কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পূবালী ব্যাংকের অবৈধ পরিচালকরা ফের পর্ষদে

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫
  • সাবেক পরিচালকের অভিযোগ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার না থাকায় পূবালী ব্যাংকের ৩০তম এজিএমের আট পরিচালকে অবৈধ ষোষণা করে হাইকোর্ট। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পর্ষদ গঠন করা হয়।

আগামী ৩১ মার্চ ৩২তম এজিএমে ফের তাদের রাখা হচ্ছে। মঙ্গলবার শুলশানে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ব্যাংকটির সর্ববৃহৎ শেয়ারহোল্ডার ও সাবেক পরিচালক শফি আহমেদ চৌধুরী।

শফি আহমেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক খাতের অন্যতম পূবালী ব্যাংকে আবারও নিজেদের চেয়ার ধরে রাখতে তৎপর হয়ে উঠেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ মজুমদার ও বেশ কয়েকজন পরিচালক।

সাবেক চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান ও হাফিজ আহমেদ মজুমদার দীর্ঘ এক যুগেরও অধিক সময় ধরে কয়েকজন অনুসারীকে নিয়ে ব্যাংকিং নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রবাসীদের অর্থে পরিচালিত এ ব্যাংকটিকে কুক্ষিগত করে রেখেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির নিয়মকে পাশ কাটিয়ে মেয়াদ শেষে লোক দেখানো এজিএম করে (নির্বাচন ছাড়া) ঘুরেফিরে তাঁরাই দায়িত্বে থেকেছেন। অথচ তাঁদের কারোরই পরিচালক পদে আসার যোগ্যতা নেই।

হাইকোর্টে অনিষ্পত্তি হওয়া মামলা চলমান থাকার মধ্যে ৩১ মার্চ ডাকা হয়েছে ৩২তম এজিএম। নিজ ব্যাংকের যোগ্যতাসম্পন্ন লোক থাকলেও অন্য কোম্পানির শেয়ারধারীদের নিয়ে ইতোমধ্যে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে আবারও তাঁরা পর্ষদে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাঁদের ক্ষমতার কাছে কোণঠাসা হয়ে ব্যাংকটির যোগ্যতাসম্পন্ন সাধারণ শেয়ারধারীগণ ব্যাংকটিতে ফিরতে পারছেন না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মতামত ছাড়াই নিয়মরক্ষার এজিএম (সাধারণ সভা) দেখিয়ে ফিরে আসছেন পর্ষদে। ৩০তম এজিএমের পূর্বে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার না থাকায় পূবালী ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচনে গঠিত কমিশন ১৪ আগস্ট উল্লেখিত আট পরিচালককে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করে।

পরবর্তীতে তাঁরা হাইকোর্টে গেলে গত বছরের ২০ আগস্ট কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেয় আদালত। পরদিনই কোন অপেক্ষা না করেই ব্যাংকের এজিএমের আয়োজন করে তাঁরা পরিচালক নির্বাচিত হন। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারের অধিকাংশই প্রবাসী হওয়ায় এজিএমে অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ২ শতাংশ শেয়ার না থাকায় পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও পরিচালক মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান, আহমেদ শফি চৌধুরী, ফাহিম আহমেদ ফারুক চৌধুরী, মোহাম্মদ কবিরুজ্জামান ইয়াকুব, রুমানা শরিফ, সুরাইয়া রহমান ও আজিজুর রহমানের পদ শূন্য ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। পরবর্তীতেও এ আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রীমকোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫

২৫/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: