আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ঢাকা উত্তরের ১৯ মেয়র প্রার্থীর প্রায় সবাই ॥ লড়ছেন স্বজনের টাকায়

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল ২০১৫

রাজন ভট্টাচার্য ॥ মা-বাবা, স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় নির্বাচন করছেন ঢাকা উত্তরের অনেক মেয়র প্রার্থী। ধার নিচ্ছেন কেউ কেউ। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর বৈধ প্রার্থী এখন ১৯। তাদের বেশিরভাগই ব্যবসায়ী। ধনকুবের হিসেবে পরিচিত মুসা বিন সমশের পুত্র মেয়র প্রার্থী ববি হাজ্জাজ নির্বাচনে নিজের কোন অর্থ ব্যয় করছেন না। পরিবারের অর্থে নির্বাচন করছেন তিনি। এবার মেয়র প্রার্থীদের সম্ভাব্য নির্বাচনী ব্যয় প্রায় ছয় কোটি টাকা। ৫৮ লাখ টাকা সর্বোচ্চ ব্যয় করতে চান জামান ভূঞা। সর্বনিম্ন বাজেট পাঁচ লাখ টাকা। প্রার্থীদের অনেকেই টেলিভিশন মিডিয়ায় প্রচারের জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছেন। ছয় জনের বেশি মেয়র প্রার্থীর সম্ভাব্য ব্যয় অর্ধকোটি টাকা। আটজনের সম্ভাব্য ব্যয় ২০ থেকে ৩৯ লাখ টাকা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা সম্ভাব্য অর্থ প্রাপ্তির উৎস ও ব্যয় বিবরণী থেকে এ সব তথ্য জানা গেছে।

নিজের টাকায় আনিসুল হকের নির্বাচন ॥ আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তিনি। সরাসরি রাজনৈতিক কোন পরিচায় নেই তাঁর। তবে ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে পরিচিতি আছে। নিজের আয় থেকে ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করবেন নির্বাচনে। এজন্য পোস্টার করবেন তিন লাখ, ২৫টি ক্যাম্প, নির্বাচনী এজেন্টদের যাতায়াত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা। লিফলেট পাঁচ হাজার, হ্যান্ডবিল এক লাখ, ২০০ ব্যানার, ৫০ পথসভা করবেন। টেলিভিশন প্রচারে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে নয় লাখ টাকা।

বন্ড ভেঙ্গে নির্বাচন করবেন শামসুল আলম ॥ নিজের বন্ড ভেঙ্গে মেয়র পদে নির্বাচন করবেন শামসুল আলম চৌধুরী। ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সর্বমোট ব্যয় করবেন ৩২ লাখ টাকা। প্রচারের জন্য করবেন তিন লাখ পোস্টার। নির্বাচনের দিন কর্মীদের জন্য ব্যয় ধরেছেন চার লাখ ৩২ হাজার টাকা। স্টিকার ও হ্যান্ডবিল করবেন ১০ লাখ। ২৫২টি পথসভা করবেন তিনি।

স্বজনদের অর্থে নির্বাচন করবেন আজাদী ॥ ব্যক্তিগত কোন অর্থ নির্বাচনে ব্যয় করবেন না মোস্তফা কামাল আজাদী। আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে নিচ্ছেন পাঁচ লাখ টাকা। প্রচারের জন্য এক লাখ পোস্টার ও ৫০ হাজার লিফলেট করার কথা নির্বাচন কমিশনের দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।

ভাই-বোনদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন মোয়াজ্জেম ॥ ব্যক্তিগত বিণিয়োগের পাশাপাশি নির্বাচনের জন্য ভাই-বোনদের কাছ থেকেও টাকা নিচ্ছেন মেয়র প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ। নিজের ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে ব্যয় করবেন দুই লাখ টাকা। ভাই দিচ্ছেন আরও দুই লাখ। প্রবাসী বোন দিচ্ছেন আট লাখ টাকা। বেক্সিমকোর সালমান এফ রহমান ও র‌্যাংস গ্রুপের রউফ চৌধুরী এই দু’জন দান হিসেবে দিচ্ছেন ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ। প্রচারের জন্য তিন লাখ পোস্টার, ১০৮টি নির্বাচনী ক্যাম্প, ছয় লাখ হ্যান্ডবিল ও স্টিকার, ২০১টি ব্যানার ও ১৮০টি পথসভার প্রস্তুতি রয়েছে।

শিক্ষকতার টাকায় মেয়র হতে চান বারি ॥ শিক্ষকতার টাকার মেয়র নির্বাচন করবেন ফজলে বারি মাসউদ। নিজের আয় থেকে ব্যয় করবেন এক লাখ ২৫ হাজার টাকা। বাবার কাছ থেকে নেবেন এক লাখ। এই প্রার্থীর আর্থিক সহযোগিতায় পরিবারের অন্য সদস্যরাও এগিয়ে এসেছেন। ভাই ও দুলাভাই দিচ্ছেন আরও দুই লাখ। অন্য আরও একাধিক উৎস থেকে পাচ্ছেন চার লাখ টাকা। সব মিলিয়ে চেষ্টার কোন ত্রুটি করতে চান না এ মেয়র প্রার্থী।

মিষ্টি মেয়ে কবরীর নির্বাচনী ব্যয় ৩০ লাখ ॥ চলচ্চিত্রে মিষ্টি মেয়ে খ্যাত সারাহ বেগম কবরী ফের নির্বাচনী মাঠে। এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করতে চান। আয়ের উৎস হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিনয় ও পরিচালনার কথা নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা সম্ভাব্য অর্থপ্রাপ্তির উৎস ও ব্যয় বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনের জন্য কারও কাছ থেকে আর্থিক কোন অনুদান বা ধার নিচ্ছেন না। নিজের আয়ের অর্থেই পুরো ব্যয় পরিচালনা করবেন। নির্বাচনী প্রচারে এক লাখ পোস্টার করবেন তিনি। ছাপাতে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই লাখ টাকা। নির্বাচনী অফিস করবেন ২০টি। লিফলেট দুই লাখ। হ্যান্ডবিল দুই লাখ। ৩৬টি নির্বাচনী ব্যানার ও ৫০টি পথসভা করার কথা কমিশনের কাছে উল্লেখ করেছেন তিনি। টিভি পর্দায় জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের অন্যতম তিনি। কিন্তু রাজনীতির মাঠে একেবারেই নতুন বলা চলে। আওয়ামী লীগের সমর্থনে যদিও একবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন দেয়া হয়নি। তাই ভোটের মাঠে কতটুকু মানুষের মন জয় করতে পারবেন তাই দেখার বিষয়। তবে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছেন।

নাদের চৌধুরীর আর্থিক সহযোগিতায় ভাই-ভায়রা ॥ টিভি পর্দায় জনপ্রিয় অভিনেতা নাদের চৌধুরী। তাকে দেখলেই মনে পড়ে বিটিভির এক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক বারো রকমের মানুষ নাটকে অভিনয়ের কথা। অভিনয় দিয়ে মানুষের মন জয় করেছেন ঠিকই। কিন্তু রাজনীতির মাঠেও আছে বারো রকমের মানুষ। ভোটের ক্ষেত্রে তাদের সবাইকে কতটুকু জয় করতে পারবেন খ্যাতিমান এ অভিনেতা? সে যাই হোক। তবে চেষ্টার কোন ত্রুটি হয়তো করবেন না তিনি। ইতোমধ্যে জাসদের সমর্থন নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন। মেয়র হতে নিজের ব্যবসার আয় থেকে ব্যয় করবেন পাঁচ লাখ টাকা। ভায়রা আব্দুল আজিজ দিচ্ছেন, আরও পাঁচ লাখ। ভাই হোসেন বক্স ৫ লাখ, ধার হিসেবে নিচ্ছেন পাঁচ লাখ, স্বেচ্ছাদান ও অন্য উৎস মিলিয়ে আরও ১০ লাখ। সব মিলিয়ে তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী ব্যয় ৩০ লাখ টাকা। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এক লাখ পোস্টার, ১২টি নির্বাচনী ক্যাম্প, ৪০টি অফিস, ৫ লাখ লিফলেট, এক লাখ হ্যান্ডবিল, এক লাখ স্টিকার, ৩০০ ব্যানার ছাড়াও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারের জন্য সম্ভাব্য বরাদ্দ রেখেছেন দুই লাখ টাকা।

সাকির আর্থিক সহযোগিতায় স্ত্রী ও ভাই ॥ গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার মেয়র প্রার্থী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। নির্বাচনে নিজ ব্যবসার আয় থেকে সম্ভাব্য ব্যয় করবেন দুই লাখ টাকা। স্ত্রীর কাছ থেকে এক লাখ। স্ত্রী ও ভাই মিলে আরও তিন লাখ। অন্য আরও তিন জন দিচ্ছেন সাড়ে চার লাখ। ঘনিষ্ঠ আরও দু’জনের কাছ থেকে সম্ভাব্য অর্থ পাচ্ছেন সাড়ে ১০ লাখ। সমর্থকদের কাছ থেকে পাচ্ছেন ১০ লাখ। সব মিলিয়ে তাঁর নির্বাচনী ব্যয় ৩০ লাখ টাকা।

৫৮ লাখ টাকা ব্যয় করবেন জামান ॥ নির্বাচনে প্রচারের জন্য নয় লাখের বেশি পোস্টার করছেন মেয়র প্রার্থী মোঃ জামান ভূঞা। সম্ভাব্য ব্যয় ঠিক করেছেন ৫৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজের ব্যবসার আয় থেকে চার লাখ। ফুফাতো ভাই দিচ্ছেন পাঁচ লাখ ৩০ হাজার। দুই আত্মীয়ের কাছ থেকে পাচ্ছেন ১৫ লাখ। ধার হিসেবে নিচ্ছেন ১২ লাখ টাকা। স্বেচ্ছায় দান হিসেবে নিচ্ছেন ১২ লাখ। অন্যান্য উৎস থেকে আরও ১০ লাখ টাকা পাচ্ছেন।

আনিসুজ্জামানের আর্থিক সহযোগিতায় শ্যালিকা ॥ মেয়র প্রার্থী মোঃ আনিসুজ্জামের আর্থিক সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন তাঁর শ্যালিকা। তিনি দিচ্ছে দুই লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা। প্রার্থী নিজে ব্যবসার আয় থেকে খরচ করবেন পাঁচ লাখ টাকা। বোন জাহানারা হক দিচ্ছেন আরও দুই লাখ। আমজাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি ধার হিসেবে দিচ্ছেন পাঁচ লাখ টাকা। দান হিসেবে পাচ্ছেন এ লাখ টাকা।

মাহীকে মান্নান দিচ্ছেন ২০ লাখ টাকা ॥ মেয়র নির্বাচনে বিকল্প ধারার সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীকে ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছেন দলের মহাসচিব ও বিশিষ্ট শিল্পপতি মেজর অব. আব্দুল মান্নান। বাবা ডা. একিউএম বদরোদ্দোজা চৌধুরী দিচ্ছেন সাত লাখ টাকা। মা হাসিনা ওয়ার্দা চৌধুরী দিচ্ছেন আরও সাত লাখ। মাহী তাঁর নিজ ব্যবসার আয় থেকে খরচ করবেন এক লাখ টাকা। নির্বাচনী প্রচারণায় ৫০ হাজার পোস্টার, শতাধিক ক্যাম্প, তিন লাখ লিফলেট, এক লাখ স্টিকার, ১৪০টি ব্যানার, ৩০টি পথসভা করবেন তিনি। টেলিভিশন প্রচারণার জন্য সম্ভাব্য ব্যয় ধরেছেন পাঁচ লাখ টাকা।

বাহাউদ্দিন বাবুল ॥ জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল। দলটির কেন্দ্রীয় নেতাও তিনি। মেয়র নির্বাচনে নিজের অর্থ ব্যয় করবেন চার লাখ। চাচাতো ভাই বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে নিচ্ছেন ২০ লাখ টাকা। আনোয়ার কবীর চিশতী নামে এক ব্যক্তি দিচ্ছেন ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে সম্ভাব্য নির্বাচনী ব্যয় ৩৯ লাখ টাকা। তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করে করবেন দুই লাখ পোস্টার, ৫০ হাজার লিফলেট, ৩৬টি নির্বাচনী ক্যাম্প, ৫০ হাজার হ্যান্ডবিল, ১০ হাজার স্টিকার, ব্যানার ১৩৬টি, ১০০ পথসভা করবেন তিনি। মিডিয়া প্রচারের জন্য বরাদ্দ রেখেছেন অর্ধলাখ টাকা।

মার টাকায় নির্বাচন করবেন ববি হাজ্জাজ ॥ বাংলার প্রিন্স হিসেবে খ্যাত মুসা বিন সমশের। গোটা বিশ্বে ধনকুবের হিসেবে যার পরিচিতি। তারই ছেলে ববি হাজ্জাজ। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক বিশেষ উপদেষ্টা ছিলেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাকে পদ থেকে বহিষ্কার করেন এরশাদ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন তিনি। এজন্য নিজের কোন অর্থ ব্যয় করতে চান না এ শিল্পপতি। নির্বাচনে খরচ যোগাচ্ছেন তাঁর মা। মা কানিজ ফাতেমা চৌধুরী নিজের ব্যবসার আয় থেকে সন্তানকে দিচ্ছেন ৫০ লাখ টাকা। এ অর্থে চার লাখ পোস্টার, ২০টি নির্বাচনী ক্যাম্প, ঘরোয়া বৈঠক, পাঁচ লাখ লিফলেট, চার লাখ হ্যান্ডবিল, ৫০ হাজার স্টিকার ছাপবেন তিনি। টেলিভিশন প্রচারের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে আড়াই লাখ টাকা। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

তাবিথ আউয়ালকে টাকা দিচ্ছেন মা ও স্ত্রী ॥ বিশিষ্ট শিল্পপতি ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল। আদালতে গিয়েও নির্বাচন করতে পারলেন না মিন্টু। আপিলেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি তিনি। বিকল্প হিসেবে উত্তরে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির শেষ ভরসা তাবিথ। তবে মাহী বি চৌধুরীর বিএনপির সমর্থন চান। তাবিথ নিজের ব্যবসার আয় থেকে নির্বাচনে ব্যয় করবেন ২৫ লাখ টাকা। স্ত্রীর কাছ থেকে নিচ্ছেন ১০ লাখ। মা নাসরিন ফাতেমা আউয়াল দিচ্ছেন ১৫ লাখ টাকা। প্রচারের জন্য চার লাখ পোস্টার, ২৫টি নির্বাচনী ক্যাম্প, ১০ লাখ লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও স্টিকার সাড়ে সাত লাখ, পাঁচ শতাধিক ব্যানার, ১৪২ পথসভাসহ মাইকিং ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার টাকা।

নিজের অর্থে নির্বাচন করছেন না ইরাদ ॥ সাবেক বিএনপি নেতা তানভীর আহম্মদ সিদ্দিকীর ছেলে ইরাদ আহম্মদ সিদ্দকী। নির্বাচনী খরচে নিজস্ব কোন তহবিল নেই তার। পারিবারিক আয় থেকে খরচ করবেন ৪৫ লাখ টাকা। এক লাখ পোস্টার, ১৮টি নির্বাচনী ক্যাম্প, এক লাখ লিফলেট ও এক লাখ হ্যান্ডবিল করবেন তিনি।

ভাড়ায় টাকায় শহীদুল্লার নির্বাচন ॥ বাড়ি, দোকান ভাড়া ও কৃষি জমি থেকে আয়ের অর্থে নির্বাচন করছেন কাজী মোঃ শহীদুল্লাহ। ব্যয় করবেন সাত লাখ টাকা। ৩০ হাজার পোস্টার, চারটি ক্যাম্প, আট লাখ লিফলেট ও এক লাখ হ্যান্ডবিল করার প্রস্তুতি রয়েছে।

পারিবারিক বিনিয়োগ কামরুলের ॥ মেয়র প্রার্থী কামরুল ইসলামের নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে পাশে দাঁড়িয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তিনি নিজের চাকরির আয় থেকে ব্যয় করবেন দুই লাখ টাকা। স্ত্রী, ভগ্নি ও ভগ্নিপতির কাছ থেকে নিচ্ছেন ১৩ লাখ টাকা। সৈয়দ জাহাঙ্গীর হায়দারের কাছ থেকে নিচ্ছেন ১০ লাখ। প্রচারের জন্য ৩০ হাজার পোস্টার, ১০টি ক্যাম্প, এক লাখ লিফলেট, তিন লাখ হ্যান্ডবিল, ২০ হাজার স্টিকারসহ ১৫টি পথসভা করার প্রস্তুতি রয়েছে তার।

দলীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন ক্বাফী ॥ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী। অবসরে যাওয়ার পর চাকরি থেকে পাওয়া পাঁচ লাখ টাকা খরচ করবেন তিনি। স্ত্রী তাহমিনা ইয়াসমিন দিচ্ছেন পাঁচ লাখ টাকা। দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমদ দিচ্ছেন ১১ লাখ টাকা। প্রচারের জন্য এক লাখ পোস্টার, নয়টি নির্বাচনী ক্যাম্প, পাঁচ লাখ লিফলেট, এক লাখ স্টিকারসহ ১০০ ব্যানার করার প্রস্তুতি আছে।

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল ২০১৫

১০/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন



ব্রেকিং নিউজ: