আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সুখ-দুঃখের হল জীবন

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল ২০১৫
  • পবিপ্রবিতে প্রতিটি হলে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক রয়েছে

আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০০০ সালের ৮ জুলাই যাত্রা শুরু পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি আবাসিক। ছাত্রদের জন্য শের-ই-বাংলা-১, এবং ২, ও এম কেরামত আলী হল এবং ছাত্রীদের জন্য কবি বেগম সুফিয়া কামাল হল ও বরিশাল ভেটেরিনারির ২টিসহ মোট ৬টি হল রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা স্মৃতির মধ্যে প্রধান স্মৃতি হলো ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক হলকে নিয়ে।

কেমন কাটছে হল জীবন : হল জীবনকে নিয়ে বিভিন্নজনের নানা অভিমত রয়েছে। কৃষি অনুষদের ৪র্থ সেমিস্টারের ও এম কেরামত আলী হলের আবাসিক ছাত্র মোঃ রেজাউল করীম রেজা এবং বিবিএ অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র আকবর আলী (জনি) বলেন, ‘হল জীবন উপভোগ না করলে জীবন থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হারিয়ে যায়। সবচেয়ে মজার এবং স্মৃতিময় জীবন ছিল ১ম সেমিস্টারের গণরুমের জীবন। কৃষি অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র ও এম কেরামত আলী হলের আবাসিক ছাত্র মোঃ নাজমুল হক, একই হলের কৃষি অনুষদের ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্র মোঃ রেজাউল ইসলাম রেজা এবং শেরে-বাংলা হলের মোঃ তানভীর রায়হান বলেন, হলে খুব মজার জীবন কাটছে। অবসর সময়ে গান বাজনা করি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন বসন্তবরণ, বর্ষবরণ, নবীনবরণ, বৈশাখী মেলা, রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়। শেরে-বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও বিবিএ অনুষদের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র শামসুদ্দিন শামস, আলী মারজান ও মীম বলেন, হলগুলোতে খাবারের মান খুবই খারাপ। কৃষি অনুষদের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র শাহিন, রফিকুল ইসলাম (শুভ) ও মোঃ মারজান বলেন, ক্যাম্পাস জীবন খুবই আনন্দদায়ক। দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে পবিপ্রবিতে অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। এর ভেতর অন্যতম হলো প্রতিটি হলে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক আছে, কোন সিট-বাণিজ্য নেই ইত্যাদি। ক্যাম্পাস ছোট হওয়ায় খুব সহজেই সবার মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র মোঃ আবদুল আলীম, সম্রাট ৪র্থ সেমিস্টারের কেএম আসলাম উদ্দিন মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র বিকাশ দাস, কৃষি অনুষদের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র রাসেল, মাহমুদ, আতিকুর রহমান ও শাহজালাল এবং বিবিএ অনুষদের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র আসাদুর রহমান বলেন, গণরুমে থাকতে কষ্ট হয়। ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারি না। আবার একসঙ্গে থাকার ফলে আনন্দও হয়, তবে এর ভাগটাই বেশি। কৃষি অনুষদের এমএসে অধ্যয়নরত সুজন কান্তি মালী, ৮ম সেমিস্টারের জসীম উদ্দীন খান, ৪র্থ সেমিস্টারের তারেক, সবুজ এবং দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র মোঃ ইব্রাহীম ও সোহেল মীর বলেন, ক্যাম্পাস জীবন ভালই চলছে। হলে বিভিন্ন সময়ে খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। ফলে ছাত্ররা তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারে।

ইমাদুল হক প্রিন্স

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল ২০১৫

১২/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: