আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৫

মশার উপদ্রব

রাজধানীসহ সারাদেশে মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। কয়েল, স্প্রে আর মশার কয়েল ব্যবহার করেও এর আক্রমণ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না নগরবাসী। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন রাজধানীতে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ। রাজধানীর দু’টি সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের জন্য নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা থাকলেও তা এখন বন্ধ। শুধু ঢাকা শহরেই পাঁচ শতাধিক জলাশয় রয়েছে। জলাশয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে-অবহেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জলাশয়গুলো পরিষ্কার করার কারও কোন উদ্যোগ নেই। রাজধানীতে মশা ও মাছির উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ডোবা ও লেকগুলো কচুরিপানায় পূর্ণ হয়ে থাকায়, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতলের কারণে স্যুয়ারেজের পানি ঠিকমতো নামতে না পারায়, নদী খালের পানিতে অতিমাত্রায় দূষণের কারণে মশা ও মাছির এই উপদ্রব।

ভাঙ্গাচোরা রাস্তা, উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির ফলে সৃষ্ট গর্তে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায়ও মশার সৃষ্টি হয়। দুইটি সিটি কর্পোরেশনে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ৬৩৮ জন কর্মী রয়েছে। ফগার মেশিন রয়েছে ৫০০টি। পর্যাপ্তসংখ্যক লোকবল ও ব্যাপক সরঞ্জামাদি এবং যথেষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ থাকার পরও মশা নিধন কার্যক্রমে পুরোপুরি ব্যর্থ রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।

আবুল খায়ের ভূঁইয়া

হাজীপাড়া, রামপুরা, ঢাকা

অরক্ষিত খাদ্য গুদাম

পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া-ফরিদাবাদ এলাকার মিলব্যারাকের আলমগঞ্জ লেনে অবস্থিত সিএসডি গুদামগুলো আজ অবহেলিত এবং অরক্ষিত। সেই পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই গুদামগুলোতে এখনও চাল ও গম ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হলেও গুদামগুলোর অবস্থা করুণ এবং জরাজীর্ণ দেখার কেউ নেই।

ধীরে ধীরে গুদামগুলো অকেজো, বিধ্বস্ত এবং খাদ্যসামগ্রী রাখার অনুপযোগী হয়ে গেছে। নিরাপত্তা বাউন্ডারি বা দেয়ালগুলো সংস্কারের অভাবে ভাঙতে শুরু করছে। মিলব্যারাকের এই খাদ্য গুদামগুলোর অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে অপরিচিত লোকজন। অহরহ চুরি এবং উধাও হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী। এগুলো সংস্কার না করলে, খাদ্যসামগ্রী রাখা দুষ্কর। খাদ্য অধিদফতর এ ব্যাপারে একেবারে উদাসীন।

মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী,

ফরিদাবাদ-গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

সবই কি মূল্যহীন?

দেশকে গ্রাস করেছে যেন- অদ্ভুত এক আঁধার। পেট্রোলবোমা, ককটেল ছুড়ছে দুর্বৃত্তরা, পুড়ছে সাধারণ মানুষ। জীবিকার সন্ধানে পথে নেমে দগ্ধ মানুষের এত কান্না, এত আহাজারি, শান্তির জন্য নিপীড়িত মানুষের আহ্বান কানে তুলছেন না সহিংসতার রাজনীতির কুশীলবরা। বরং আরও লাশের রাজনীতির গোপন পরিকল্পনা প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে জনসমক্ষে।

জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও একাধিকবার আহ্বান জানানো হয়েছে সহিংসতা বন্ধের। যাদের প্রতি আহ্বান, তারা যেন অন্ধ, বধির, তাদের কানে যেন কিছুই পৌঁছে না!

নানা শ্রেণী-পেশার মানুষও বুঝে উঠতে পারছেন না, কোন পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, কবে হবে অনিশ্চয়তার সমাধান? অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বল্পআয়ের মানুষের দুশ্চিন্তা তীব্র হচ্ছে। খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষগুলো কাজের আশায় সাত সকালে বসে আছেন ফুটপাতে। সাধারণ মানুষের একটাই কথা, কিসের রাজনীতি, এই ঘৃণ্য রাজনীতি আমরা চাই না।

অমিত বণিক

কটিয়াদী,

কিশোরগঞ্জ

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৫

২৬/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: