কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মাছের নিজের কি শক লাগে!

প্রকাশিত : ৩ এপ্রিল ২০১৫

ইলেক্ট্রিক ঈল বা বিদ্যুত মাছ, এক ধরনের বিশেষ মাছ। এর এক বিশেষ অঙ্গ আছে যা থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত হয়। পৃথিবীতে আরও অনেক প্রাণী আছে যারা চারপাশের পরিবেশ বুঝার এবং প্রণয়ের মতো ব্যাপরগুলোতে মনের ভাব আদান প্রদানের জন্য নিজেদের শরীরের বিদ্যুত প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে থাকে। তবে ইলেক্ট্রিক ঈল, ইলেক্ট্রিক রে ও ইলেক্ট্রিক ক্যাটফিশসহ অল্প কিছু প্রজাতি আছে যারা শরীর থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটিয়ে অন্যান্য মাছকে অচেতন করে বা ধাঁধা লাগিয়ে দেয়। অথচ এরা নিজেরা কখনই বিদ্যুতের শক্ অনুভব করে না।

কেন করে না? শরীরের সাইজের জন্যই হয়ত বা। একটা বৈদ্যুতিক ঈল ৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা এবং ৫০ পাউন্ড পর্যাপ্ত ওজনের হয়ে থাকে। যারা এর বৈদ্যুতিক শকের শিকার হয় তাদের চেয়ে এই ঈল আকারে ঢের বড়। ঈলের বিদ্যুত শকের মাত্রা হয় ৬৫০ ভোল্ট পর্যন্ত। এতে খোদ ঈলের শরীরের তেমন কোন ক্ষতি হয় না।

অবশ্য পানিতে না থাকলে এই মাছ তার নিজের শক্তির কাছে নিজেই শিকার হয়ে দাঁড়াতে পারে। শোনা যায় যে, পানি থেকে টেনে তোলার সময় বৈদ্যুতিক ঈলের শরীরে আক্ষেপ ঘটে। সেটা সম্ভবত এই কারণে হয় যে, পানি থেকে উঠানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিদ্যুতপ্রবাহ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে না বরং তা মাছের ভেজা চামড়া বেয়ে প্রবাহিত হয় এবং তাতে করে শরীরে আরও ঘনীভূত শক্ সৃষ্টি হয়। জেমস গ্যালান্ট নামে এক প্রাণিবিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা গেছে যে, বেশকিছু প্রজাতির বিদ্যুত উৎপন্নকারী মাছের জিনে এমন ধরনের কাঠামোগত প্রোটিন থাকে যা তাদের বিদ্যুত সৃষ্টিকারী অঙ্গকে অপরিবাহী করে রাখে।

তাই ইলেক্ট্রিক ঈলের নিজের গায়ে বিদ্যুতের শক্ লাগে না।

সূত্র : এ্যানিমেল সায়েন্স

প্রকৃতি ও বিজ্ঞান ডেস্ক

প্রকাশিত : ৩ এপ্রিল ২০১৫

০৩/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: