মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খোকন ও মিলনকে ইসির শোকজ

প্রকাশিত : ৫ এপ্রিল ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের খাঁড়ায় পড়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকন। শুক্রবার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জুমার নামাজ এবং সংসদ সদস্যের বাড়িতে নেতাকর্মীদের নিয়ে দাওয়াতে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। রাজধানীর লালবাগের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিমের বাড়িতে দাওয়াতে অংশগ্রহণ নেয়ার একদিনের মধ্যে শনিবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সাঈদ খোকনের প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সাইফুদ্দিন মিলনকেও কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ জানিয়েছেন।

২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগে পোস্টার সাঁটানোর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে মিলনের কাছে। যিনি সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছিলেন। সাঈদ খোকন ও মিলন দুজনকেই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

শুক্রবার পুরান ঢাকার চকবাজার শাহী জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের দুই নেতা সাঈদ খোকন ও হাজি সেলিম বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সামনে আসেন। এরপর হাজি সেলিমের বাড়িতে খেতে যান সাঈদ খোকন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু এবং লালবাগের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ এবং ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগকেও সেখানে দেখা যায়। নোটিসের বিষয়ে সাঈদ খোকনের ব্যক্তিগত সচিব সুমন শনিবার দুপুরে বলেন, তিনি খবরটি শুনেছেন, তবে এখনও কোন চিঠি হাতে পাননি। ওই দাওয়াতের বিষয়ে ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে খোকন বলেন, সেলিম ভাইয়ের দাওয়াত ছিল, আর আমরা দুজন সেখানে যাওয়ায় কেউ কেউ এসেছিলেন।

সাঈদ খোকনের পাশাপাশি হাজি সেলিমও মেয়র পদে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত সাঈদ খোকনের পক্ষে যাওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেননি তিনি। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন সেলিম। ফিরে এসে যোগ দেন সংসদে। এর আগে তাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বলেন। বৃহস্পতিবার দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেলিম-খোকন এক হন। খোকনের পক্ষে নগরবাসীর কাছে ভোট চান সেলিম। এর মধ্য দিয়ে নিজেদের মধ্যে কোন মান অভিমান নেই, তাই প্রমাণ করার চেষ্টা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী ৭ এপ্রিলের পর ভোট চাওয়ার সুযোগ রয়েছে প্রার্থীদের। আর ১০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর কথা রয়েছে।

প্রকাশিত : ৫ এপ্রিল ২০১৫

০৫/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: