রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ক্রেস্ট ও চেক প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধিত হলেন ১৮ বীরাঙ্গনা

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় আড়াই লাখ নারী পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করে বিভিন্নভাবে পুনর্বাসনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সেই কার্যক্রম আর ঠিকভাবে চলেনি। রাষ্ট্রও তাদের পুনর্বাসনের জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান ও সহযোগিতা পালন করেনি। ‘সামাজিক সহায়তা উদ্যোগ’ নামের একটি সংগঠন তাদের ‘বীরাঙ্গনা সহায়তা’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেসব বীরাঙ্গনা নারীদের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সেই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলার ১৮ জন বীরাঙ্গনাকে আর্থিক সহায়তা এবং ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার রাত আটটার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের মিলনায়তনে বীরাঙ্গনাদের মাঝে ক্রেস্ট এবং আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এছাড়া বীরাঙ্গনাদের হল শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কাপড় ও ওড়না প্রদান করা হয়।

সংগঠনের পরিচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন, সভাপতি রিফাত জামান, সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়সহ হলটির আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হলটির আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক আবদুর রহিম।

সংবর্ধনা পাওয়া ১৮ বীরাঙ্গনারা হলেন মোছাঃ সূর্য বেগম, মোছাঃ খোদেজা বেগম, মোছা ছামেনা খাতুন, মোছাঃ মাহেলা বেগম, মোছাঃ শামসুন্নাহার বেওয়া, মোছাঃ কমলা বেওয়া, মোছাঃ রহিমা বেওয়া, আয়মনা, মোছাঃ ছুরাইয়া খাতুন, হাজেরা খাতুন, মোছাঃ করিমন বেগম, শ্রী মতি রাজু বালা, মোছাঃ জয়গন, মোছাঃ নুর জাহান বেওয়া, মোছাঃ আছিয়া বেগম, মোছাঃ হামিদা বেওয়া, মোছাঃ হাসনা বেগম এবং মোছাঃ রাহেলা বেগম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল ত্যাগী নারীর মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করাটা আমাদের সবার মৌলিক দায়িত্ব।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সামাজিক সহায়তা উদ্যোগ’ গবেষণার মাধ্যমে বীরমাতা বীরাঙ্গনাদের অনুসন্ধান করে আসছে। বীরমাতাদের সামাজিক মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.

১৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: