মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

সাঈদ খোকনের নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতীক ছাড়া প্রচারের প্রথম দিনেই মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকন। বিএনপির কাউকে প্রচারে দেখা না গেলেও দলটির নেতা ও মেয়র প্রার্থী আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, দল থেকে সমর্থন পাওয়া মির্জা আব্বাস প্রকাশ্যে এলে ৯ এপ্রিলের পর মাঠে নামবেন তারা। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী প্রবেশমুখে পথসভা করার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন সাঈদ খোকন। সেখানে সমবেতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ঢাকা সিটি কর্পোরেশন একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এটা মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত।

দীর্ঘদিন যাবত এই সেবা ঝিমিয়ে পড়েছে। এ কারণে মানুষকে নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমি যদি আপনাদের ভোটে মেয়র নির্বাচিত হতে পারি তাহলে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আবার সেবা সংস্থা হিসেবে গড়ে তুলব। ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত মোহাম্মদ হানিফের কথা স্মরণ করে তার ছেলে খোকন বলেন, আমার বাবা মানুষের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। আমিও মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করব। হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার কারণও ব্যাখ্যা করেন সাইদ খোকন।

তিনি বলেন, এই ফ্লাইওভার জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সাক্ষী হয়ে আছে, সঙ্গে আমার বাবার আত্মত্যাগেরও সাক্ষী হয়ে আছে। এখান থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে আমি বলতে চাই- ঢাকাবাসী আসুন, উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত হোন। আমি আমার পিতার আদর্শের অনুসারী হিসেবে ঢাকার জন্য জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আপনারা এখানে যারা আছেন, তারা ঢাকাবাসীর কাছে আমার জন্য ভোট চাইবেন।মেয়র নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনে নাগরিক সেবা পেতে বিড়ম্বনার অবসান করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, এই যেমন আমরা বিভিন্ন সনদ আনতে সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে হয়রানির মুখে পড়ি। আমি মেয়র হলে এসব থাকবে না। টোল কাউন্টারের পাশে সাঈদ খোকনের প্রচার শুরুর এই আনুষ্ঠানিকতার সময় ফ্লাইওভার থেকে গাড়ি বেরোনো কিছুক্ষণের জন্য আটকে যায়। পরে ফ্লাইওভারের বাইরের ফটকের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন সাঈদ খোকন ও তার সঙ্গীরা। সেখানেও কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি আটকে যায়। পরে ফ্লাইওভারের পশ্চিম পাশে চাঁনখারপুলে এসে প্রচার চালান খোকন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির চার নেতা ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রার্থিতায় রয়েছেন। এদের মধ্যে ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। নাশকতার মামলার আসামি আব্বাসকে এখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের পাশাপাশি বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সাবেক সদস্য সচিব আবদুস সালাম এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপনও প্রার্থী হয়েছেন। কাজী আবুল বাশার নামে এক প্রার্থীও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই প্রার্থীদের কাউকেই এদিন নির্বাচনী প্রচারে দেখা যায়নি। কেন প্রচারে নামেননি জানতে চাইলে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আমাদের পার্টির তরফ থেকে অন্য একজন প্রার্থীর সম্ভাব্যতার কথা বলা হয়েছে। আজ আমি প্রার্থী হিসেবে থাকলেও জনগণের কাছে ভুল ম্যাসেজ দেয়া এড়াতে আমি নামছি না। আমরা একটি ইউনিফর্ম ম্যাসেজ দিতে চাই।

আমি কেন প্রচার চালাব- কারণ আমি একটি ইঙ্গিত পেয়েছি। আমাদের তিনজন কোন না কোনভাবে নামতেন, তাহলে কী বার্তা যেত? আমি তো ব্যক্তিগতভাবে বাজারঘাটও করতে যাচ্ছি না। বাজারে গেলে কেউ হয়ত সালাম দিবে; দোকানদার বলবে, ভাই আপনি দাঁড়াইছেন খুশি হয়েছি। ৯ তারিখের আগে বাজারেও যাব না। তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস ভাইয়ের কথা বলা হচ্ছে। তিনি আমার সিনিয়র, স্থায়ী কমিটির সদস্য। শত নাগরিক কমিটির পক্ষে তাকে সমর্থন দেওার কথা বলা হয়েছে। এখানে দলের একটি অনুমোদন আছে বলে আমি মনে করি।

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫

০৮/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: