কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ভোটকেন্দ্রে চার স্তরের নিরাপত্তা, থাকবে অতিরিক্ত ৬ হাজার পুলিশ

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ কাজে নিয়োজিত থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৬ হাজার অতিরিক্ত সদস্য। ভোটের একদিন আগেই এ অতিরিক্ত ফোর্স চট্টগ্রামে এসে যোগ দেবে নিয়মিত ফোর্সের সঙ্গে। এ লক্ষ্যে সিএমপি পেয়েছে তাদের চাহিদার চেয়েও অতিরিক্ত ফোর্স। ভোটকেন্দ্রের ওপর প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা, ব্যালটবাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টাসহ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বিঘিœত হতে পারে এমন যে কোন অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ প্রশাসন। সিএমপি সূত্রে জানা যায়, চসিক নির্বাচন অবাধ ও নির্বিঘœ করতে এবং সর্বোপরি ভীতিহীন পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠানে সদর দফতরের কাছে ৪ হাজার অতিরিক্ত ফোর্স চাওয়া হয়েছিল। এর বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৬ হাজার অতিরিক্ত সদস্য। ফলে তা ভোটকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখার সহায়ক হবে। বাড়তি পুলিশ পাওয়া যাচ্ছে বিধায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও হবে বেশ কঠোর।

সিএমপির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের ৭১৯টি ভোটকেন্দ্রেই চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হবে। তবে এর মধ্যেও ঝুঁকিপূর্ণ এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত কেন্দ্রগুলোর ওপর থাকবে বাড়তি নজরদারি। তবে অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোও বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকছে না। প্রতি কেন্দ্রে প্রথম নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে পুলিশের একজন এসআই, একজন এএসআই এবং ৬ জন কনস্টেবল। এরপর দ্বিতীয় স্তরে রাখা হবে অস্ত্র ও লাঠিধারি ৭ জন করে আনসার সদস্য। আর তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরে থাকবে বিজিবি ও র‌্যাব। চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া অতিরিক্ত ৬ হাজার পুলিশ ফোর্স চট্টগ্রামে চলে আসবে নির্বাচনের একদিন আগে। দামপাড়া পুলিশ লাইন, হালিশহর পুলিশ লাইন ও বেশ কয়েকটি কমিউনিটি সেন্টারে তারা অবস্থান করবেন। এ প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার আবদুল জলিল ম-ল সাংবাদিকদের জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকেই রাখা হবে কড়া নজরদারির মধ্যে। ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভোটারদের বাধাদান বা প্রভাবিত করার যে কোন ধরনের অপচেষ্টা এড়াতে অতিরিক্ত ৪ হাজার পুলিশ চাওয়া হয়েছিল সদর দফতরের কাছে। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার বাড়তি পুলিশ প্রদান করার কথা জানানো হয়েছে। তিনি জানান, কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব থাকবে প্রধানত পুলিশের উপরই। পুলিশের সহায়তায় থাকবে আনসার, বিজিবি ও র‌্যাব। ভোটাররা যেন ভীতিহীন পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল ২০১৫

১৬/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: