মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

টিএসসিতে যৌন নিপীড়ন চাপদাড়িওয়ালাসহ ৪ যুবক চিহ্নিত

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল ২০১৫
  • কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এসআই আশরাফুলকে প্রত্যাহার পরদিনই

শংকর কুমার দে ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বর্ষবরণ উৎসবে নারী লাঞ্ছনা ও যৌন হয়রানির ঘটনার পরদিনই এসআই আশরাফুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম। এ ঘটনায় এক চাপদাড়িওয়ালাসহ চার যুবককে চিহ্নিত করেছে তদন্ত কমিটি। বর্ষবরণ উৎসবে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে গত চার দিন ধরে

দেশজুড়ে বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচী চলছে। অথচ এই চার দিনে কোন যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে থানায় কোন জিডি বা মামলা করেননি কেউই। ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, কানে হাত না দিয়ে চিলের পেছনে ভোঁ দৌড়’ দেয়ার ঘটনার মতোই টিএসসিতে বর্ষবরণ উৎসবে নারীর যৌন হয়রানি ও লাঞ্ছিত হয়েছে বলে অপপ্রচারের দিকেই দৌড়াচ্ছে সবাই। বর্ষবরণের এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি। পহেলা বৈশাখের বাঙালীর সাংস্কৃতিকে ‘শিরক’ বলে আগে থেকেই যারা প্রচার করেছে তারাই পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পহেলা বৈশাখে ঘটনা ঘটলেও তখন এ নিয়ে কোন প্রচার ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই ঘটনা ঘটার চার দিন পর মিডিয়ায় ছবিসহ নারী নিগ্রহের ব্যাপক প্রচার, প্রোপাগা-া, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাটির রহস্যের জন্ম দিয়েছে, আর এ নিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বলে মনে করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

তদন্ত সূত্র জানায়, রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির চত্বরসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন, মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদসহ তদন্ত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলীর নেতৃত্বাধীন ও ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহিম ফাতেমীর নেতৃত্বাধীন গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্থাপিত ১৩১ ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) ধারণ করা দৃশ্য, ভিডিও পরীক্ষা করেছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রশাসন। মিডিয়ায় তোলপাড় করার সেই বস্ত্রহরণের ছবিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার টিএসসির তো নয়, এটা চানখারপুলের আরেক ঘটনার। শুধু তাই নয়, এটা কোন নারীর ছবি নয়, এটা এক যুবককে বিবস্ত্র করার ছবি বলে জানিয়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ প্রশাসনের মুখপাত্র যুগ্মকমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম। তবে প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় নারী নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে এবং তারা দুই নিপীড়ককে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে, পরে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশের দাবি, মিডিয়ায় তোলপাড় করার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির ঘটনায় যে ছবি ছাপা হয়েছে তা হচ্ছে, চানখারপুলের আরেক ঘটনার ছবি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে যে ঘটনা ঘটেছে, তা ঠেলাধাক্কার ঘটনার, যা ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়। এ ঘটনা কেন্দ্র করে গঠিত হয়েছে দুটি তদন্ত কমিটি। রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন, মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদ, চার চাপদাড়িওয়ালা যুবককে চিহ্নিত করাসহ তদন্ত শুরু করেছে।

যা বলেছেন পুলিশ কমিশনার ॥ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া রবিবার বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেন, পুরো এলাকা ছিল সিসি টিভির আওতায়। সিসি টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, রাজু ভাস্কর্যের সামনে একটি জটলা। সেখানে একজন মহিলাকে পড়ে যেতে দেখা গেছে। পুলিশ সেসময় লাঠিপেটা করে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করেছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, যেভাবে মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যৌন হয়রানির কথা বলা হচ্ছে, সেরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে শ্লীলতাহানির ঘটনা যে একেবারে ঘটেনি তা নয়, কিছু ঘটনা ঘটেছে। লাখ লাখ মানুষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। সেটা ইনটেনশনালি ছিল কিনা, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। আমরা ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠন করেছি, তাদের কাজই হলো তথ্যানুসন্ধান করা। আদৌ যৌন হয়রানির কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা তারা খতিয়ে দেখবে। যদি কোন ঘটনা ঘটে থাকে, আসুন আমরা সবাই মিলে তা খুঁজে বের করি। ভিকটিমদের খুঁজে বের করি। লিটন নন্দী এক নারীকে উদ্ধার করে শামসুন্নাহার হলে নিয়ে কাপড় চেঞ্জ করে শুক্রাবাদে দিয়ে এসেছে। আমরা তাকে বলেছি, সেই মেয়ের ফুটেজ বা পরিচয় আপনাদের কাছে আছে কিনা? সে নাই বলে জানিয়েছে। তাহলে হাজার হাজার লোকের কাছে এন্ড্রয়েড মোবাইল, কেউ একটা ছবি তুললেন না, কেউ একটা ছবি আমাদের দিতে পারলেন না?

রোকেয়া হলের এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির শিকার এক নারীকে সহযোগিতা করেছেন কিনা, জানতে চাওয়া হলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রোকেয়া হলের কেউ যদি এ ঘটনা দেখে থাকে তাহলে আমরা তাকে আহ্বান জানাব, আমাদের কাছে যেন সরাসরি এসে বা লিখিতভাবে, ই-মেইলে আমাদের ঘটনার কথা জানানো হয়। তবে লিটন নন্দী ও তুহিন ছাড়া এখনও কেউ আমাদের কাছে সুষ্পষ্ট সাক্ষ্য বা তথ্য কেউ দেয়নি। তারাও কোন ফটোগ্রাফ দিতে পারেনি। কোন নিপীড়ক বা ভিকটিম কাউকে চিনতে পারেনি। তাহলে আমরা কিভাবে ডিটেক্ট করব?

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। এর জন্য কে দায়ী, আসুন সবাই মিলে খুঁজে বের করি। ঘটনা যা কিছু ঘটেছে সেটা আমরা অস্বীকার করি না। সেটা আমরা সব সময় স্বীকার করছি। কেসটা ডিটেক্ট করার জন্য একটা মামলা নেয়া হয়েছে। ঘটনা না ঘটলে আমরা মামলা নেব কেন? গণমাধ্যমে বিষয়টি এসেছে, আমরা সিনিয়র অফিসারদের দিয়ে তদন্ত করাচ্ছি। তথ্যানুসন্ধান করার চেষ্টা করছি। দয়া করে কারও উপরে দায় চাপানোর চেষ্টা করবেন না বলে অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার।

অভিযোগ ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লিটন নন্দী গণমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, বর্ষবরণের দিন সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে ভিড়ের মধ্যে একদল যুবক নারীদের ওপর চড়াও হয়। তাতে বাধা দিতে গিয়ে আহত হন তিনিসহ আরও কয়েকজন। ঘটনার সময় সেখানে পুলিশ থাকলেও নারীদের ওপর হামলা ঠেকাতে তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সে সময় চার নিপীড়ককে ধরে পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফের কাছে দেয়া হয় এবং পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন।

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তুহিন কান্তি দাশ বলেন, নারীদের ওপর আক্রমণের সময় দুই নিপীড়ককে ধরে এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে তুলে দেন। তার নেমপ্লেটে লেখা ছিল আশরাফ। পরে ছাত্র ইউনিয়নের অন্য কর্মীরা আরও দু’জনকে ধরে তার কাছে দেয়। পরে শোনা যায় তাদেরও ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার ॥ শাহবাগ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ঘটনার পরদিনই এসআই আশরাফুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, একজন যৌন নিপীড়ককে ধরে এসআই আশরাফের হাতে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এসআই আশরাফ বলেছেন, তার কাছে কাউকে দেয়া হয়নি।

পুলিশের গাফিলতির তদন্ত ॥ পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনার সময়ে পুলিশের দায়িত্বে কর্তব্য অবহেলা ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখছেন। কর্তব্যরত পুলিশের এসআই আশরাফের দায়িত্বে গাফিলতি ছিল কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যৌন নিপীড়নের ঘটনা তদন্তে ঢাবির কমিটির পাশাপাশি সেদিন পুলিশের গাফিলতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতেও একটি কমিটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্মকমিশনার মনিরুল ইসলাম।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বইমেলা চলাকালে টিএসসির ওই এলাকাতেই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন লেখক ও ব্লগার অভিজিত রায়। দুর্বৃত্তের চাপাতির আঘাতে তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও আহত হন। সে সময়ও ওই এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলও করেছে। কিন্তু কোন পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব অবহেলার জন্য শাস্তির সম্মুখীন হননি।

চাপদাড়িওয়ালা ব্যক্তিটি কে ॥ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধারণ করা পুলিশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, চাপদাড়িওয়ালা এক ব্যক্তিসহ তার মতো বেশধারী কয়েকজন ছিলেন আক্রমণের অগ্রভাগে। তবে ওই ব্যক্তিদের কারও পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্তেও যৌন নিপীড়কদের শনাক্ত করা যায়নি বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন গত শনিবার। অপরাধীদের চিহ্নিত করতে কারও কাছে কোন তথ্য থাকলে জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ বলেছে, তাদের নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে।

থানায় অভিযোগকারী কেউ নেই ॥ তদন্তের বিষয়ে পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল বলেন, কোন ভিকটিম বা নারী এখনও পুলিশের কাছে এসে কোন ধরনের অভিযোগ করেনি। কেউ নিগৃহীত হয়েছেন এমন কারও অভিযোগও পায়নি পুলিশ। পুলিশ ঘটনা তদন্তে বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছে। ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। শনাক্ত করা গেলেই তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রতিবাদ অব্যাহত ॥ গত পাঁচ দিন ধরেই বর্ষবরণ উৎসবে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচী চলছে। এখনও কোন নারী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এবং নিপীড়ক পুরুষ কে বা কারা তা শনাক্ত হয়নি। রাজনীতিক, বুুদ্ধিজীবী, ছাত্র, শিক্ষক, শিল্পীসহ সর্বস্তরের মানুষজনই এ ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিচারের জন্য দাবি জানানো অব্যাহত রেখেছেন।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের বক্তারা ॥ পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের বক্তারা। তাঁরা মন্তব্য করেন, পুলিশের বক্তব্য যথাযথ হয়নি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তাঁরা। রবিবার রাজধানীর কাওরানবাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের ১১৩তম পর্বে এ সংশয় প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ এ্যালায়েন্স ফর উইমেন লিডারশিপের নির্বাহী পরিচালক নাসিম ফিরদৌস ও বাংলাদেশ পরিবেশবাদী আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পহেলা বৈশাখে নারীর লাঞ্ছনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার হবে কিনাÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর আন্তজার্তিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, এখানে সরকার কোন ছাড় দেবে না। নারীদের লাঞ্ছনার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য না। কিন্তু অপরাধীদের আইনের সামনে আনতে প্রমাণাদি যোগাড় করে কোর্টে হাজির করতে হবে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সচেতন নাগরিকদের অংশ নিতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল ২০১৫

২০/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: