মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পান্তা ইডিলশের সঙ্গে রকমারি মাছ, ভর্তা, সবজি ও শরবত

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫
  • রেসিপি দিয়েছেন-পান্থ আফজাল, শামীমা বেগম, কবিতা নাসরিন ও মেরীনা চৌধুরী

পানতা ইলিশ

যেভাবে করবেন

প্রথমে চাল ধুয়ে বসা ভাত রান্নার মতো চাল থেকে চার আঙ্গুল পানি দিয়ে স্বাভাবিক ভাত রান্না করে গরম ভাতে পানি দিয়ে চামচ দিয়ে নাড়াচাড়া করে ঢেকে রেখে দিন। সকালে দেখবেন মজে গেছে সুন্দরভাবে। পেঁয়াজ, লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে সঙ্গে ইলিশ, লাউ শাক পাতুরি দিয়ে পরিবেশন করুন।

ইলিশ ভাজি

ইলিশ মাছ ১টা, এক চামচ লবণ, হলুদ গুঁড়া আধ চামচ (পরিমাণ মতো)।

যেভাবে করবেন

বেশ কয়েকটি টুকরো দুবার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর ওপরের উপকরণগুলো ভালভাবে মেখে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মৃদু আঁচে মাছ ভেজে নিন।

আম ইলিশ

যা লাগবে

মাঝারি সাইজের ইলিশ ১টি, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, কালোজিরা সিকি চা চামচ, সাদা সরষে ২ চা চামচ, নারকেল আধা মালা, চিনি ১ চা চামচ, কাঁচা আম ২ টুকরো, কাঁচামরিচ ৪টি, লবণ আন্দাজমতো ও হলুদ আধা চা চামচ।

যেভাবে করবেন

প্রথমে মাছ কেটে ধুয়ে লবণ-হলুদ মেখে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। সাদা সরষে, নারকেল মিহি করে বেটে নিন। এবার মাছের টুকরোগুলো বাটা সরষে ও নারকেল, কাঁচা মরিচ, চিনি, কাঁচা আমের মিশ্রণে ঘণ্টাখানেক মাখিয়ে রাখুন।

এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে কালোজিরা ফোঁড়ন দিয়ে মাখানো মাছে ছাড়ুন। একটু ভাজা ভাজা হলে সামান্য পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রাখুন। মাছের গায়ে মসলা মাখা হলে নামিয়ে নিন। ইচ্ছে হলে নামাবার আগে ধনেপাতা কুচি দিতে পারেন।

রুই মাছের সরষে ঝাল

যা লাগবে

রুই মাছ ৫০০ গ্রাম, সরষের তেল ১৫০ গ্রাম, হলুদ আধা চা চামচ, মরিচগুঁড়ো আধা চা চামচ, সরষে বাটা ২ টেবিল চামচ, কালোজিরা ১ চিমটি, কাঁচামরিচ ৬টি, লবণ স্বাদ অনুযায়ী।

যেভাবে করবেন

সরষে দুটি কাঁচামরিচ দিয়ে বেটে দু’কাপ পানিতে গুলে রাখুন। কাঁচা মরিচ দুটি চিরে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছ লবণ-হলুদ মাখিয়ে ভেজে তুলে নিন। এবার কড়াইয়ে বাকি তেল দিয়ে গরম করে কালোজিরা ও দুটি চেরা মরিচ ফোঁড়ন দিন। মরিচ ও হলুদ অল্প সরষে গোলা পানি দিন। পরিমাণমতো লবণ ও চিনি দিন। ঝোল ফুটে উঠলে ভাজা মাছ দিয়ে ওপরে কাঁচা সরষে ছড়িয়ে দিন। ঝোল ঘন হলে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

চিড়েতে মুড়ো

যা লাগবে

রুই বা কাতলা মাছের মুড়ো ২টি, চিড়া ২০০ গ্রাম, জিরা বাটা ১চা চামচ, ধনেবাটা ১চা চামচ, আদা বাটা ১চা চামচ রসুন বাটা ১চা চামচ, চিনি ১চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, তেল অথবা ঘি আধা কাপ।

যেভাবে করবেন

শুকনো চিড়া তেলে ভেজে তুলে নিন। মাছের মুড়ো বড় চার টুকরো করে একটু হলুদ ও লবণ মাখিয়ে সাঁতলে তুলে নিন। এবার কড়াইয়ে বাকি তেল বা ঘিয়ে তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে বাটা পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে মসলা ছাড়ুন। খানিকক্ষণ নেড়েচেড়ে চিনি ও তিন কাপ পানি দিন। ফুটে উঠলে মাছের মাথা দিয়ে ঢেকে দিন। মাছের মাথা সিদ্ধ হলে ঝোল একটু পাতলা থাকতেই নামিয়ে ভাজা চিড়া হাত দিয়ে একটু ভেঙ্গে ছড়িয়ে নেড়েচেড়ে ঢেকে রাখুন। তেজপাতার সঙ্গে এক চিমটি মেথি ও ফোঁড়ন দিতে পারেন।

তরমুজের শরবত

যা লাগবে

তরমুজ ১টি ও চিনি ২-৩ কাপ।

যেভাবে করবেন

তরমুজ কেটে বিচি ফেলে নিন। কুচি কুচি করে কেটে চিনি দিয়ে ২-৩ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখতে হবে, কাটার সময় রস যেন পড়ে না যায়। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

লেবুর শরবত

যা লাগবে

পানি ৪ কাপ, চিনি আধা কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো ও বরফ কুচি।

যেভাবে করবেন

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে চামচ দিয়ে ভাল করে নেড়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

কাঁচা আমের শরবত

যা লাগবে

কাঁচা আম কুচি ২ কাপ, চিনি ১ কাপ, ১ চা চামচ লবণ, ঠা-া পানি ৫ কাপ ও কাঁচা মরিচ কুচি ২/১টা।

যেভাবে করবেন

সব কিছু উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে ভাল করে। এখন প্লাস্টিক বা তারের ঝাঁঝরি দিয়ে ছেঁকে নিয়ে সামান্য বিট লবণ দিয়ে নেড়েচেড়ে একটা পানির বোতলে ফ্রিজে রেখে দিন। মা শাশুড়ীরা বলেন, গরমে বাইরে থেকে এসে খেলে সর্দি গরম লাগে না।

বেলের শরবত

যা লাগবে

পাকা বেল একটি, ঠা-া পানি ৩ কাপ, চিনি ১ কাপ, দই আধা কাপ ও বরফ কুচি।

যেভাবে করবেন

বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে মোটা চালুনিতে চেলে নিয়ে ৩ কাপ বেলের রস হলে ৩ কাপ পানি দিয়ে ১ কাপ চিনি মেশাতে হবে। বেশি ঘন হলে আরও পানি মিশিয়ে দই ভাল করে ফেটে নিয়ে বেলের রসে মেশাতে হবে। এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

টমেটো ভর্তা

যা লাগবে

ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন

শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

ধনেপাতার চাটনি

যা লাগবে

টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে করবেন

ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

চিংড়ি-মসুর ডাল ভর্তা

যা লাগবে

মাঝারি সাইজের চিংড়ি, মসুরির ডাল, কাঁচা সর্ষের তেল, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি।

যেভাবে করবেন

বাজার থেকে আনবেন মাঝারি সাইজের চিংড়ি। মসুরির ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে, যাতে পানি শুকিয়ে যায়। ভাতেও সেদ্ধ করা যায়। চিংড়ি ছাড়িয়ে, সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ মাছ, কাঁচা সর্ষের তেল, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, মসুরি সেদ্ধর সঙ্গে মেখে পরিবেশন করুন।

সরিষা ভর্তা

যা লাগবে

লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ১টি, পেঁয়াজ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।

যেভাবে করবেন

সরিষা ভাল করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

মতিচুর

যা লাগবে

বেসন ৪ কাপ, ঘি ১ কাপ, চিনি ২ কাপ (পাটায় গুঁড়ো করা),আমন্ড আর কাজু বাদাম মিহি করে কাটা ১/৪ কাপ, এলাচ গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ।

যেভাবে করবেন

কড়াইয়ে ঘি গরম করে নিন, তাতে আগে থেকে চেলে রাখা বেসন সবটুকু ঢেলে দিন। ক্রমাগত নাড়তে থাকুন, নতুবা তলায় ধরে যাবে খুব তাড়াতাড়ি। ১০-১২ মিনিট অল্প আঁচে হালকাভাবে ভেজে নিন। বেসনের সুঘ্রাণ বের হলে তাতে মিহি করে কাটা বাদাম আর এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। ২/৩ মিনিট পর কড়াই থেকে নামিয়ে ফেলুন। একটু ঠান্ডা হলে তাতে গুঁড়ো করে রাখা চিনি ছিটিয়ে বেসনের সঙ্গে ভালভাবে মাখিয়ে নিন। এরপর হাতে অল্প একটু তেল মেখে ছোট ছোট বল বানিয়ে একে লাড্ডুর আকার দিন। সম্পূর্ণ ঠান্ডা হতে দিন। চাইলে ২ ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে পারেন।

বাহারি সন্দেশ

যা লাগবে

গুঁড়ো দুধ ১.৫ কাপ, কনডেন্স মিল্ক ১ টিন, বাটার ৮ চা চামচ, ছোট এলাচ ৪টি, বাদাম ও কিশমিশ পরিমাণমতো।

যেভাবে করবেন

ননস্টিক প্যানে বাটার গলিয়ে কনডেন্সড মিল্ক ও গুঁড়া দুধ ভাল করে মেশাতে হবে। হালকা আঁচে ঘন ঘন নাড়তে হবে, যতক্ষণ না ঘন পেস্টের আকার ধারণ করে। ঘন হয়ে এলে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিতে হবে এবং ভাল করে মেশাতে হবে। এরপর চুলার জ্বাল বন্ধ করে ঠা-া হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ রেখে দিন। ঠা-া হলে গোল গোল করে সন্দেশ আকারে বানিয়ে উপরে কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রসালো গোলাপজাম

যা লাগবে

১ কাপ গুঁড়ো দুধ (নিডো ফুল ক্রিম গুঁড়ো দুধ দিয়ে খুব ভাল মিষ্টি হয়), ১ টেবিল চামচ সুজি (৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।), ১ চা চামচ বেকিং পাউডার, ১ টেবিল চামচ ঘি, ১টা ডিম, ভাজার জন্য তেল, সিরার জন্য-২ কাপ চিনি, ৩ কাপ পানি, ৩টা এলাচ, ১ চা চামচ লেবুর রস

যেভাবে করবেন

প্রথমেই পানি, চিনি, এলাচ ও লেবুর রস দিয়ে সিরা তৈরি করুন। কয়েকটা বলক উঠলে চুলার তাপ একেবারে কমিয়ে দিন। তবে চুলা বন্ধ করবেন না। সিরা বেশি ঘন হবে না। অন্যদিকে গুঁড়ো দুধ, বেকিং পাউডার, ডিম, ঘি, সুজি এক সঙ্গে মিশিয়ে খামির তৈরি করুন। ভালভাবে মথে নিন। হাতে তেল লাগিয়ে ছোট ছোট মসৃণ বল বানান। সঙ্গে সঙ্গে ডুবো তেলে সময় নিয়ে লাল করে ভাজুন। চুলার তাপ কম রাখতে হবে। সময় নিয়ে সবদিকে সমানভাবে ভাজতে হবে। মনে রাখবেন যত সময় নিয়ে ভাজবেন মিষ্টি ততই ভাল হবে। হলে সরাসরি গরম সিরাতে মিষ্টি ছাড়তে হবে। ঢেকে দেয়ার দরকার নেই। ৫ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে একটু গোলাপজল ছড়িয়ে দেবেন। ওভাবেই ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। মিষ্টিগুলো রস শুষে নিয়ে ডাবল সাইজের হয়ে যাবে। ব্যাস! তৈরি হয়ে গেল গোলাপজাম মিষ্টি।

আমিত্তি

যা লাগবে

মাসকালাইয়ের ডাল বাটা ৪ কাপ, চালের গুঁড়া ১ কাপ, ময়দা ১ কাপ, সোডা আধা চা চামচ, পানি ১ কাপ, চিনি ১ কেজি সিরার জন্য, পানি ১ কেজি সিরার জন্য, ভাজার জন্য সয়াবিন।

যেভাবে করবেন

প্রথমে ডালবাটা হাত দিয়ে কয়েকবার মেখে নিতে হবে। বাকি উপকরণ দিয়ে ভাল করে পানি দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার ভাল একটা পলিথিনে ভরে, ছিদ্র করে গরম তেলে হাতের সেপে আমিত্তি সেপ দিয়ে ভেজে নিয়ে আগে করে রাখা ঠা-া সিরায় ডুবাতে হবে। তাহলে হয়ে যাবে আমিত্তি।

পাকন পায়েস

যা লাগবে

ময়দা ১ কাপ, খোয়াক্ষির ১০০ গ্রাম, চিনি ১ কাপ (স্বাদ অনুযায়ী), দুধ ১ লিটার, এলাচ গুঁড়া-কিশমিশ ১ চা চামচ করে, তেল ভাজার জন্য, ঘি এক টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন

এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে ময়দায় ময়ান দিন। এরপর অল্প গরম পানি দিয়ে ময়দা মাখুন। কড়াইয়ে দু’তিন চামচ খোয়াক্ষির, চিনি, এলাচগুঁড়ো দিয়ে নেড়েচেড়ে পুর বানিয়ে নিন।

মাখানো ময়দা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে বাটির মতো তৈরি করে তাতে ক্ষিরের পুর দিয়ে পুলি তৈরি করুন।

তেল গরম করে পুলিগুলো বাদামি করে ভেজে নিন। দুধ-চিনি জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে এলে পুলি দিন। মাখা মাখা হলে এলাচ ও কিশমিশ ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

ডিম চিতই

যা লাগবে

ডিম- চারটা, চাল-এক কাপ, লবণ- এক চামচ, ফুটন্ত পানি-দেড় কাপ।

যেভাবে করবেন

চাল ধুয়ে পরিষ্কার করে ব্লেন্ডারের জগে নিন। লবণ দেবেন। এখন ফুটন্ত পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন। একটি মাটির তাওয়া গরম করে তেল দিয়ে মুছে নিন। তারপর অল্প ব্লেন্ড করা চালের গোলা দিয়ে একটি ডিম ভেঙ্গে দিন। অল্প লবণ ছিটিয়ে ঢেকে দিন। এভাবে চারটা পিঠা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন।

মসলা পিঠা

যা লাগবে

চালের গুঁড়া দুই কাপ, পানি দুই কাপ, মেথি+কালজিরা এক চা চামচ, এলাচ+দারুচিনি দুটা করে, রসুন দুই কোয়া, পেঁয়াজ দুটা, ধনেপাতা এক কাপ, জিরা এক চা চামচ, হলুদ এক চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচামরিচ দুটা, শুকনো মরিচ দুটা, আদা অল্প।

যেভাবে করবেন

প্রথমে লবণ পানি ফুটাতে হবে। ফুটন্ত পানির মধ্যে চালের গুঁড়া দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। পরে আধা সিদ্ধ হলে ওপরের সমস্ত মসলা বেটে সিদ্ধ খামিরের সঙ্গে ভাল করে মিক্সড করতে হবে। চাল ও লবণ ঠিক আছে কি না দেখে নিতে হবে। এখন অল্প খামির নিয়ে গোল করুন এবং চাপ দিয়ে চেপ্টা করে ডুবো তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।

তিলের পুলি

যা লাগবে

চালের গুঁড়া-দুই কাপ, লবণ-অল্প, নারিকেল কোরানো- দুই কাপ, তিল বাটা-এক কাপ, গুড়-দুই কাপ।

যেভাবে করবেন

লবণ ও চালের গুঁড়া গরম পানিতে খামির করে নিতে হবে। গুড়, তিল, নারিকেল একসঙ্গে রান্না করে নিন। এখন সিদ্ধ চালের গুঁড়ার খামির দিয়ে গোল গোল করে ভেতরে তিলের পুর ভরে অর্ধচন্দ্রাকার করে হাতে ডিজাইন করে নিন। হাঁড়িতে পানি দিয়ে জ্বাল দিন। হাঁড়ির মুখে কাপড় বেঁধে জ্বাল দেবেন। তার পরে পিঠা দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ করুন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন। এ পিঠা তেলে ভেজেও খাওয়া যায়।

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫

১৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: