আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ব্যাহত হচ্ছে জিনজিরা ইউপি কার্যক্রম

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেরানীগঞ্জ, ২৪ এপ্রিল ॥ ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও জায়গা স্বল্পতায় ব্যাহত হচ্ছে কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রম। যুগের পর যুগ এ ভবনটিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আগত বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে আসলেও কয়েক বছর ধরে ব্যাহত হচ্ছে সেই কার্যক্রম। ভবনটিতে বসার জায়গা না থাকায় নিয়মিত বসতে পারছেন না নির্বাচিত ইউপি সদস্যরা। চালু করতে পারছেন না গ্রাম আদালত কার্যক্রম। বিঘœ ঘটছে নানা উন্নয়ন কার্যক্রমে। সামান্য বৃষ্টিতে ভবনের বিভিন্নস্থানে সৃষ্ট ফাটল দিয়ে পানি পড়ে। সেই সঙ্গে খুলে পড়ছে পলেস্তারা। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন জেনেও জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিয়মিত অফিস করে আসছেন জনপ্রতিনিধিরা। তাদের দাবি পুরনো এ ভবনটি ভেঙ্গে নতুন বহুতল ভবন তৈরির।

জিনজিরা ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন জানান, কেরানীগঞ্জ উপজেলার ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকা হিসেবে পরিচিত জিনজিরা ইউনিয়নের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭২ সালে। ওই সময়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রয়াত আলিমউল্লাহ ইউনিয়নের নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করতে নিজ অর্থায়নে ৪ শতাংশ জায়গার ওপর তৈরি করে দেন এ ভবনটি। সেই থেকেই এ পর্যন্ত এ ভবনটিতে চলছে পরিষদের সার্বিক কার্যক্রম। নির্বাচিত সদস্যদের পরিষদে নিজেদের বসার জায়গা না থাকলেও দুর্ঘটনার শংকা নিয়েই জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন আগত নাগরিকদের সেবা দিতে। দিনে দিনে ইউনিয়নের জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি পরিধি। অল্প জায়গার মধ্যে থেকে চালাতে হচ্ছে নানা কার্যক্রম। এতে বিঘœ হচ্ছে ত্রাণ বিতরণ ও গ্রাম আদালতের কার্যক্রম। দীর্ঘদিনের পুরনো এ ভবনটির বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্ট ফাটল দিয়ে পড়ছে পানি। অবহেলা ও অযতেœ পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে পরিষদের গুরুত্বপূণর্ণ নথি। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই খুলে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। এতে প্রায়ই ঘটছে হতাহতের ঘটনা। তার মতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেতে পুরনো এ ভবনটি ভেঙ্গে বহুতল ভবন তৈরি করা হলে বাড়বে নাগরিক সেবার পরিধি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মোহামমদ ফখরুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জিনজিরা ইউনিয়নের ভবনটি সম্পর্কে তিনি অবগত। ইউনিয়ন পরিষদের জন্য যে পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন সে জায়গা না পাওয়ায় স্থানান্তরিত করা যাচ্ছে না। তবে কিভাবে নতুন ভবন তৈরি করা যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০১৫

২৫/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: