবণ চাষী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট শহীদুল্লহ চৌধুরী বলেন, কম উৎপাদনের হিসাব উপস্থাপন করে এক শ্রেণীর প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সরকারের উচ্চ মহলে ভূল তথ্য দিয়ে সঙ্কটের অজুহাতে বিদেশ থেকে লবণ আমদানির পাঁয়তারা চালাচ্ছে এখনও। সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রাণালয় এতে অনুকম্পা দেখালে দেশের ক্ষুদ্র লবণ চাষীরা আর্থিকভাবে দেউলিয়া হতে পারে। এব্যাপারে লবণ চাষ ও শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে। নইলে দেশের লবণ শিল্প একদিন বিলুপ্ত ঘটবে।

প্রকাশিত : ৪ মে ২০১৫, ১২:৪৩ পি. এম.

০৪/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: