রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

আলপন ॥ আমার চোখে কাউকে নায়ক মনে হয়নি

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল ২০১৫
  • -রিজিয়া রহমান, কথাসাহিত্যিক

যে বই বারবার পড়ি

অনেক বই-ই তো আছে। ছোটবেলায় এক সময় ঠাকুরমা’র ঝুলি পড়েছি অনেকবার। বড় হয়ে পড়েছি বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালী’। এ সময়ে এসে রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ ও তলস্তয়ের ‘ওয়ার এ্যান্ড পিস’ সুযোগ পেলেই পড়ি।

যে বই এখনও হয়নি পড়া

অনেক বই-তো পড়া হয়নি এখনও। পড়ার ইচ্ছে ছিল, ইচ্ছে আছে; তবে সুযোগ পাইনি, সুযোগ পাই না।

যে চলচ্চিত্র দাগ কেটে আছে মনে

ছোটবেলায় ‘রোমান হলিডে’ ছবিটা খুব মনে দাগ কেটেছিল। বড় হয়ে সেই দাগের পাশে আরেকটি দাগ কেটেছে সত্যজিতের ‘পথের পাঁচালী’।

সিনেমার যে নায়ক আমার চোখে নায়ক

ছবি বরাবরই আমি কম দেখি। সিনেমায় অনেক নায়ক আছে। তারা সিনেমার নায়ক হতে পারে। এদের মধ্যে আমার চোখে কাউকে নায়ক মনে হয়নি।

যে গান গুনগুন করে গাই

আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবন ভরাÑ এই গানের সুর ও কথাগুলো মনের মাঝে বাজে।

প্রিয় যে কবিতার পঙ্ক্তিটি মনে পড়ে মাঝে মাঝে

যখন কলেজে পড়তাম, তখন সুকান্তের একটি কবিতা আন্দোলিত করছিল। ‘ঘরে তোলো ধান, বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে, গাও সারিগান, হাতিয়ারে শাণ দাও আজ উদয়াস্তে...’ কবিতাটি আজও মনে পড়ে।

খ্যাতিমান যে মানুষটি আমার বড় প্রিয়

এ তালিকায় দুইজন মানুষ আছেন আমার। প্রথমজন রবীন্দ্রনাথ। অন্যজন মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

যে ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না

ঢাকা শহরে আবার ফুলের গন্ধ পাব কোথায়? ধুলা আর ধোঁয়ায় ঢাকা, এ ঢাকা শহরে ফুলের গন্ধ পাওয়া যায় না। যতটুকু পাওয়া যায় তা ডাস্টবিনের বাসি-পচা ফুলের গন্ধ। এসব উৎকট গন্ধে ঘুম ছুটে যায়। তবে যদি বল, আমার চিরকালের প্রিয় ফুল কোনটা, তবে বলব কামিনী ও হাস্নাহেনা।

যা খেতে ভালোবাসি খুব

হায়রে! ডায়াবেটিসের জন্য মিষ্টি খাওয়া মানা। যদি পারতাম তবে বাজারের সব মিষ্টি খেয়ে ফেলতাম। হা হা হা...

যা সহ্য করতে পারি না একেবারেই

এক শব্দে বলতে গেলেÑ মিথ্যাচার

জীবনে যার কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী

আমার মায়ের কাছে

যেমন পুরুষ আমার পছন্দ

এ তো বলা বড় মুশকিল। এ বয়সে আবার পছন্দের পুরুষের কথা কী বলব? তবে দায়িত্বশীল, সৎ, কর্মক্ষম, উদার এবং স্নেহপ্রবণ পুরুষ আমার স্বপ্নের পুরুষের গুণাবলী।

যেখানে যেতে ইচ্ছে করে

যেখানে আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা...

যেভাবে সময় কাটাতে সবচেয়ে ভালো লাগে

বই পড়ে, লেখালেখি করে...

যে স্বপ্নটি দেখে আসছি দীর্ঘদিন ধরে

বাংলাদেশে বহু পথশিশু, গ্রামীণ বিত্তহীন শিশু খাবার বা পুষ্টি পায় না। সুবিধা-বঞ্চিত এসব শিশুরা পেট ভরে খেতে পারবে, যথাযথ পুষ্টি পাবে, শিক্ষা পাবে, সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠবেÑ এমনটাই প্রত্যাশা। জানি না, মৃত্যুর আগে এমনটা দেখে যেতে পারব কি-না।

যে কারণে আমি লিখি

এক সময় ভালো লাগা থেকে লিখতাম। এখন পত্রিকাগুলোর তাগাদা থেকে লিখি। হা হা হা...

নিজের যে বইটির প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আছে

একজন লেখকের পক্ষে এ প্রশ্নের উত্তর দেয়া মুশকিল। তবে একান্তভাবেই যদি বলতে হয়, সেক্ষেত্রে আমার ‘বাঘবন্দি’ বইটির কথা বলব।

ভালোবাসা মানে আমার কাছে

কঠিন প্রশ্ন। আমার কাছে ভালোবাসার মানে আছে এবং নেই।

আমার চোখে আমার ভুল

অজস্র। বলে শেষ করা যাবে না।

জীবনে যা এখনও হয়নি পাওয়া

মৃত্যু

যে স্মৃতি এখনও চোখে ভাসে

শৈশবের একটা স্মৃতি এখনও বহন করছি আমি। ৪৭-এর দেশভাগের সময় কলকাতা ছেড়ে কোন এক ভোরবেলায় পুরো পরিবার মিলে চলে এসেছিলাম এপার বাংলায়।

যা হতে চেয়েছিলামÑ পারিনি

একজন পারফেক্ট মানুষ

জীবনের এ প্রান্তে এসে যতটা সফল মনে হয় নিজেকে

এ সময়ে এসে সফলতা-বিফলতা নিয়ে ভাবি না। তবে পৃথিবীর রূপ, রস, গন্ধ, আলো, বাতাসÑ যতটুকু উপলব্ধি করতে পারছিÑ এটাই আমার সফলতা। আরও আগেও তো মরে যেতে পারতাম। তাই না?

যা ভালো লাগে- পাহাড় নাকি সমুদ্র?

দুটোই। তবে সমুদ্র বেশি ভালো লাগে। সমুদ্রের বিশালতা, এর অভাবনীয় সৌন্দর্য বড় টানে আমাকে।

যেটা বেশি টানে- বর্ষার বৃষ্টি নাকি শরতের নীলাকাশ?

বর্ষার বৃষ্টি ভালো লাগে ঠিকই, তবে শরতের নীল আকাশ বেশি ভালো লাগে। শরতের আকাশে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘের একটা নির্মল সৌন্দর্য আছে।

সাক্ষাতকার : অঞ্জন আচার্য

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল ২০১৫

১০/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: