কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

কাঠমান্ডু থেকে সেনাবিমানে ফিরল দেশের কিশোরী ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৫ এ. এম.

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ত্রাণবাহী বিমানে কাঠমান্ডু থেকে রবিবার রাতে দেশে ফিরে স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লেন বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রাণঘাতী প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপালে আটকা পড়েছিলেন বাংলাদেশের কিশোরী ফুটবলাররা। এএফসি রিজিওন্যাল চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে কাঠমান্ডুতে অবস্থানকারী বাংলাদেশের মেয়ে ফুটবলারদের সামনে একটি স্বপ্নময় ইতিহাস অপেক্ষা করছিল। ভারত, ইরান, ভুটানকে হারিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক এই ফুটবল আসরের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল তারা। সামনে ছিল প্রতিপক্ষ স্বাগতিক নেপাল। আর ফাইনালের দিনই ঘটল বিপত্তি। ভূমিকম্পে ল-ভ- হয়ে গেল সবকিছু। ২৫ এপ্রিল বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালের আগে প্রাকৃতিক ধ্বংসযজ্ঞে বাতিল করা হয় খেলা। জীবন বাঁচানোই যেখানে মূল সংগ্রাম, সেখানে খেলায় আমোদিত হওয়ার সুযোগ কোথায়? হলো না- শিরোপার পরিবর্তে অক্ষত, সুস্থ শরীরে- জীবন নিয়ে দেশে ফেরা মেয়েদের অবস্থাটা দাঁড়িয়েছে ‘যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া।’ ফাইনালে পৌঁছে চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ- একটা কিছু অর্জন তো অবধারিত ছিল। কিন্তু সেটার পরিবর্তে স্বস্তির দেশে ফেরাটাই তখন ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ফাইনালের ভেন্যু কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামও ধসে পড়ায় সে দিনই খেলা স্থগিত করা হয়। স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্প দুপুরে না হয়ে কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলে আঘাত হানলে ভাগ্যে কী ঘটত বলা মুশকিল। দুই দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তাদের পাশাপাশি হয়ত স্টেডিয়ামেই জীবন যেতে পারত অনেক দর্শকের। হোটেল থেকে বেরিয়ে দিনভর দুরুদুরু বুকে পাশের মাঠে, খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মায়ের কোলে ফিরল মেয়েরা।

ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত দেশটিতে বেঁচে যাওয়া মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিমানে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ১৪ নারী ফুটবলার, কোচিং স্টাফ, দলের সঙ্গে থাকা কর্মকর্তাদের। তবে ফাইনাল ম্যাচটির ভবিষ্যত কী, তা জানা যায়নি।

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৫ এ. এম.

২৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: