মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কুয়েত এয়ারের ক্রু স্বর্ণসহ গ্রেফতার

প্রকাশিত : ৫ এপ্রিল ২০১৫, ০১:৪৬ এ. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তিনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের বংশজাতক। নাম আসলাম ওমর বেলিম। বিদ্যা-বুদ্ধিতেও পাকা। ওভার স্মার্ট। জড়িয়ে আছেন ক্রীড়াঙ্গনেও। মূল পেশায় কেবিন ক্রু। চাকরি করেন কুয়েত এয়ারওয়েজে। বেতন-ভাতাদি যা পান তা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের তুলনায় অনেক বেশি। যথেষ্ট বিত্তবান। তার সমীচীন হয়নি এতটা নিচে নামা। অন্য আর দশ জন কেবিন ক্রুর মতো তিনিও জড়িয়ে পড়েন সোনা চোরাচালানে। শনিবার ভোরে যখন তাঁকে আটক করা হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, মুহূর্তেই খবর রটে যায়। জড়ো হয় বিপুলসংখ্যক সংবাদকর্মী। আটকের পর থেকেই তদ্বিরের পর তদ্বির। কিন্তু অভিযোগ থেকে রেহাই মিলেনি। শুল্ক গোয়েন্দারা তার বিরুদ্ধে শুল্ক আইনেই মামলা দায়ের করেন। উপর মহলের তদ্বিরের চাপে তার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় রাত আটটা পর্যন্ত তাকে আটক রাখা হয় কাস্টমস হলে। এ নিয়ে চলে তোলপাড়। শেষ পর্যন্ত তাকে থানাতেই পাঠানো হয়।

শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক ডক্টর মইনুল খান জানান, তার শরীর তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ৫৪৮ গ্রাম। আসলাম ওমর বেলিম (৪৫) শনিবার ভোর সাড়ে ৫টায় কুয়েত এয়ারওয়েজের কেইউ-২৮৩ ফ্লাইটে কুয়েত থেকে ঢাকা আসেন। রাত আটটায় মামলা দায়েরের পর তাকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়।

বিমানবন্দর শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী কমিশনার উম্মে নাহিদা আক্তার জানান, তার কাছে সোনা রয়েছে এমন তথ্য আগেই ছিল। এরই সূত্র ধরে ফ্লাইটটি অবতরণের পর আসলামকে কর্ডন করে নিয়ে আসা হয় কাস্টমস হলে । এখানে তার শরীর তল্লাশি করে সোনাগুলো পাওয়া যায়। তার কাছে প্রতিটি ১০ তোলা ওজনের চারটি সোনার বার এবং ৮২ গ্রাম ওজনের সোনার অলঙ্কার পাওয়া যায়। উদ্ধার এসব সোনার যার বাজার মূল্য ২৫ লাখ টাকা।

প্রকাশিত : ৫ এপ্রিল ২০১৫, ০১:৪৬ এ. এম.

০৫/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: