মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

উইল স্মিথে ফোকাস

প্রকাশিত : ২ এপ্রিল ২০১৫
  • শাহেদ পোলেন

প্যারাস্যুট অফ হ্যাপিনেজ এ উইল স্মিথের অনবদ্য অভিনয় কে বা ভুলতে পারে। ছেলেকে নিয়ে এখানে-ওখানে আশ্রয় খুঁজে ফেরা, পাশাপাশি নিজের মেডিক্যাল যন্ত্রাংশ বিক্রির কাজ এবং একটা স্থায়ী চাকরির খোঁজে নিরন্তর চেষ্টা। এ ছবি দেখে চোখের জল আটকে রাখতে পেরেছেনে এমন মানুষ খুব কমই আছেন।

হিপহপ মিউজিক, টেলিভিশন সিরিজে অভিনয়ের পথ ঘুরে উইল স্মিথের ফিল্মে অভিষেক সে ১৯৯২ তে ‘হোয়ার দ্য ডে টেকস ইউ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে। সেই থেকে শুরু, একে একে উপহার দিয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে, মেনইন ব্যাক, ইনিমি অ্যাট দ্য স্টেটস, আই অ্যাম লিজেন্ড, আলি, হ্যাংককসহ অসংখ্য চলচ্চিত্র। পেয়েছেন দর্শক সমালোচকদের অকুণ্ঠ ভালবাসা ও সমর্থন।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হলিউডের বড় পর্দায় মুক্তি পেল স্মিথের নতুন ছবি ‘ফোকাস’। রোমান্টিক ডার্ক এই ছবির মাধ্যমেই ২০১৫ তে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় হাজির হলেন স্মিথ। আর শুরুতেই সাফল্য। ৫০ মিলিয়ন বাজেটের এ ছবি গত ২২ মার্চ পর্যন্ত আয় করেছে ১২০ মিলিয়ন ডলার। তাই নিশ্চয়ই আপাতত স্বস্তি বোধ করছেন স্মিথ। খানিক যে দুঃসংবাদ নেই তা নয় কিন্তু। বাদ পরেছেন ২০১৬ তে মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’ থেকে। অবশ্য এতে তেমন আশাহত নন তিনি কারণ সিনেমার চিত্রনাট্যকার ডিন ডেভলিন এবং রোনাল্ড এমারিখের মতে এই সিকুয়্যালের সময়ের সঙ্গে চরিত্রকে খাপ খাওয়াতে বাদ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি উইল স্মিথ ও তার স্ত্রী জাডা পিঙ্কেট স্মিথের একটি চুম্বন দৃশ্য বেশ আলোড়ন তুলেছে। “‘ফোকাস’ -এর প্রিমিয়ারে হাজির হয়েছিলেন এ দম্পতি। সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। অবশ্য মিডিয়া এটিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে নেয়নি বরং তাদের শক্ত বন্ধনের বিষয়েই নিশ্চিত হওয়া যায় এ থেকে। এ ছবিতে উইল স্মিথ, তার স্ত্রী জাডার পরের ছবি ‘ম্যাজিক মাইক এক্স এক্স এল’ সম্পর্কে উপস্থিত দর্শকদের ধারণা দেন।

সাফল্যের এ পথ কিন্তু কখনও এত মসৃণ ছিল না উইল স্মিথের। বরং প্যারাস্যুট অফ হ্যাপিনেজের মতোই সংগ্রাম ছিল এ জগতেও। এমনই একটি উদাহরণ ‘আফটার আর্থ’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। এমনই এক মুহূর্তে তার বাবার ক্যান্সার ধরা পড়ে। স্মিথের ভাষায় এটিই আমার জীবনে সবচাইতে বেদনাদায়ক ব্যর্থতা যা কিছুতেই ভুলে যাওয়ার মতো নয়।

নিজে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতা। বর্ণবাদ নিয়ে তার বক্তব্য থাকবে না তা কি হয়? ২০০৮ সালে বারাক ওবামার নির্বাচনে জয়লাভের পর স্মিথ বলেন আমেরিকা কোন বর্ণবাদী রাষ্ট্র নয়, হ্যাঁ সেখানে কিছু বর্ণবাদী থাকতে পারে কিন্তু পুরো রাষ্ট্র বর্ণবাদকে প্রতিনিধিত্ব করে না। হলিউডের ক্ষেত্রে অবশ্য একই বক্তব্য একটু ভিন্ন আঙ্গিকে দেন তিনি। তিনি বলেন হলিউড বর্ণবাদী নয় বরং তারা ব্যবসাকেন্দ্রিক। তাদের মাথায় থাকে লগ্নি করা টাকা কিভাবে উঠে আসবে সে বিষয়টি। মজা করে বললেন, হলিউড ব্যাক বা হোয়াইট কোনটাই নয়, হলিউড সবসময় গ্রিন।

প্রকাশিত : ২ এপ্রিল ২০১৫

০২/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: