আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কাউন্সিলর প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচার

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, আগারগাঁও এলাকা নিয়ে গঠিত ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড। এ তিনটি ওয়ার্ডে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন শেষ সময়ের প্রচার চলছে। এলাকার প্রার্থীরা রাস্তাঘাট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, মাদক নির্মূল, স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, স্বাস্থ্য ক্লিনিক, খেলার মাঠ, পাঠাগার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন। এই তিন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৩৩ জন।

২৮ নম্বর ওয়ার্ড ॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নম্বার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ১৫ জন। এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ৬৯৪ জন। এটি রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড। কারণ এই ওয়ার্ডে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান। এ ওয়ার্ডে রয়েছে শ্যামলী, পশ্চিম আগারগাঁও, তালতলা কলোনি, শেরেবাংলা নগর (অর্ধেক), বেগম রোকেয়া, পশ্চিমে মিরপুর রোড, উত্তরে কল্যাণপুর খাল ও মাহবুব মোর্শেদ সরণি এলাকা। এ এলাকায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সার্ক মেট্রোলজিক্যাল রিসোর্স সেন্টার, এলজিইডি ভবন, পাসপোর্ট অফিস, আবহাওয়া অধিদফতর, পরিবেশ ভবন, সমবায় অধিদফতর, সমবায় ভবন, প্রতœতত্ত্ব ভবন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান কার্যালয়, পরমাণু ভবন, বাংলাদেশ বেতার, পরিসংখ্যান ব্যুরো, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বিজ্ঞান জাদুঘর।

এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ফোরকান হোসেন। তিনি শেষ সময়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ফোরকান হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, এলাকায় কিছু সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে পানি ও গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে এই সমস্যা সমাধান করব। বিএনপি থেকে প্রথমে অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারকে মনোনীত করা হয়েছিল। পরে তাকে সরিয়ে আফতাব উদ্দিন জসীমকে মনোনীত করে বিএনপি। এলাকাবাসীরা জানান, এই ওয়ার্ডে কোথাও কোথাও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য রয়েছে। কাউন্সিলর প্রার্র্থীরাও এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

২৯ নম্বর ওয়ার্ড ॥ মোহাম্মদপুর থানার তাজমহল রোড, আজিজ মহল্লা, টিক্কাপাড়া, বিজলী মহল্লা, জহুরী মহল্লা, পিসি কালচার (আংশিক) নিয়ে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজার ৯৪৬ জন। এখানে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন ৮ জন। এই এলাকার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা ও মাদক। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অল্প বৃষ্টিতেই এলাকা তলিয়ে যায়। এখানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সলিম উল্লাহ সলু। তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, এই এলাকায় অনেক কিছুই রয়েছে। স্কুল, কলেজ, কমিউনিটি সেন্টার রয়েছে। তবে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা ও মাদকের সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে এ সমস্যাসহ তথ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন এবং পরিবেশ দূষণরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৩০ নম্বর ওয়ার্ড ॥ রাজধানীর আদাবর থানার হোলি লেন, চৌধুরী গলি লেন, গোল্ডেন স্ট্রিট, মোহনপুর, আদর্শ ছায়ানীড়, হোসনাবাদ স্ট্রিট, উত্তর আদাবর এলাকা নিয়ে ৩০ নম্বর ওয়ার্ড। ভোটার সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮২৮। এই ওয়ার্ডে প্রার্থী রয়েছেন ১০ জন। সরেজমিন দেখা যায়, এই ওয়ার্ডের আদাবরসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ময়লা-আবর্জনাপূর্ণ। কোথাও কোথাও রাস্তায় খানাখন্দও রয়েছে। প্রার্থীরা সমস্যাগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, সন্ধ্যা হলেই কিছু এলাকায় চলে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। এ সমস্যার সমাধানই তাদের মূল চাওয়া। ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। তবে মাদক, চাঁদাবাজি ও জলাবদ্ধতার সমস্যা প্রকট। নির্বাচনী প্রচারে এ সমস্যাগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। এখানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান। আর বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হলেন আবুল হাশেম। তবে এই ওয়ার্ডে আরও প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন আবুল হাশেম হাসু, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, শামসুল আলম, সালাহ উদ্দিন, হাজী সাদেক হোসেন প্রমুখ।

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল ২০১৫

২৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: