মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বিদায় ‘টিন ড্রাম’ বাদক

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল ২০১৫
  • নাজিব ওয়াদুদ

গুন্টার গ্রাস, জার্মান সাহিত্যের আধুনিক পুরোধা, ৮৭ বছর বয়সে মারা গেলেন (১৩ এপ্রিল ২০১৫)। ১৯৯৯ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই জার্মানি ছাড়াও ইউরোপ-আমেরিকা, এশিয়া-আফ্রিকায় জনপ্রিয়তা লাভ করেন, বিশেষত তার উপন্যাস দ্য টিন ড্রাম-এর কল্যাণে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে, একই বছর ইংরেজীতেও অনূদিত হয়। এই উপন্যাসটিকে তার মাস্টারপিস রচনা হিসেবে গণ্য করা হয়। এর প্রেক্ষাপট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ববর্তী ড্যানজিগ শহর। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অস্কার, শৈশব থেকে যৌবনপ্রাপ্ত হয় সেই আখ্যানের ভেতর। খেলনা ড্রাম বাজিয়ে কাচ-ভাঙার আর্তনাদ সৃষ্টির মাধ্যমে সে তার ক্ষোভ ও অনুভূতি প্রকাশ করে। তার চারপাশে সক্রিয় দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকরা, আর কখনো কখনো যে-সব মানুষের আগমন ঘটে তারা নিষ্ঠুর ও ভোগবাদী। উপন্যাসের চরিত্রগুলোর কেউই ‘ভাল’ মানুষ নয়, সব শয়তান একেকটা। এদেরই, বিশেষ করে মূল চরিত্র অস্কারের পরাবাস্তব এবং বিদ্রƒপাত্মক অ্যাডভেঞ্চার এই উপন্যাসের প্লট নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নাৎসীবাদ এবং যে পেটিবুর্জোয়া শ্রেণীর মধ্য থেকে তার উত্থান, তার পরিচয় ও চারিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। জার্মান জাতি যে-অতীতকে বিস্মৃত করে রাখতে চায় তাকে জাগ্রত করে বর্তমানের একটা ক্ষীণ কিন্তু অচ্ছেদ্য যোগসূত্র পুনরাবিষ্কার করতে সক্ষম হন। কিন্তু তার শৈলীগুণে এটি হয়ে ওঠে একাধারে অনুসন্ধিৎসু ও কৌতুকময়। কিন্তু জার্মানদের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম।

দ্য টিন ড্রাম জার্মানিতে কেবল প্রশংসিতই হয়নি, ক্ষোভেরও সৃষ্টি করেছিল। কারণ তিনি এমন সব বিষয়কে সকলের সম্মুখে সম্পূর্ণ নগ্নরূপে উপস্থিত করেছিলেন যা তখনও পর্যন্ত জার্মানদের কাছে ছিল ‘নিষিদ্ধ’ বস্তু। এই উপন্যাসের চলচ্চিত্র রূপ দেয়া হয় ১৯৭৯ সালে। তারপর থেকে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। আজও বিশ্বসাহিত্যের পাঠক ও সমালোচকদের কাছে এর গুরুত্ব অপিরসীম। দ্য টিন ড্রাম-এর আরেকটি সাফল্য হচ্ছে এই যে, সালমান রুশদীর মতো অনেক তরুণতর ঔপন্যাসিককে এই বিশেষ প্রকরণে লেখার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। মূলত তার এই উপন্যাসের জন্যই গুন্টার গ্রাসকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

দ্য টিন ড্রাম-এর পটভূমি যে ড্যানজিগ শহর সেখানেই জন্ম গুন্টার গ্রাসের, ১৯২৭ সালের ১৬ অক্টোবর। তার পিতা উইলহেম গ্রাস ছিলেন প্রোটেস্ট্যান্ট এথনিক জার্মান, অন্যদিকে মা হেলেন গ্রাস ছিলেন কাশুবিয়ান-পোলিশ বংশোদ্ভূত রোমান ক্যাথলিক। তবে গুন্টার গ্রাস ক্যাথলিক হিসেবেই বড় হন। শৈশবে তিনি কিছুকাল গির্জায় ‘বেদী-সহকারী’ হিসেবে কাজ করেছেন। তার পিতামাতার একটি মুদির দোকান ছিল। কৈাশোরের লেখাপড়া শেষে, ১৯৪৩ সালে, যখন তার বয়স ১৬, তিনি বিমান বাহিনীর একটি সহযোগী সংস্থায় যোগদান করেন। এটি জার্মানির ন্যাশনাল লেবার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ১৯৪৪ সালের নবেম্বরে তিনি সাবমেরিন সার্ভিসে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ নেন, উদ্দেশ্য ‘কঠোর ক্যাথলিক মধ্যবিত্ত শ্রেণীর যুপকাষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করা।’ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে নেভিতে না নিয়ে ‘দশম প্যানজার ডিভিশন ফ্রুন্ডজবার্গ’-এ তালিকাভুক্ত করা হয়। এই বাহিনীতে তিনি ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত কাজ করেন। তিনি আহত অবস্থায় মিত্রবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন এবং যুদ্ধবন্দী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তার পরিবার শরণার্থীতে পরিণত হয়। তার মা রুশ সৈন্যদের দ্বারা ধর্ষিতা হন। ১৯৫৪ সালে মায়ের মৃত্যুর পর প্রত্যক্ষদর্শী বোনের কাছে শোনেন তিনি এই মর্মান্তিক কথা।

১৯৪৬ সালে তিনি মুক্তি লাভ করেন। কাজ নেন একটা পটাশ খনিতে। এখানে কাজ করার সময়ই তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আকার পায়। তিনি সোশ্যাল ডেমোক্রাটসদের প্রতি আকৃষ্ট হন।

চিত্রকলা ও ভাস্কর্য পড়ার জন্য ১৯৪৮ সালে ডুসেলডর্ফ একাডেমি অব আর্টে ভর্তি হন গ্রাস। ১৯৫২ সালে বার্লিনে চলে যান, ভর্তি হন সেখানকার স্টেট একাডেমি অব ফাইন আর্টস-এ। সেখানে গ্রাফিক ডিজাইনারের চাকরিও করেন। অবসর সময়ে তিনি কবিতা ও নাট্যনকশা লিখতে শুরু করেন। ১৯৫০ সালে তিনি বিকল্পধারার তরুণ লেখকদের সংগঠন ‘গ্রুপ ৪৭’-এর সঙ্গে যুক্ত হন। তার লেখা প্রকাশিত হতে শুরু করে বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায়। ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গ্রন্থ, বিদ্রƒপাত্মক ও পরাবাস্তব কবিতার সংকলন অ্যাডভান্টেজেস অব মুরহেন্স। লেখালেখির অনুকূল পরিবেশের সন্ধানে তিনি প্যারিস গমন করেন। সেখানে বসেই লেখেন দ্য টিন ড্রাম, ক্যাট অ্যান্ড মাউস এবং ডগ ইয়ার্স। এই তিনটি উপন্যাস স্বতন্ত্রভাবে রচিত হলেও ড্যানজিগ শহরের পটভূমিতে সৃজিত একটি ট্রিলজির একেকটি খ-ও বটে। অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে তিনি এরপর ব্যাপকভাবে সফর শুরু করেন। বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পূর্ব জার্মানি এবং পোল্যান্ডকে তিনি বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

দ্য টিন ড্রাম-এর সাফল্যের পর তিনি জার্মানিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষে কাজ শুরু করেন। ওই পার্টিও তখনকার নেতা উইলি ব্রান্ডটের বক্তৃতা তিনিই লিখে দিতেন। ব্রান্ডট জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে মন্ত্রী করতে চেয়েছিলেন কিন্তু গ্রাস সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পার্টিতে যোগ দেন ১৯৮২ সালে যখন তার পার্টি ক্ষমতা হারায়। এর দশ বছর পর তিনি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের নিয়ন্ত্রণমূলক কঠোর নীতির প্রতিবাদে।

জাদু বাস্তবতার লেখালেখি থেকে রাজনৈতিক সক্রিয়তায় অবতীর্ণ হওয়ার কারণে তার সৃজনশীল রচনার পরিমাণ হ্রাস পেতে থাকে। তিনি তখন, ষাট এবং সত্তরের দশকজুড়ে, জার্মানির সাম্প্রতিক ইতিহাস, সমকালীন রাজনীতি, নারীবাদ, রান্নাবান্না, পরিবেশ, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লিখতে থাকেন। এই সময়ে লেখা ইন ফ্রম দ্য ডায়েরি অব এ ¯েœইল (১৯৭২)-এ তিনি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পলিসির শম্বুক গতিকে রূপকের আদলে তুলে ধরেছেন। আর দ্য ফ্লাউন্ডার (১৯৭৭)-এ আছে খাদ্যের ইতিহাস এবং পুরুষতান্ত্রিকতা নিয়ে কৌতুক ও বিদ্রƒপ।

আশির দশকে এসে তার লেখালেখি আরও হ্রাস পায়, তার রাজনৈতিক সক্রিয়তার কারণে মূলত। এ সময় তিনি জার্মানিতে আমেরিকার পারমাণবিক মিসাইল স্থপানের বিরোধিতায় ক্যাম্পেইনে নামেন। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয়, বিশেষ করে নিকারাগুয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার সমালোচনা করেন। এমন সময় একই সঙ্গে তিনি পরিবেশ সঙ্কট নিয়েও ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। এই সময়ে রচিত তার প্রধান রচনা হেডবার্থ (১৯৭৯) এবং দ্য মিটিং অ্যাট টেলগেট (১৯৮১) সমালোচকরা ভালভাবে না নেয়ায় তিনি বিরক্ত হন এবং এক বছরের জন্য ভারতে চলে যান। কিন্তু সেখানেও পাঁচ মাসের বেশি তিষ্ঠাতে পারেননি, ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ জার্মানি প্রশ্নে তার মতদ্বৈধতা তাকে বিরূপ পরিবেশের মধ্যে নিক্ষেপ করে। সমালোচকরা তার ওপর খড়গ ঘোরাতে থাকে। এইসব সমস্যা নিয়ে তিনি দুটি উপন্যাস লেখেন দ্য কল অব টোড (১৯৯২) এবং ঠু ফা অ্যাফিল্ড (১৯৯৫)। কিন্তু এগুলো সেভাবে গৃহীত হয়নি। আসলে গ্রাসের মূল উদ্বেগ ছিল এই যে, এতে ঐক্যের ফলে জাতিরাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়বে, আর যদি ধ্বংস হয়ে নাও যায়, তাহলেও অতীতের নাৎসীবাদকে ভুলে না যাওয়ার নৈতিক অনুপ্রেরণাকে দুর্বল করে দেবে। এই বিষয় নিয়ে তিনি লেখেন ক্র্যাবওয়াক (২০০২)। দ্য টিন ড্রাম-এর পর এটাকেই তার সবচেয়ে শক্তিশালী কাজ হিসেবে দেখা হয়। উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়ার পর পাঠক-সমালোচকদের ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। এতে তিনি দেখিয়েছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এবং তার পরে জার্মানদের দুর্গতির কথা বলেছেন যা প্রায়শই চেপে রাখা হয়। সে সময় তরুণদের মধ্যে নব্য-নাৎসীবাদের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণ অনুসন্ধান করেন তিনি, তিনি বলতে চান যে, মূল স্রোতের রাজনৈতিক আলোচনায় গল্পের একাংশ উঠে আসে, অন্ধকারে থেকে যায় জার্মানদের ভোগান্তি ও যন্ত্রণার কথা।

গুন্টার গ্রাস দুই খ-ে তার স্মৃতিকথা লিখেছেন, এবং কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। এগুলোও কম-বেশি নানান বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। ২০১২ সালে ইযরাইল তাকে ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করে ‘হোয়াট মাস্ট বি সেইড’ কবিতা প্রকাশের জন্য। এই কবিতায় ইযরাইলকে সামরিক সাহায্য দেয়ার জন্য জার্মানির সমালোচনা করা হয়।

গুন্টার গ্রাস ঔপন্যাসিক হিসেবেই বেশি পরিচিত, যদিও নিজ দেশে তিনি তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও বেশ আলোচিত। কিন্তু একজন ভাল চিত্রশিল্পী এবং ভাস্করও ছিলেন।

গ্রাস বিয়ে করেন ১৯৫৪ সালে, সুইডিশ নৃত্যশিল্পী মার্গারিটা শুয়ার্জকে। তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছে। কিন্তু ১৯৭৮ সালে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে তিনি বিয়ে করেন উতে গ্রুনেতকে। দ্বিতীয় পক্ষে তার দুটি সন্তান রয়েছে।

গ্রাস তার সৃজনশীল রচনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে জার্মানি এবং জার্মান জনগণকে সবসময় বিষয় করেছেন। নাৎসী মতবাদের আদর্শিক যুক্তি ও তার বিস্তারকে পর্যালোচনা করেছেন। নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং আত্মপরিচয়ের সংকটও তার অধীত বিষয়। আর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি তার পক্ষপাত সুবিদিত। এরাই যতসব শোষণ, নির্যাতন ও গণহত্যার প্রধান শিকার।

তার সাহিত্যশৈলীর অন্যতম অনুষঙ্গ যাদুবাস্তবতা, এর সাহায্যে তিনি লেখকসত্তাকে সবসময় প্রশ্নের মুখোমুখি করেন, আর এটা করতে গিয়ে তিনি বাস্তববাদী আত্মজীবনীমূলক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে দেন অসমর্থিত বা অজ্ঞাত কথকের বর্ণনা এবং চমৎকার, অবাস্তব ঘটনা যা কূটাভাস তৈরি করে, কিংবা ঘটনাকে বিদ্রƒপায়িত করে। তার সাহিত্যিক উদ্দেশ্য সামাজিক সমালোচনার একটি পরিসর নির্মাণ করা। নোবেল ভাষণ তিনি শেষ করেছিলেন যে-কথা বলে, এখানে তা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্যÑ ‘সমৃদ্ধ উত্তর ও পশ্চিম নিজেদের কঠিন নিরাপত্তাবেষ্টনে দুর্গের মধ্যে আড়াল করে রাখার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু শরণার্থীদের পাল তাদেরকে ঠিক ধরে ফেলবে : কোনো ফটকই ক্ষুধার প্রবল চাপ সইতে পারে না। ভবিষ্যত এসব সম্পর্কে কিছু না কিছু বলবে। আমাদের প্রচলিত উপন্যাস অবশ্যই চলমান থাকবে। এমনকি যদি কোন একদিন লোকেরা লেখা ও বই প্রকাশ বন্ধ করেও দেয় বা করতে বাধ্য হয়, যদি বই আর না পাওয়া যায়, তা সত্ত্বেও, তখনও, গল্পকথক থাকবে, তারা আমাদের মুখ থেকে কানে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেবে, পুরনো গল্প নতুনভাবে বুনবে : কখনও বলবে উচ্চৈঃস্বরে, কখনও মৃদুকণ্ঠে, কখনও খ- খ- করে এবং কখনও বা বিরতি দিয়ে-দিয়ে, এখনই হাসির হুল্লোড় তো এখনই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হবে।’ তার এই পর্যবেক্ষণই বলে দেয় তার শৈল্পিক লক্ষ্য কী।

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল ২০১৫

১৭/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: