আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫
চসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ
  • নাছির পেলেন হাতি মনজুর কমলালেবু

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে পছন্দের প্রতীকই পেয়েছেন মেয়র পদের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিন পেয়েছেন হাতি। বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী এম মনজুর আলম পেয়েছেন কমলালেবু প্রতীক। শুক্রবার রিটার্নিং অফিসার মোঃ আবদুল বাতেন এই প্রতীক বরাদ্দ দেন। একই দিনে বরাদ্দ দেয়া হয় অপর মেয়র প্রার্থী, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের। প্রতীক পেয়েই বিকেল থেকে প্রার্থীরা নেমে পড়েন গণসংযোগ ও প্রচারে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১০ এপ্রিল নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় এই কার্যক্রম। এ সময় মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে সর্বাধিক পছন্দের প্রতীক ছিল হাতি। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ চারজন এ প্রতীকটি দাবি করেন। আর যারা হাতি প্রতীক চেয়েছিলেন তারা হলেন জাতীয় পার্টির সোলায়মান আলম শেঠ, বিএনএফ-এর আরিফ মঈনউদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। এ সময় রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সকলেই যদি একই প্রতীকের জন্য অনড় থাকেন তাহলে লটারিতে যেতে হবে। তখন আরিফ মঈনউদ্দিন ও গাজী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন তাঁদের দাবি থেকে সরে এলেও অনড় থাকেন সোলায়মান আলম শেঠ। অবশেষে লটারিতে নিষ্পত্তি হয় বিষয়টি। আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছির পান হাতি প্রতীক। সাবেক মেয়র ও বিএনপির সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী এম মনজুর আলমের পছন্দের প্রতীক কমলালেবু। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদও একই প্রতীক দাবি করেন। এ সময় রিটার্নিং অফিসার লটারি করার কথা জানালে আবুল কালাম আজাদ প্রতীকটি ছেড়ে দেন। ফলে মনজুর আলমের পছন্দের প্রতীক পেতে আর কোন অসুবিধা রইল না।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে বাকি ১০ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির সোলায়মান আলম শেঠ ডিশ এ্যান্টেনা, বিএনএফ-এর আরিফ মঈনউদ্দিন বাস, ইসলামিক ফ্রন্টের মজিবুল হক ময়ূর, ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন চরকা, ইসলামী আন্দোলনের ওয়ায়েজ হোসেন ভুঁইয়া টেবিল ঘড়ি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিউল আলম ইলিশ মাছ, গাজী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন টেলিস্কোপ, সৈয়দ সাজ্জাদ জোহা ক্রিকেট ব্যাট, সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি ফ্লাক্স ও আবুল কালাম আজাদ পান দিয়াশলাই প্রতীক। মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হয় সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলরদের প্রতীক বরাদ্দ।

প্রচারে প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর চসিক নির্বাচনের যুক্ত হয় নতুন মাত্রা। এতদিন যা ছিল সীমিত আকারে, প্রতীক পাওয়ার পর তা রূপ নেয় জমজমাট আকারে। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা শুক্রবার বিকেল থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগে নেমে পড়েন। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মোট ২৮৫ জন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর গণসংযোগে সরগরম হয়ে ওঠে নগরীর অলিগলি। সন্ধ্যার পর থেকে পুরোপুরি নির্বাচনী আমেজ। শুরু হয়ে যায় প্রার্থীদের প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বানে মাইক প্রচার। তবে নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী মাইক ব্যবহারের উপর কিছু নিয়মকানুন রয়েছে।

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১১/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: