রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিত্তশালী এশিয়ানরা!

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল ২০১৫

দিন দিন আমেরিকানদের থেকেও বেশি ধনী হয়ে উঠছে এশিয়ানরা। কী অবাক হচ্ছেন? সম্প্রতি ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বিশ্বের ৩২টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এশিয়ার মধ্যে ভারতের লোকজন বেশি সম্পদশালী হয়ে উঠছে। ভারতের পর ধনী বাড়ার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া, তৃতীয় ভিয়েতনাম, চতুর্থ থাইল্যান্ড এবং পঞ্চম অবস্থানে আছে ফিলিপাইন। নব্য এই ধনিক শ্রেণীকে নিউ ওয়েলথ বিল্ডার (এনডব্লিউবি) হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। এরা মূলত নিজস্ব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে ধনীতে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু মজার বিষয় হলো, এদের বেশির ভাগই নিজেদের ধনী বলে মনে করে না। গত বছর দুই মিলিয়ন ডলারের পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিল ৪ লাখ ৮১ হাজার জন। এই সংখ্যা ২০২০ সাল নাগাদ ৪৯ লাখে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। এবং তালিকার প্রথম পাঁচটি ধনীদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি বাড়বে।

আইএমএফের

সতর্কবার্তা

যখন বিশ্ব অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিশ্বের প্রথম সারির তথা শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে স্বল্প প্রবৃদ্ধি মোকাবেলা করার প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটি তাদের দ্বিবার্ষিক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর জীবনমান খুবই ধীর গতিতে এগিয়ে যাবে, এমনকি তা ২০০৮ সালের মন্দা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়েও ধীরে হবে। ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে প্রথম সারির দেশগুলোর সরকার ও কোম্পানিগুলোর ঋণের বোঝা কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। উৎপাদনে শ্লথ গতিই এ অবস্থার জন্য দায়ী বলে মনে করছে সংস্থাটি। প্রথম সারির দেশগুলোতে ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর সম্ভাব্য উৎপাদন প্রবৃদ্ধি থাকবে ১ দশমিক ৬ শতাংশ বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে আইএমএফ। বিগত সাত বছরের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেশি হলেও বিশ্বমন্দা পূর্বের চেয়েও এটি কম। প্রবৃদ্ধির শ্লথ গতি দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্যও প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে মত দিয়েছে সংস্থাটি।

গ্রিসের কাছে

ঋণী জার্মানি!

গ্রিসের অর্থনৈতিক অবস্থা দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে, এ ধরনের খবর এই তো বেশ কিছু দিন আগে পত্রিকায় নিত্যই ছাপা হতো। এখন দেউলিয়ার কথা না লিখলেও গ্রিসের বেইল আউটের কথা লেখা হচ্ছে। এ নিয়ে ইউরো অঞ্চলে রীতিমতো বাহাস হচ্ছে। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী দিমিত্রিস মারদাস জানিয়েছেন, দেশটি নাকি জার্মানির কাছে ২৭৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৩০৭ বিলিয়ন ডলার) পাওনা। চমকে ওঠার মতোই কথা। এই পাওনা আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি বাবদ। দীর্ঘদিন আর্কাইভের তথ্যাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে গ্রিসের জেনারেল এ্যাকাউন্টিং অফিস এই হিসাব কষেছে। যুদ্ধকালীন নাৎসী বাহিনীকে বাধ্য হয়ে বর্তমান হিসাবে ১০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো ঋণ গ্যারান্টি দেয়া এবং অবকাঠামো ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যক্তিপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি হিসেব করে এই বিপুল পরিমাণ পাওনার হিসেব বের করেছে এ্যাকাউন্টস অফিস। সম্প্রতি বার্লিন সফরে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্কেলের সঙ্গে আলোচনাকালে এই ইস্যুটি তুলে ধরেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সিস সিপ্রাস। জার্মানির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ১৯৬০ সালে জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি বাবদ বর্তমান অর্থমূল্য ৬০ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। কিন্তু গ্রিস বলছে এই ক্ষতিপূরণ শুধু ব্যক্তিক পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দেয়া হয়েছে। কিন্তু দেশটির অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছিল, তা জার্মানি পরিশোধ করেনি।

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল ২০১৫

১২/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: