মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিয়ে- আনুষ্ঠানিকতা সারলেন মারে

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০১৫
বিয়ে- আনুষ্ঠানিকতা সারলেন মারে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অবশেষে ছোটবেলার বান্ধবী কিম সিয়ার্সের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ব্রিটিশ টেনিস তারকা এ্যান্ডি মারে। শনিবার স্কটল্যান্ডের ছোট শহর ডানব্লেনে পারিবারিকভাবেই এই বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ডানব্লেনের ক্যাথলিক চার্জে আয়োজিত বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মীয়স্বজন ছাড়া সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বিয়ের পর স্থানীয় পাঁচতারা হোটেলে অতিথিদের নিয়ে ছিল রিসিপশন পার্টি। বিয়ের সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূ কিম সিয়ার্সকে নিয়ে পুরনো বাড়ি ক্রোমলিক্স হাউজে উঠেন বিশ্ব টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নাম্বার টেনিস তারকা মারে। ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে এ্যান্ডি মারের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় কিম সিয়ার্সের। তার বাবা নিগেল সিয়ার্স টেনিস খেলতেন। পরে কোচিংও করান। টেনিসের প্রতি তাই ছোট থেকেই অন্যরকম এক ভালবাসা ছিল মেয়ের। যে কারণে নিয়মিতই খেলা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত হতেন কিম সিয়ার্স। আর খেলা দেখতে দেখতেই মারের সঙ্গে পরিচয় এবং প্রেম। সিয়ার্সের বয়স তখন ছিল মাত্র ১৭। ২০০৯ সালে অবশ্য প্রেমে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটে। তবে ছয় মাস পরই আবার ভুলবোঝাবুঝির অবসান ঘটে তাদের দারুণ রোমাঞ্চকর সম্পর্কের। এরপর গত বছরের নবেম্বরে আংটি বদল করে সিয়ার্স-মারে জুটি। সেখানেই বাগদত্তা কিম সিয়ার্সের সঙ্গে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন স্কটিশ টেনিস তারকা মারে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এপ্রিলের ১১ তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে কিম সিয়ার্সকে বিয়ে করে ঘরে তুলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সে অনুযায়ীই শনিবার এ্যান্ডি মারের বিয়ের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের ডানব্লেন শহরে। যে শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মারে। ২০১৩ সালে প্রায় দুই মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে ক্রোমলিক্স হাউস কিনেছিলেন মারে। নববধূ সিয়ার্সকে নিয়ে এখন এই ক্রোমলিক্স হাউসেই অবস্থান করছেন পুরুষ এককে দুটি গ্র্যান্ডসøামজয়ী মারে।

মারের বিয়েতে গোট স্কটল্যান্ডই উচ্ছ্বাসের জোয়ারে ভাসছে। এ বিষয়ে দেশটির মন্ত্রী, নিকোলা স্টুরজিওন বলেন, ‘আমি এ্যান্ডি এবং কিমের প্রতি উষ্ণ অভিনন্দন পাঠিয়েছি। এটা তাদের জীবনের অন্যতম বড় একটি দিন। শুভকামনা জানাই তারা দীর্ঘজীবী হোক এবং সুখী জীবনযাপন করুক। সে আমাদের স্থানীয় হিরো, স্কটল্যান্ডের স্পোটিং সুপারস্টার। তার বিয়েতে গোটা জাতি বেশ আনন্দিত।’ বিশ্ব টেনিসের অন্যতম সেরা তারকা এ্যান্ডি মারে। বর্তমান সময়ে দারুণ খেলছেন ২৭ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিয়ের আগের সপ্তাহকে নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবেন এই স্কটিশ তারকা। গত রবিবার যে মিয়ামি ওপেনের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নোভাক জোকোভিচের কাছে পরাজয় মানেন তিনি। টুর্নামেন্টের ফাইনালে এ্যান্ডি মারেকে ৭-৬, ৪-৬, ৬-০ সেটে পরাজিত করেন নোভাক জোকোভিচ। প্রথম দুই সেটে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও শেষ সেটে মারেকে পাত্তাই দেননি জোকোভিচ। সার্বিয়ান তারকা মারেকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের পঞ্চম মিয়ামি ওপেনের শিরোপা জিতেন। দুইবারের মিয়ামি ওপেন শিরোপাজয়ী এ্যান্ডি মারে এক নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচের সঙ্গে এই নিয়ে সর্বশেষ ১১ বারের মোকাবেলায় ১০টিতেই পরাজিত হন। তবে মিয়ামি ওপেনের ফাইনালে উঠায় র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে মারের। এখন তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন তিনি।

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০১৫

১৩/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

খেলার খবর



ব্রেকিং নিউজ: