কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক আজ

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আজ বেলা ১১টায় এনইসির সম্মেলন কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ। বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার-ভিডিপি, কোস্টগার্ড ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে তিন সিটির সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিসহ সেনা মোতায়েনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। তবে জানা গেছে সার্বিক বিবেচনায় এ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা কম। বর্তমানে এ পরিবেশ বজায় থাকলে সেনাবাহিনী ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন বলেছেন নির্বাচনে সেনা মোতয়েন করা হবে কিনা তা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ভোটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে সেনা মোতায়েন ছাড়াই রাজশাহী খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। অথচ এসব নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে বার বার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সেনা মোতায়েনের দাবি জানানো হয়। অথচ সেনা ছাড়াই ওইসব সিটিতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এসব নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরাই বেশি জয়লাভ করেছে। এবারের নির্বাচনেও নিরাপত্তা পরিকল্পনায় মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন, আনসার, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। এবারের তিন সিটি নির্বাচনেও বিএনপি প্রথম থেকেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ইসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

ইসির নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী বহিরাগতদের ২৫ এপ্রিল রাত ১২ মধ্যে নির্বাচনী এলাকা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। এছাড়া ২৬ এপ্রিল মধ্য রাত থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোন জনসভা আহ্বান, এতে যোগদান, কোন প্রকার মিছিল বা শোভাযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও ২৫ এপ্রিল রাত ১২টা মোটরসাইকেল এবং ২৭ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে যান চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী, প্রশাসন ও অনুমোদিত ব্যক্তি এবং মহাসড়কের কয়েকটি ক্ষেত্রে যান চলাচলে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

জানা গেছে শুধু নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন, আনসার, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৪ জন করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিবেচনায় দুই হাজার ৭শ’ ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৬২ হাজার নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া তিন সিটির প্রতিটি সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে পুলিশ, আনসার ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে একটি করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র বিবেচনায় ২২ প্লাটুন বিজিবি, ৭ প্লাটুন কোস্ট গার্ড ও র‌্যাবের ৬৮টি টিম কাজ করবে। এছাড়া ভোটের দিন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে ২৮৬ জন নির্বাহী হাকিম নিয়োজিত থাকবেন।

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল ২০১৫

১৯/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: