আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কেন অনন্য বাঙালির নববর্ষ

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫
  • মুনতাসীর মামুন

বৈশাখ, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, বৈশাখে নববর্ষ বাঙালী মাত্রই কোন না কোনভাবে পালন করে। প্রবাসী বাঙালীরাও, যদি না তারা বাংরেজ হয়ে যান। তবে, বাংলাদেশে যত জাঁকালোভাবে এখন নববর্ষ পালিত হয়, তা আর কোথাও হয় না। কারণ খুবই স্বাভাবিক বাঙালীদের একমাত্র রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র। হ্যাঁ, এখানেও অনেকে আছেন যারা বাংলা নববর্ষের উৎপত্তি, বিকাশ কিছুই জানেন না। কিন্তু, নববর্ষের উন্মাদনায় শামিল হন। নববর্ষ, তাদের সবধরনের অবাঙালী প্রয়াস ঠেলে সরিয়ে দেয়, অন্তত একদিনের জন্য হলেও।

আমাকে এক সাংবাদিক জানালেন, তারা একটি জরিপ করেছেন তাতে দেখা গেছে, যেসব তরুণরা সোল্লাসে নববর্ষ পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা নববর্ষ সম্পর্কে খুব কম জানে। প্রায় জানেই না। কিন্তু ইংরেজী নববর্ষ সম্পর্কে জানে। আমার উত্তর খুব সোজা। বাঙালী মধ্যবিত্ত যারা এখন বিত্তশালীও তারা তাদের সন্তানদের উদ্বাস্তু বানাতে আগ্রহী। সরকার চালায় মধ্যবিত্ত ও বিত্তবানরা, তারাও এ বিষয়ে উৎসাহী। না হলে, দেশে ১১ রকম শিক্ষাব্যবস্থা থাকে? আর যে দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সমর্থন জানায় কমপক্ষে ৩৫ ভাগ মানুষ, সে দেশে এটিই স্বাভাবিক। তারা যে দেশে থাকছে এবং নববর্ষ পালন করছে সেটিই যথেষ্ট।

আমরা জানি যে, বাংলা সনের প্রথম দিন বাংলাদেশে পালিত হয় নববর্ষ হিসেবে। ‘নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য উৎসবের প্রথম দিন’, যেমন লিখেছেন এনামুল হক, ‘প্রকৃতপক্ষে তা একটা নির্দিষ্ট উৎসবের দিন।’

বাংলা নববর্ষ এমন একটি দিন। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য এই যে, এটি হিন্দু বা মুসলমান বা বৌদ্ধের একক কোন উৎসবের দিন নয়। এটির চরিত্র সর্বজনীন। আসলে ধর্মভিত্তিক নয় কিন্তু সর্বজনীন এমন উৎসব পৃথিবীতে বিরল। এই সর্বজনীনতার রূপ এনামুল হক প্রত্যক্ষ করেছেন মেঘের জন্য সমবেত প্রার্থনাতে। বৈশাখের তপ্ত দিনে পুরুষ মহিলারা যখন মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকে বা ‘মেঘের কাছ থেকে জল ভিক্ষা করাও বাংলা নববর্ষের আর একটা সর্বজনীন অনুষ্ঠান।’

আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ্য। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান। কিন্তু তাদের নববর্ষ আশুরা থেকে শুরু নয় এবং তা বিষাদময়ও নয় এ কারণেও বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ পালন বিশেষ স্বাতন্ত্র্যময়।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস খুব পুরনো নয়। খুব সম্ভব বাংলা সনের সঙ্গে যোগ আছে বাংলা নববর্ষ পালনের। সম্রাট আকবর বাংলায় বাংলা সন প্রবর্তন করেছিলেন ১০ মার্চ ১৫৫৫ সালে কিন্তু তা কার্যকর হয় ১৬ মার্চ ১৫৫৬ সালে তার সিংহাসনারোহনের সময় থেকে। বাংলা সনের ভিত্তি হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসন। বাংলার তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়েছিল বাংলা সন। এর একটি কারণ হতে পারে এই যে, বাংলা সনের ভিত্তি কৃষি এবং বাংলা সনের শুরুর সময়টা কৃষকের খাজনা আদায়ের। যেমন চৈত্রে বৃষ্টি হলেও কিন্তু কৃষক লাঙ্গল দেয় না ক্ষেতে লাঙ্গল দেয়া হয় সাধারণত বৈশাখে, বৃষ্টির কামনাও সেজন্য।

তবে, যাই হোক, এখনও সাধারণ মানুষ তার নিত্যকর্ম সম্পাদন করেন বাংলাসনের নিরিখে। আর শহরবাসীরা জুলিয়াস ক্যালেন্ডারের নিরিখে। শামসুজ্জামান খান যথার্থই মন্তব্য করেছেন এ পরিপ্রেক্ষিতে যে, আকবর এক সময় সর্বভারতীয় ইসলামী সন ও বাংলা সন প্রবর্তন করেছিলেন। কিন্তু একটি সময়ে প্রবর্তিত বাংলা সন শুধু টিকেই থাকেনি বরং বিচ্ছিন্ন, বিভক্ত যৌথ প্রধান বাঙালী সমাজকে দিয়েছে জাতীয় চেতনা এবং গৌরববোধের এক বিশেষ শক্তি।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একেক ঋতুতে নববর্ষ শুরু হয়। বাংলা নববর্ষ গ্রীষ্মে। গ্রীষ্ম তো খুব মনোরম মাস নয় বাংলাদেশে, উৎসব ও আনন্দও তেমন হতে পারে না তখন, যেমন হতে পারে শীত বা বসন্তের শুরুতে। অনেকের মতে, বাংলা নববর্ষ তো আসলেই অগ্রহায়ণেই হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল, কৃষির দিক বিবেচনা করলেও। যেমন, অগ্রহায়ণ ফসল কাটার মাস। কিন্তু হচ্ছে বৈশাখে। পল্লব সেনগুপ্ত লিখেছেন, ‘হয় হেমন্তে, নয় বসন্তে, অর্থাৎ শষ্য এবং ফুল ফল যখন নতুন করে জন্মাতে শুরু করে, তখন থেকেই নতুন বছরের হিসাবে ধরা। এটিই ছিল প্রাথমিক রেওয়াজ। পরে নানান ব্যবহারিক প্রয়োজনে সেটি অন্যান্য ঋতুতে সরে গেছে কালের বিবর্তনে। পয়লা জানুয়ারি বা পয়লা বৈশাখ থেকে বছর আরম্ভ করা রেওয়াজ তাই অনেক অর্বাচীন।

কিন্তু সেই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। আমাদের দেশতো গ্রীষ্মম-লীর অন্তর্ভুক্ত তাই গ্রীস্মেরই প্রাধান্য থাকা স্বাভাবিক। তাছাড়া এমনকি হতে পারে যে ওই সময় খালবিল নদীনালা সব শুকিয়ে যায় চারদিকে শুধু পানির তৃষ্ণার, সবকিছু মিলিয়ে ঋতুর এক প্রচ- পরিবর্তন সহজেই স্পষ্ট হয়। তারপর কালবোশেখী। আচমকা বুনো মোষের মতো এসে সব করে দেয় ল-ভ-। সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি। কমে দাবদাহ। হাল পড়ে খেতে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি প্রভাবিত করেছে বৈশাখে নববর্ষ নির্ণয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন লিখেছেনÑ

এসো হে বৈশাখ এসো এসো

তাপস নিশ্বাস বায়ে

মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে

এনামুল হকও তাই মনে করেন। যেখানে যে ঋতু প্রাধান্য পেয়েছে, সেখানে সে ঋতুকেই কেন্দ্র করে প্রধান উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। তদুপরি ছোটখাটো আর্তব উৎসব তো নিয়মিতভাবে চলতই। এ বিষয়ে বাংলার স্থান নিয়ে স্বতন্ত্র ছিল। তার প্রধান ‘আর্তব উৎসব’ যে গ্রীষ্মকালে ছিল তা সহজেই অনুমেয়। পৃথিবীর সর্বত্র যেমন প্রধান আর্তব উৎসব নববর্ষের উৎসব রূপে পরিগণিত হয়েছে, আমাদের দেশের গ্রীষ্মকালীন প্রধান উৎসবও নববর্ষের উৎসব রূপে পরিগণিত হয়ে থাকবে।

আমার মনে হয় কালবৈশাখীর তা-বলীলা ও তার পরে পরেই প্রকৃতির নতুন সৃষ্টির যে রূপটি বাংলাদেশে দেখা দিয়ে থাকে তাই আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিতে গ্রীষ্মকালের এবং গ্রীষ্মাকালীন উৎসব অনুষ্ঠানের প্রাধান্য স্বীকার করে নিতে বাধ্য করেছিল। নইলে, এখানকার নববর্ষের অনুষ্ঠান ও উৎসবাদি ধর্মের প্রভাবে বিপুলভাবে প্রভাবিত হতো। কেননা আমাদের দেশ আদিম অধিবাসী, হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলমান ও খ্রীস্টান অধ্যুষিত দেশ। অথচ এ সমস্ত ধর্মের কোন বিশিষ্ট প্রভাব আমাদের নববর্ষের অনুষ্ঠান ও উৎসবে দেখা যায় না।

গত চার শতাব্দীতে অর্থাৎ সম্রাট আকবরের বাংলা সন প্রবর্তনের পর হয়ত কৃষি ও ঋতুর সঙ্গে যুক্ত অনেক অনুষ্ঠানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে এবং এভাবে আবর্তিত হয়ে পহেলা বৈশাখ রূপান্তরিত হয় নববর্ষে।

বাংলাদেশে সংখ্যগরিষ্ঠ মুসলমান। মুসলমানদের নববর্ষের শুরু আশুরার বিষাদ দিয়ে। পৃথিবীর আর কোন জাতির নববর্ষ বিষাদ দিয়ে কিনা আমার জানা নেই। কিন্তু বাংলাদেশে বাঙালী মুসলমান নববর্ষ পালন করে আশুরার প্রথম দিন দিয়ে নয়, বৈশাখের প্রথম দিন থেকে এবং স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ দিয়ে।

নববর্ষের শুরু থেকে জড়িত হয়েছিল এবং হয়েছে নানা আনুষঙ্গিক বিষয়। এর কিছু লুপ্ত হয়ে গেছে আবার কিছু কিছু বিশেষ অঞ্চলেই প্রচলিত। নতুন অনেক অনুষঙ্গের উদ্ভব হয়েছে। যেমন জমিদারি প্রথা থাকাকালীন সময়ে চালু ছিল পুণ্যাহ। এখন সেটি নেই।

হালখাতা অবশ্য এখনও অটুট। প্রধানত ব্যবসায়ী মহল এটি পালন করে। নববর্ষের দিন ব্যবসায়ীরা পুরনো বছরে হিসেবনিকেশ সারে। এ জন্য অনেক ক্ষেত্রে লাল কাপড়ের মলাটের এক বিশেষ খাতা ব্যবহার করে, যাকে খেরো খাতা বলা হয়। সেদিন দোকানে কেউ গেলেই মিষ্টি খাওয়ানো হয়। শুধু তাই নয়, ঢাকা শহরের অনেক মধ্যবিত্ত আজকাল নববর্ষ উপলক্ষে মিষ্টি কেনেন, ভালো খাবারের আয়োজন করেন।

আঞ্চলিক অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখ্য চাটগাঁ শহরের জব্বারের বলী খেলা, বা কুস্তি। এটি এখনও প্রবল উৎসাহ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করে চাটগাঁ শহরে। রাজশাহীর গম্ভীরাও এমনি একটি অনুষ্ঠান। ঢাকার মুন্সীগঞ্জে প্রচলিত ছিল গরুর দৌড় প্রতিযোগিতা।

তবে বৈশাখ এবং পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান মেলা। আমাদের দেশের নববর্ষের মেলাগুলোও এদেশের প্রাচীনতম ‘আর্তব উৎসব’ ও ‘কৃষ্যৎসব’ প্রভৃতির বিবর্তিত রূপ ব্যতীত আর কিছুই নয়। কেননা এগুলোতে এখন পর্যন্ত স্থানীয় কৃষি ও শিল্পজাত দ্রব্যদির বেচাকেনা হয়। বৈশাখী মেলার আরও একটি বৈশিষ্ট্যের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। তাহলো আন্যান্য মেলায় ধর্মের উপাদান প্রবেশ করলেও বাংলাদেশের মেলায় তা করেনি। এখনও তা কুটিরজাত পণ্যাদির বেচাকেনার মেলা। এক হিসেবে জানা গেছে, বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখে এবং বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে প্রায় দুশো মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা শহরের বা শহরাঞ্চলে আয়োজিত মেলায় মাটির ও কুটিরজাত পণ্যের সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থমেলারও আয়োজন করা হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নববর্ষের শুভেচ্ছা হিসেবে মক্কেলদের উপহার হিসেবে প্রেরণ করছে বই।

ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে চালু করা হয়েছিল মঙ্গল মেলা। এখন তা ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অঞ্চলে। কৃত্রিমভাবে আরোপ করা হয়েছে কিছু উপাদান। যেমন, মাটির বাসনে পান্তাভাত ও ভাজা ইলিশ। গ্রামবাংলার মানুষের নববর্ষ পালনে এসব উপদান ছিল না।

বাংলা নববর্ষ আরো স্থায়িত্ব পাবে অর্থনৈতিক কারণে। এখন বৈখাখী ফ্যাশন চালু হয়েছে। অর্থাৎ কেনাকাটার একটি উপাদান যুক্ত হয়েছে অর্থাৎ নববর্ষের দু’সপ্তাহ আগে থেকে অর্থনীতি অত্যন্ত সচল হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। যে উৎসবের পেছনে অর্থনৈতিক ভিত্তি জোরালো। সেই উৎসব শুধু স্থায়ী হয় না, শক্তিশালীও হয়ে ওঠে।

এসব বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে আরো একটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করব, যা বাংলা নববর্ষকে অনন্য করে তুলেছে। বৈশাখ আমাদের প্রতিবাদের ভাষাও, আক্ষরিক অর্থে।

বাংলাদেশে, আগেই উল্লেখ করেছি, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একটি উপাদান হিসেবে পহেলা বৈশাখ পালন শুরু হয় এবং রাজনৈতিক আন্দোলনে তা নতুন মাত্রা যোগ করে। আইয়ুব আমলে রবীন্দ্র সঙ্গীত ও বাঙালী সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ শুরু হলে, ছায়ানট ১ বৈশাখে নববর্ষ পালন উপলক্ষে রমনার বটমূলে আয়োজন করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের। গোড়া ধর্মবাদের বিরুদ্ধে ছিল তা প্রতিবাদ। ছায়ানটের এই প্রচেষ্টা ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং স্বাধিকার আন্দোলনের পরিপ্রেক্সিতে শাসকগোষ্ঠীর আদর্শের প্রতিবাদে ঘটা করে বাংলা নববর্ষ পালিত হতে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, বাংলা নববর্ষ ঘোষিত হয় সরকারি ছুটির দিন হিসেবে। এভাবে তৃণমূল পর্যায়ের নববর্ষ পালনের সঙ্গে যুক্ত হয় শাহরিক প্রচেষ্টা। যে কারণে ধর্মীয় উৎসব ছাড়া বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখের উৎসব একমাত্র অনুষ্ঠান, যার বিরুদ্ধে মৌলবাদীরা কোন কটাক্ষ করার সাহস করেনি, যা তারা করে একুশে ফেব্রুয়ারি বা বিজয় দিবস উপলক্ষেও।

সবশেষে বলতে হয়। বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে একমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ অনুষ্ঠান বাংলা নববর্ষ। তৃণমূল থেকে শাহরিকÑ সবপর্যায়েই বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে তা পালিত হয় একমাত্র খাঁটি বাঙালী উৎসব হিসেবে। এর বৈশিষ্ট্য এই যে, মুসলিম অধুষ্যিত একটি ভূখ-ের উৎসব সত্ত্বেও তা বিষাদময় নয়। রাষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সফল হলেও এক্ষেত্রে পারেনি ধর্মজ উপাদান যোগ করতে। শুধু তাই নয়, এখনও এ নববর্ষ স্বৈরাচারবিরোধী অন্দোলনেও যোগ করে নতুন মাত্র। আপনাদের কি মনে পড়ে সামরিক শাসনামলের প্রতিটি নববর্ষে কি বিপুল পরিমাণ মানুষ সমবেত হতো। নববর্ষে যারা শুধু ঘরে বসে ছুটি ভোগ করতে চান তারাও কি প্রেরণায় সে সময় যোগ দিতেন এ উৎসবে। বা এখনও কোন প্রতিবাদ জমা হলে কেন মঙ্গল শোভাযাত্রা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়?

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫

১৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: