আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মাঠে নেমেছে জঙ্গী স্কোয়াড

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৫
  • ডাকাতের ছদ্মাবরণে জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যাডাররা মজুদ গড়েছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র,
  • গ্রেনেড, পেট্রোলবোমার

শংকর কুমার দে ॥ দেশের বিভিন্নস্থানে বড় ধরনের নাশকতার মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশের ভেতরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য ছক তৈরি করে মাঠে নেমেছে জামায়াতÑশিবির ও জঙ্গী স্কোয়ার্ড। ব্যাংক ডাকাতির জন্য ডাকাতদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে সামরিক বাহিনীর যুদ্ধে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির গ্রেনেড ও বোমা। পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এসব অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উন্নত ধরনের প্রাণঘাতী অস্ত্র। আশুলিয়ার ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা সফল হলে সিরিয়াল কিলিং ও সিরিয়াল ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করত তারা। আশুলিয়ার ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে যারা জড়িত তারা সবাই জামায়াত-শিবিরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যাডার বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত শিবিরকর্মী বোরহান ডাকাত। জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিত নাশকতার সম্পৃক্ততার এ ধরনের তথ্য দিয়ে শিবিরকর্মী বোরহান ডাকাত বলেছে, অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড, বোমা, পেট্রোল মজুদ গড়ে তুলেছে জামায়াত-শিবির। এ ধরনের ভয়াবহ তথ্য পাওয়ার পর জামায়াত-শিবির ও জঙ্গী বিরোধী অভিযান পরিচালনা, সতর্কতা অবলম্বন, নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানান, সাভারের আশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনাটি শুধু ডাকাতির উদ্দেশে নয়, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য মাঠে নামানো হয়েছে ডাকাতের ছদ্মাবরণে জামায়াত-শিবিরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যাডারদের। বোরহান নামে যে ডাকাতটি ধরা পড়েছে সে কোরানে হাফেজ। এক সময়ের শিবিরকর্মী। অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড, বোমা, পেট্রোল বোমাসহ সব ধরনের অস্ত্র পরিচালনায় পারদর্শী বোরহান মৃধা নামের এই ডাকাতের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বাসিন্দা। বোরহানই শুধু শিবিরের কর্মী। তার গোটা পরিবারই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত। ব্যবহৃত পাঞ্জাবিতে রক্ত লাগার পর সে বেশ পরিবর্তনের চেষ্টা করে। তার কাছ থেকে আমরা বেশ কিছু শিবিরের জিহাদী বই পেয়েছি। বোরহান জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে, ব্যাংক ডাকাতিতে যারা অংশ নিয়েছে, তারা সবাই জামায়াত-শিবিরের কর্মী ও ক্যাডার। ব্যাংকের ডাকাতির সময়ে ম্যানেজার, সিকিউরিটি গার্ড, গানম্যান ও এক ব্যাংক গ্রাহককে নিজেই খুন করেছে বোরহান। বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে আটক করার সময়ে তার পরিহিত শার্ট ছিল রক্তমাখা। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ডাকাতি, খুন, সন্ত্রাস, নাশকতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার ও ভাড়া বাসায় আশ্রয় নিয়েছে তারা। সিরিয়াল ডাকাতি, সিরিয়াল কিলিংসহ বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা সংঘবদ্ধ স্কোয়ার্ড গঠন করে মাঠে নেমেছে।

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৫

২৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: