কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাজেট ভাবনা ॥ সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০১৫
  • ড. আহমদ আল কবির

আগামী জুন ২০১৫ সালে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬তম বাজেট হলেও, অর্থমন্ত্রীর এটি হবে নবম বাজেট। বাজেটে গত ৬ বছরের ধারাবাহিকতা অক্ষুণœ রেখে রূপকল্প ২০২১-এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পদক্ষেপগুলোকে বেগবান করা হবে বলে সকলেই আশা করছেন। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার প্রায় ২ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা হবে বলে শোনা যাচ্ছে, যা বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ৬ বছর আগে ক্ষমতা গ্রহণের সময়ের বাজেটের প্রায় ছয়গুণ। উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৭.১%, মুদ্রাস্ফীতি ৬.৫%, এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে প্রায় ৯২ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসছে বলে শোনা যাচ্ছে। বাজেটে প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকার নিজস্ব আয় নির্ধারণ করে সার্বিকভাবে ৫% বাজেট ঘাটতি রেখে পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়নের দিকনির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সমন্বয় কাউন্সিল।

চলতি অর্থবছরে আনুমানিক ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় হবে বলে আশা করা গেলেও আগামী বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে সম্ভব বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। দেশের সাম্প্রতিক (জানুয়ারি থেকে মার্চ, ২০১৫) রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মধ্যেও চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কার্যক্রমে ৭৫ হাজার কোটি টাকা খরচের সম্ভাবনা থাকলেও এডিপির আকার বৃদ্ধি দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকা-ের পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে, তবে এর জন্যও প্রয়োজন হবে সরকারের বাস্তবায়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন ও বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা।

বার্ষিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বর্তমান গতি প্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে চলতি বছরে ৬.৫% এর অধিক হারে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলেই অনেকে মনে করেন। অর্থনীতির উন্নয়ন গতিধারাকে মন্থর করার লক্ষ্যে গত জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকা- চালান হলেও, সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি ৬.৫% এর নিচে ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে এবং রেমিট্যান্সের প্রবাহ ১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৩ বিলিয়ন ডলার ও রফতানি আয় ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। দেশের অর্থনীতিতে এই চাঙ্গাভাব আগামী বছরে ধরে রাখতে পারলে ২০২১ সালের আগেই একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা সহজেই অর্জন সম্ভব হবে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির কাছে ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন কারিগর’ হিসেবে চিহ্নিত হবেন।

সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে সফল খাত হচ্ছে ‘সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা’। এ খাতটি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কর্তৃক সর্বোচ্চ সফল খাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং টেকসই দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করেছে। তাই আমাদের প্রত্যাশা আগামী বাজেট হিসাবে সেবা খাত এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীগুলো চলমান ও শক্তিশালী করা হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর সুফলভোগীদের যাতে এই কার্যক্রমের সুযোগগুলো মধ্যস্বত্ব¡ভোগীদের কালো ছায়া থেকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ধার করা যায় তার সর্বোত্তম ব্যবস্থা নিতে হবে। সকল সুবিধাভোগীদের কিভাবে সরকারের এই নীতির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত করা যেতে পারে তাঁর জন্য প্রচার কাজ হাতে নিতে হবে। এতে স্বচ্ছতাও বৃদ্ধি পাবে।

রূপকল্প ২০২১ সালের লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে বাস্তবায়নের জন্য জাতির পিতা কর্তৃক ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে ঘোষিত ‘জেলাভিত্তিক প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ’ ও ‘মানবসম্পদ উন্নয়ন’কে আগামী বাজেটে অগ্রাধিকার দিতে হবে। জেলাভিত্তিক প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা তৈরি খুবই প্রয়োজন। এই কার্যক্রমকে শুরু করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলার জনসংখ্যার ভিত্তিতে থেকে বরাদ্দ রেখে বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাথমিকভাবে কিছু কিছু খাতকে পরিকল্পনার আওতায় এনে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খাতকে এই জেলাভিত্তিক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে সম্পৃক্ত করতে হবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের আহ্বায়ক করে জেলার সকল সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের সদস্য করে ‘জেলা পরিষদ’কে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৮০ ভাগের বয়স ৪৫ বছরের নিচে। তাই এই কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে ‘কর্মবান্ধব শিক্ষার’ আওতায় এনে কাজে লাগাতে পারলে এদেশের উন্নয়নে টেকসই গতি আসবে। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় দুটি কর্মসূচী ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বর্তমান অবস্থায় উন্নতি ঘটাতে পারে। প্রথমত এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ‘সরকার থেকে সরকারের’ মাধ্যমে পরিচালিত মানবসম্পদ রফতানি কর্মসূচীর পাশাপাশি বেসরকারী পর্যায়ে জনবল রফতানিতে সকল বাধা বা প্রতিবন্ধকতা তুলে নিতে হবে। আমরা জানি, সরকারী মাধ্যমে জনবল রফতানির মাধ্যমে কম খরচে মানুষ কাজের জন্য বিদেশে যেতে সক্ষম হচ্ছে। তবে সরকারী প্রশাসনযন্ত্র ব্যবসায়ী হয়ে পড়ায় অদক্ষতা, দুনীতি, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং সর্বোপরি মানবসম্পদ রফতানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। আমি সম্প্রতি মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করে বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের জোর তাগিদ অনুভব করেছি। তাই জনস্বার্থে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী খাতকে জনশক্তি রফতানিতে উৎসাহিত করে জরুরী ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পুরো অবস্থা মূল্যায়ন করে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়াসহ এ অঞ্চলের বাজার নষ্ট হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের বেসরকারী সেবা খাতের দৃষ্টান্ত অনুসরণ ও কাজে লাগানো যাবে। বেসরকারী খাতকে তাঁদের মানবসম্পদ রফতানির ১০ শতাংশকে সরকার নির্ধারিত হারে এবং সরকার নির্বাচিত (সঠিক ন্যূনতম যোগ্যতাসম্পন্ন এবং গরিব) লোকজনকে বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে সমঝোতা চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম বেতনের নিশ্চয়তা ও অন্যান্য সুবিধাকে নিশ্চিত করার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। উপরোক্ত ব্যবস্থাগুলো নিলে গত এক বছরে কম খরচে সরকারীভাবে যতজন লোককে বিদেশে পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন তার কয়েকগুণ লোক বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে। বর্তমানে প্রচলিত ‘সরকার থেকে সরকারের’ মাধ্যমে মানবসম্পদ রফতানির কর্মসূচী চালু রেখেই প্রস্তাবিত বেসরকারী পদ্ধতিটি গতিশীল করা প্রয়োজন বলে মনে করি।

দ্বিতীয়ত, বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রতিটি উন্নত ও উন্নয়নকামী দেশে ‘কারিগরি জ্ঞানে’ সমৃদ্ধের চাহিদা খুবই বেশি। বাংলাদেশ থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে আজ পর্যন্ত বিদেশে কাজ করার জন্য যাওয়া লোকদের মধ্যে প্রায় ৯২ লাখ লোক বর্তমানে বিদেশে কাজ করছে। এর মধ্যে খুব কমসংখ্যক লোক উন্নত বিশ্বসহ অনেক দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এবং এদের বেশিরভাগই শিক্ষিত। এই শ্রেণীর লোক দেশে টাকা পাঠায় খুবই কম এবং অন্যদিকে এদের বেশিরভাগই দেশের জমিজমা বিক্রি করে অবৈধভাবে সম্পদ বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বিদেশে কর্মরত কম শিক্ষিত ও অদক্ষ শ্রেণীর প্রায় শতভাগ লোকেরই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে টাকা পাঠায়, যা অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার কাজে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এমতাবস্থায়, দেশের স্বার্থে কম শিক্ষিত বা অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য ‘কর্মবান্ধব শিক্ষা’ প্রসারে সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে এবং সে অনুযায়ী নীতি প্রণয়ন করতে হবে। এই বিষয়টি অত্যন্ত জরুরী এবং সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তবে এই কাজটির বাস্তবায়ন সহজ নয়। চলতি বাজেটেও মানবসম্পদ উন্নয়নে অনেক বড় বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সরকারী কর্মকর্তারা মনে করেন, তাঁদের বিদেশে শিক্ষা সফর এবং প্রশিক্ষণই মানবসম্পদ উন্নয়ন। সরকারকে এ বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে তাঁর মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমের কত অংশ সরকারী কর্মকর্তাদের উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে। আমরা যারা মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করি, তাঁরা মনে করি সরকারী ব্যবস্থাপনায় ব্যাপকভিত্তিক ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি সম্ভব নয়। বিশেষ করে কম আয়ের লোকদের উন্নয়নে যখন এসব কার্যক্রম সরকারী কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়, তখন বিষয়টি আরও অনেক ধরনের বিরূপ অবস্থার মোকাবেলা করেই অগ্রসর হতে হয়। তাই আমাদের প্রস্তাবনা, আগামী বাজেটে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে ১ থেকে ৪ বছর মেয়াদি কোর্স প্রণয়ন করতে হবে। আর এর বাস্তবায়নে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগকে উৎসাহিত করে দেশের প্রতিটি এলাকাভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। টেকসই প্রশিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারী ও বেসকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী এবং সকল প্রকার প্রণোদনা একইভাবে (সরকারী ও বেসরকারী খাতে) প্রযোজ্য হতে হবে। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি সকল প্রকার বৈষম্যমূলক ও প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয়ভাবে একটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে (সরকারী ও বেসরকারী প্রতিনিধি সমন্বয়ে) সকল কর্মবান্ধব শিক্ষার ক্ষেত্রে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করার পদক্ষেপ নিতে হবে। দৃষ্টান্তস্বরূপ স্বাস্থ্য খাতে মানবসম্পদ তৈরির জন্য একটি মেডিক্যাল কারিগরি বোর্ড তৈরির উদ্যোগ অনেক আগে নেয়া হলেও, কিছুসংখ্যক আমলা ও কিছু বিশেষ পেশার নেতৃত্বের বাধায় তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা প্রতিটি মন্ত্রণালয়াধীন দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচীতে বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমার বিশ্বাস, আগামী বাজেটে এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে নীতি প্রণয়ন করা হবে।

আমার বিবেচনায় আগামী বাজেটের সকল উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সক্ষমতা তৈরির কাজটি গুরুত্ব দেয়া উচিত। বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়নের পাঁচ বছর পর পর্যন্ত প্রকাশ্য স্থানে প্রকল্পের নাম ও খরচের পরিমাণ উল্লেখ করে প্রচারণার বা জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর নীতি চালু করতে হবে। এতে করে জনগণ সকল উন্নয়ন কর্মকা- সম্পর্কে অবহিত হবে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ সামাজিক সূচকে ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করলেও সার্বিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জনে দেশটি অনেকটা ব্যর্থ হয়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। বিগত ৩ নবেম্বর, ২০১৪ সালের বৈঠকে মন্ত্রিসভাকে বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে এক লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা অব্যবহৃত হিসাবে পড়ে আছে বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে সকল উন্নয়ন কর্মী হতাশাব্যঞ্জক একটি দিক বলেই মনে করেন। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে চলমান ও গতিশীল রেখে একে একটি মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরের জন্য প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়নে অধিকতর সাফল্য এবং মান উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা এবং সমাধানের দিকনির্দেশনা প্রদান অত্যন্ত সময়োপযোগী বলেই আমি মনে করি। বিষয়টি নিয়ে সর্বস্তরের পেশাজীবীদের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা, পর্যালোচনা করা খুবই জরুরী।

লেখক : অর্থনীতিবিদ ও রূপালী ব্যাংকের

সাবেক চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০১৫

২৬/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: