মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ভোটযুদ্ধ শুরু

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫
  • প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রার্থীরা মাঠে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই জমজমাট নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। শুক্রবার সকালে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হক বরাদ্দ পেয়েছেন ‘টেবিল ঘড়ি’। অপরদিকে এ সিটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ এম আউয়াল পেয়েছেন ‘বাস’ প্রতীক। এছাড়াও বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরী পেয়েছেন ‘ঈগল’ প্রতীক। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাঈদ খোকন পেয়েছেন ‘ইলিশ মাছ’ প্রতীক। এ সিটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ‘মগ’ প্রতীক। বিএনপির অপর নেতা আসাদুজ্জামান রিপন পেয়েছেন ‘কমলালেবু’। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মনজুর আলম পেয়েছেন ‘কমলালেবু’ আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত আ জ ম নাছির পেয়েছেন ‘হাতি’।

শুক্রবার সকালে ঢাকার উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জেলা নির্বাচন অফিসে ঢাকার উত্তরের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম। শুরুতেই তিনি মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। একটি প্রতীক একাধিক প্রার্থীর পছন্দ হলে সে ক্ষেত্রে তিনি লটারির মাধ্যমে বিজয়ীকে পছন্দের প্রতীক দিয়েছেন। উত্তরে ‘টেবিল ঘড়ি’ প্রতীক পছন্দ করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হক ও বিএনপি সমর্থিত তাবিথ এম আউয়াল। এ সময় লটারির মাধ্যমে টেবিল ঘড়ি পেয়ে যান আনিসুল হক। পরে মেয়র পদে সংরক্ষিত ১২ প্রতীক থেকে ‘বাস’ প্রতীক চেয়ে নেন তাবিথ এম আউয়াল। তবে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তাবিথ আউয়াল উপস্থিত থাকলেও আনিসুলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিনিধি ইকবাল চৌধুরী নামে একজন। এছাড়া ‘হাতি’ প্রতীক নিয়ে লটারি করা হয়। লটারিতে বিজয়ী হয়ে সিপিবির আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন পেয়েছেন ‘হাতি’। এছাড়া ইলিশ প্রতীকের দাবিদার ছিলেন জাতীয় পার্টির বাহাউদ্দিন আহমেদ, বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরী ও জাসদের নাদের চৌধুরীসহ ছয় মেয়র প্রার্থী। তবে লটারিতে কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ‘ইলিশ’ প্রতীক বরাদ্দ পান।

উত্তরে মেয়র প্রার্থীরা যে প্রতীক পেলেন ॥ প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মোট ১৬ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শুক্রবার এসব প্রার্থীকে প্রতীক বণ্টন করা হয়। এ সিটিতে নির্বাচনের জন্য মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক পেয়েছেন (টেবিল ঘড়ি), জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল (চরকা), তাবিথ এম আউয়াল (বাস), বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরী (ঈগল), শামছুল আলম চৌধুরী (চিতাবাঘ), এওয়াইএম কামরুল ইসলাম (ক্রিকেট ব্যাট), কাজী মোঃ শহীদুল্লাহ (ইলিশ মাছ), মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ (ফ্লাক্স), চৌধুরী ইরাদ আহম্মদ সিদ্দিকী (লাউ), আনিসুজ্জামান খোকন (ডিশ এন্টেনা), জামান ভূইয়া (টেবিল), শেখ শহিদুজ্জামান (দিয়াশলাই), শেখ মোঃ ফজলে বারী মাসউদ (কমলালেবু), সিপিবির সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন (হাতি), জাসদ সমর্থিত প্রার্থী নাদের চৌধুরী (ময়ূর) ও গণসংহতির জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (টেলিস্কোপ)।

মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ শেষে রিটার্নিং অফিসার শাহ আলম বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীরা সবই আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার চালাবেন। যারা বিধি লঙ্ঘন করবেন তাদের ছাড় দেয়া হবে না। এছাড়াও তিনি বলেন, ১২ এপ্রিল খামারবাড়ির কেআইবি কমপ্লেক্সে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ সব প্রার্থী নিয়ে মতবিনিময় করবেন। প্রার্থীদের সবাইকে সেখানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানান।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রার্থীরা যে প্রতীক পেলেন ॥ শুক্রবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে অবস্থিত কার্যালয় থেকে দক্ষিণের মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারোয়ার মোর্শেদ। প্রথমে তিনি ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। এ সিটিতে মোট ২০ প্রার্থী মেয়র পদে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বৃহস্পতিবার ৪ প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। শুক্রবার সকালে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এ সিটিতে একাধিক পছন্দের প্রতীক লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে সাঈদ খোকন, বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপন, মোঃ আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ, জাহিদুর রহমান, বজলুর রশীদ ফিরোজ ও মশিউর রহমান ইলিশ প্রতীক পছন্দ করেন। তবে সাঈদ খোকনকে ইলিশ প্রতীক বরাদ্দে অন্য প্রার্থীরা অনাপত্তি জানালে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে ইলিশ প্রতীক বরাদ্দ দেন। সাঈদ খোকনের পিতা ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ‘ইলিশ’ প্রতীক নিয়ে ঢাকার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। ‘ইলিশ’ প্রতীক পেয়ে খোকন বলেন, আমার পিতা ১৯৯৪ সালে ইলিশ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে জয়যুক্ত হয়েছিলেন। এই প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আমি আনন্দিত। আশা করছি জয়যুক্ত হব এবং ঢাকাবাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করব।

এদিকে হাতি প্রতীকের দাবিদার ছিলেন মেয়র আব্বাসসহ আরও ৭ প্রার্থী। পরে লটারিতে মির্জা আব্বাস ‘মগ’ প্রতীক বরাদ্দ পান। এ সময় আব্বাসের পক্ষে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

এই সিটিতে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সাইফুদ্দিন মিলন পেয়েছেন ‘সোফা’ প্রতীক। বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপন ‘কমলালেবু’, মোঃ আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ ‘লাউ’, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী ‘টেবিল ঘড়ি’, মোঃ আব্দুল খালেক ‘কেক’, জাহিদুর রহমান ‘ল্যাপটপ’ ও আবু নাছের মোহাম্মদ মাসুদ হোসাইন ‘চরকা’, বাহরানে সুলতান বাহার ‘শার্ট’, শাহীন খান ‘জাহাজ’, দিলীপ ভদ্র ‘হাতি’, জাসদ সমর্থিত শহীদুল ইসলাম ‘বাস’, শফিউল্লাহ চৌধুরী ‘ময়ূর’, এএসএম আকরাম ‘ক্রিকেট ব্যাট’, আব্দুর রহমান ‘ফ্লাস্ক’, বজলুর রশীদ ফিরোজ ‘টেবিল’, মশিউর রহমান ‘চিতাবাঘ’, সাবেক সাংসদ গোলাম মওলা রনি ‘আংটি’ এবং আয়ুব হোসেন ‘ঈগল’ প্রতীক পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম ॥ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রার্র্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন। এতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছির পেয়েছেন ‘হাতি’ প্রতীক। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত মনজুর আলম পান ‘কমলালেবু’। অন্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ ‘ডিশ এন্টেনা’, বিএনএফের আরিফ মঈনুদ্দিন ‘বাস’, ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন ‘চরকা’, ইসলামিক ফ্রন্টের হোসাইন মোহাম্মদ মুজিবুল হক শুক্কুর ‘ময়ূর’, সৈয়দ সাজ্জাদ জোহা ক্রিকেট ‘ব্যাট,’ ওয়ায়েজ হোসেন ভূইয়া ‘টেবিল ঘড়ি’, শফিউল আলম ‘ইলিশ মাছ’, সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি ‘ফ্লাক্স’, আবুল কালাম আজাদ ‘দিয়াশলাই’ এবং গাজী মোঃ আলাউদ্দিন ‘টেলিস্কোপ’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

চট্টগ্রামে মেয়র পদে প্রার্থীদের মধ্যে চারজন ইলিশ মাছ প্রতীক চান। এ নিয়ে আলোচনা করেও কেউ সমঝোতায় না আসায় পরে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়। সোলায়মান আলম শেঠ ও আ জ ম নাছির দুজনই হাতি প্রতীক বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন। লটারিতে পছন্দের প্রতীক পেয়ে যান নাছির। মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম ও আবুল কালাম আজাদ কমলালেবু প্রতীক চান। পরে তাদের প্রতিনিধিরা আলোচনা করে সমঝোতায় আসেন।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষেই প্রার্থীরা পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েন। এর আগে গত ৭ এপ্রিল থেকে প্রার্থীরা গণসংযোগ শুরু করলেও শুক্রবারই প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমে পড়েন। উত্তরের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ এম আউয়াল কাওরানবাজারে অবস্থিত অম্বরশাহ জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়েন। এরপর পাশেই অবস্থিত অম্বরশাহর মাজার জিয়ারত করে তিনি নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে বিএনপির সমর্থন লাভ করেন। প্রচারে নেমে তাবিথ এম আউয়াল বলেন, ঢাকা শহরকে আন্তর্জাতিকমানের শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাব। ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে সবার সমর্থন আশা করেন তিনি। বলেন, বিএনপির সমর্থনের আশায় ছিলাম এ কারণে নির্বাচনী প্রচারে নামতে একটু দেরি হয়েছে। তবে এটাকে দেরি বললে ভুল হবে। নিয়ম অনুযায়ী যা যা করার সব করা হবে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে জুমার নামাজ পড়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেই নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম। এ সময় তিনি বলেন, আগেই নির্বাচনী প্রচার শুরু হলেও এতদিন তিনি প্রতীকের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশ্য এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মনজুরের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে নামেন। অবশ্য গত ৭ এপ্রিল নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিনই গণসংযোগে নেমে পড়েন ঢাকার উত্তরের আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হক, ঢাকার দক্ষিণে সাঈদ খোকন। শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে জুমার নামাজ শেষে ভোটারদের কাছে দোয়া ও সমর্থন চান তারা।

এছাড়া ঢাকা দক্ষিণে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস নির্বাচনী প্রচার অব্যাহত রেখেছেন। শুক্রবার মতিঝিল এজিবি কলোনি মসজিদ মার্কেট থেকে তিনি প্রচার শুরু করেন। এ সময় তিনি ভোটারদের হাতে মির্জা আব্বাসের ছবি সংবলিত বিভিন্ন ধরনের পোস্টার তুলে দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মালেক, তাঁতী দলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল হাকিমসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। এ সময় আফরোজা গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, মির্জা আব্বাসের পক্ষে প্রচারে দলীয় নেতাকর্মীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হয়রানি করছে। নেতাকর্মীরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচারে নামলেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নানাভাবে হয়রানি করছে। এতে প্রচারে বিঘœ ঘটছে।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই গণসংহতির প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির পক্ষে শুক্রবার মিরপুরের পল্লবী ও মেরুল বাড্ডায় নির্বাচনী প্রচার চালানো হয়। তার পক্ষে আজ নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। সকাল এগারোটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ইশতেহার প্রকাশ ও প্রার্থী পরিচিতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৫

১১/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: