কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

রাঙ্গামাটির ঝরনা বৃক্ষ ও মেঘের জন্য ভালবাসা- ইউডাতে চিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল ২০১৫
রাঙ্গামাটির ঝরনা বৃক্ষ ও মেঘের জন্য ভালবাসা- ইউডাতে চিত্র প্রদর্শনী
  • সংস্কৃতি সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাঙ্গামাটি জেলার ঝরনার প্রবহমানতা, বৃক্ষের প্রতিদান আর মেঘের ভেলার মাঝে ভালবাসার অস্তিত্বের অনুভব উঠে এসেছে শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায়। জল রং ও এ্যাক্রোলিক দিয়ে সাজানো ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ (ইউডা)’র চারুকলা অনুষদের ৩০ জন শিক্ষার্থীর আঁকা ছবি নিয়ে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে ‘অবজারভেশন অব নেচার এ্যান্ড স্টাডি’ শিরোনামে পক্ষকালব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী। ইউডার চিত্রশালায় দুপুরে প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাকমা সার্কেল চীফ রাজা দেবাশীষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুজিব খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউডার চারুকলা অনুষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাজাহান আহমদ বিকাশ।

স্বাগত বক্তব্য অনুষদের চেয়ারম্যান বলেন, প্রকৃতি হলো চিত্রকলার প্রধান শিক্ষক। প্রকৃতি থেকে আহরণ করেই কবি, সাহিত্যিক, চিত্রকরসহ সব শিল্পীরাই তাদের সৃষ্টিকর্মকে মানুষের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করে। এ কারণেই ইউডার শিক্ষার্থীদের চিত্রকর্মে প্রকৃতিকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চিত্রকর্মগুলোতে যদিও রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক দৃশ্য বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে, তথাপি প্রতিটি চিত্রকর্মে যেন সমগ্র বাংলার রূপই ফুটে উঠেছে। একটি আশ্চর্যের বিষয় হলো রাঙ্গামাটির দুর্গম স্থান, যেখানের সমতল থেকে প্রায় ১৮শ’ ৫০ ফুট উপরে বসে ঝরনার প্রবহমানতা, বৃক্ষের প্রতিদান আর মেঘের ভেলা অবলোকনে শিক্ষার্থীদের মনের মাঝের নিভৃত ভালবাসার অস্তিত্ব অনুভব করা যাচ্ছে চিত্রকর্মগুলোতে।

চিত্রকর্মে উঠে এসেছে রাঙ্গামাটির মানুষের জীবন-যাত্রা, ঘর-বাড়ির দৃশ্য, সবুজ বন আর গাছ-পালা। এখানে বাদ পড়েনি পাহাড়ের দৃশগুলোও। চিত্র প্রদর্শনীতে মোট ৫০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। আগামী ৭ মে পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনী খোলা থাকবে। ভাওয়াইয়া গানের দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন ॥ উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ভাওয়াইয়া গানকে নগর জীবনে ছড়িয়ে দেয়ার কাজটি করে চলেছে ‘ভাওয়াইয়া গানের দল’। গান আর কথামালায় লোকজ গান চর্চায় নিবেদিত এই দলটির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয় বুধবার সন্ধ্যায়। শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কিবা ধরিয়া বৈশাখ আসিলোরে’ শিরোনামের এ বৈঠকি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইটিআই বিশ্ব সভাপতি রামেন্দু মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল হক। শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অতিথিরা। পরে ভাওয়াইয়ার কিংবদন্তি গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী সদ্য প্রয়াত নুরুল ইসলাম জাহিদ স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন থার্ড আই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান ডাঃ শাফি উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দলের পরিচালক সফিউল আলম রাজা। তিনি সংগঠনের সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে ঐতিহ্যকে ধারণ, লালন ও চর্চা অব্যাহত রাখার অবিপ্রায় ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে চিলমারীর বন্দরে ভাওয়াইয়া ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে তার সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি সাড়ে তিন হাজার গানের গীতিকার, সুরকার ও কিংবদন্তি ভাওয়াইয়া শিল্পী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম জাহিদকে একুশে পদক প্রদানের দাবি জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানের পর শুরু হয় ভাওয়াইয়া গানের আসর। দলের শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘কিবা ধরিয়া বৈশাখ আসিলোরে’ দলীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। এরপর ‘আইজা দ্যাওয়ায় দারুন ম্যাঘ’ ও ‘আরে তুই বড় রসিয়া রাখাল বন্ধুরে’ শিরোনামের পর পর দুটি দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পীরা।

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল ২০১৫

২৩/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: