আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মাহিদুর ও চুটুর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫
  • যুদ্ধাপরাধী বিচার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের মাহিদুর রহমান এবং আফসার হোসেন চুটুর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা জেডএম আলতাফুর রহমানকে আসামিপক্ষের জেরা শেষ হয়েছে। রবিবার আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে আরেক মামলায় বাগেরহাটের তিন রাজাকার শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টার, আব্দুল লতিফ তালুকদার ও খান আকরাম হোসেনের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যে উঠে আসা জীবিত অন্য রাজাকার কমান্ডারদেরকে আসামি করা হয়নি কেন তা জানতে চেয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে সোমবার। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামরায় পটুয়াখালীর রাজাকার ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা ৯ এপ্রিল ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ আদেশগুলো প্রদান করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের মাহিদুর রহমান এবং আফসার হোসেন চুটুর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা জেরা শেষ হয়েছে। সাফাই সাক্ষীর জবানবন্দীর জন্য রবিবার দিন ধার্য করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুালে অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম।

প্রসিকিউশন পক্ষের দশম ও শেষ সাক্ষী জেডএম আলতাফুর রহমানকে মঙ্গলবার জেরা শেষ করেছেন মাহিদুর-আফসারের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম। প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান। ২৭ জানুয়ারি থেকে মাহিদুর-আফসারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশনপক্ষের অন্য সাক্ষীর হলেনÑ মোঃ আহসান হাবীব, মোঃ মহিবুল হক, রইস উদ্দিন, জাকারিয়া, মোঃ মোখলেসুর রহমান, মোঃ ফসি আলম সান্টু, মোঃ খুদি, মহসীন আলী ও দাউদ হোসেন। অন্যদিকে সাফাই সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনাল দুইজনকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য অনুমতি দিলেও মাহিদুরের পক্ষে একজন সাফাই সাক্ষ্য দেবেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষ। আফসারের পক্ষে কোন সাফাই সাক্ষী নেই।

তিন রাজাকার ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টার, আব্দুল লতিফ তালুকদার ও খান আকরাম হোসেনের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যে উঠে আসা জীবিত অন্য রাজাকার কমান্ডারদেরকে আসামি করা হয়নি কেন তা জানতে চেয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে সোমবার। চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মঙ্গলবার এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।

মঙ্গলবার আসামিপক্ষের শেষ দুই সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তারা হচ্ছেনÑ তৃতীয় সাক্ষী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার খালকোলা গ্রামের আব্দুর রশিদ মল্লিক (৬৭) এবং চতুর্থ সাক্ষী কচুয়া উপজেলার যশোরদী গ্রামের ইউসুফ আলী ডিহিদার (৭৮)। দু’দিনই সাফাই সাক্ষীদের জেরা করেন প্রসিকিউটর সাইয়েদুল হক সুমন। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ।

শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টারের পক্ষে কোন সাফাই সাক্ষী নেই। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ২২ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালেও ট্রাইব্যুনাল চারজন সাফাই সাক্ষীকে অনুমতি দেন। সিরাজ মাস্টারের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আবুল হাসান এবং খান আকরাম হোসেন ও আব্দুল লতিফ তালুকদারের আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর সরোয়ার হোসেন ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল ২০১৫

০৮/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: