আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ভয়াল রাতের দুঃসহ স্মৃতি

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫
  • নিলুফার বেগম

আমার বহু আত্মীয়স্বজন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টার্সে ও অন্যান্য জায়গায় আছে। হায় এরা সবাই ইয়াহিয়ার হত্যাযজ্ঞের শিকার। কাউকে আর দেখব না। আমরাও হয়ত কিছুক্ষণের মধ্যে শেষ হয়ে যাব। আমি দিগি¦দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে এঘর-ওঘরে ছোটাছুটি করতে লাগলাম। হঠাৎ মনে করে রাস্তার দিকের বৈঠক ঘরের জানালা খুলে দাঁড়ালাম।

আমার চোখের সামনে রাস্তায় জনস্রোত। প্রাণভয়ে ব্যাকুল হয়ে ছেলে-বুড়ো নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে। আবার কেউ কেউ স্বজন-পরিজনের আহত রক্তাক্ত দেহ বহন করে এগোচ্ছে। আহতদের গলা, বুক, পিঠ ও পেট দিয়ে গলগল করে তাজা রক্ত ফিনকি দিয়ে ছুটছে। অকল্পনীয় দৃশ্য দেখে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম।

সম্বিত ফিরে পেলাম সেজো ভাইয়ের (মহীউদ্দীন খান আলমগীরের) ডাকে, ওমা ও বেঁচে আছে? উসকো-খুসকো চুল রক্তাক্ত চোখ হ্যারে, কী করে এ গোলাগুলির মাঝে এলি? নওয়াবপুরের অন্যরা সব ভাল তো? আমার কথার প্রত্যুত্তরে ছোট হু জানিয়ে বলল, রাজারবাগের সব পুলিশ শেষ। ইউনিভার্সিটির টিচারদের ঘরে ঢুকে ঢুকে মিলিটারিরা তাঁদেরকে মেরেছে। তুই কী করে জানলি? লোকমুখে। কথা শেষে ও আর দাঁড়াল না। রাস্তায় নেমে গেল। আমি স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম তা মনে নেই, কিন্তু কানের অতি নিকটে গলির মুখে পর পর কটি গুলির আওয়াজে রাস্তার পাশের জানালার কাছে ফিরে এলাম। কিছুক্ষণ আগে ভাই বেরিয়ে গেছে, তার কী হবে ভেবে ভীষণ উদ্বিগ্ন হলাম। জীবনকে হাতে করে চোরা গলিপথ দিয়ে ভাই আমাদের খোঁজ নিতে নওয়াবপুর থেকে এসেছিল। আর আমি তাকে নিশ্চিত বিপদ জেনে রাস্তায় পা বাড়াতে বাধা দিলাম না। হায় আল্লা, আমি একি করলাম! তীব্র অনুশোচনাগ্রস্ত হয়ে ভেতরের ঘরে ছোট ভাইয়ের (আরেফিন) কাছে ছুটে গেলাম। ও তখন আমার ছেলে দুটোকে বুকে নিয়ে বসেছিল। আমি ওখান থেকে শোওয়ার ঘরে গিয়ে ট্রানজিসটর অন করে দিলাম। তখন ট্রানজিসটরে অবাঙালী ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলার ঘোষণা করেছিল, কারফিউ জারি করা হয়েছে। রাস্তায় বের হলেই গুলি করা হবে। পরবর্তী আদেশের জন্য যেন অপেক্ষা করা হয়। আমি পাগল হয়ে গেলাম ভাইয়ের কথা চিন্তা করে। হায় কারফিউ। ভাই তো গুলি বিদ্ধ হয়ে এক্ষুণি মরে যাবে। হায় কী করলাম। উন্মত্তের মতো আবার বৈঠক ঘরের জানালা খুলে দাঁড়ালাম। গলিপথ বেয়ে তখনও জনস্রোত চলছে। আশপাশে চারদিক থেকে গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। তারা জানেন যে কারফিউ। আমি চিৎকার করে বলতে চাইলাম, রাজপথের দিকে এগিও না। গুলি করে শুইয়ে দেবে। কারফিউ। কারফিউ। কিন্তু শত প্রচেষ্টায়ও আমার গলা দিয়ে শব্দ বের হলো না। জনতা এগিয়ে চলল। আর বিকট ভীত আর্তচিৎকারে দলে দলে লোক রাজপথে রক্তাক্ত দেহ নিয়ে লুটিয়ে পড়ল। মৃত্যু এত সস্তা? এত সহজ? মানুষ হয়ে মানুষকে এমন নির্মমভাবে মারছে। নিরস্ত্র জনতার ওপর ইয়াহিয়ার সামরিক বাহিনীর লোকরা হন্যে হয়ে গুলি ছুড়ছে। হায়! হায়! আমরা কোথায় যাব? কী করব।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় আকাশ ছেয়ে যেতে লাগল। বিকেলে ধোঁয়ার বদলে সারা আকাশ আগুনের শিখায় লাল হয়ে উঠল। ওহ! সে কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য। নয়াবাজারের কাটপট্টি জ্বলছে আর জ্বলছে আমাদের এলাকার বস্তিগুলো। ছেলে-বুড়োর আর্তচিৎকার আকাশে-বাতাসে প্রকম্পিত হচ্ছে। আবার... কারফিউর মাঝে রাস্তায় বের হওয়ার চেষ্টায় গুলির মাঝে বিলীন হয়ে যাাচ্ছে। কাঠপোড়া গন্ধে আমাদের দম আটকে আসার উপক্রম হলো। এরই মধ্যে সারাদিনের উপবাসের পর অবুঝ সন্তানের ক্ষুণœবৃত্তি নিবারণের জন্য চুলোয় ভাত চড়িয়ে দিলাম। ভাত ফুটতে লাগল। আর আগুনের শিখাও লক লক করে বাসার ১৫/২০ হাতের মধ্যে এসে পড়ল। ভীষণ ঘাবরে গেলাম। ফুটন্ত ভাত চুলোয় রইল। ক্ষুধার্ত শিশুদের হাত ধরে এক কাপড়ে পরিবারের সবাই কারফিউর মাঝে সন্ধ্যায় অন্ধকারে গা-ঢাকা দিয়ে বেরিয়ে পরলাম। বড় উঠোনওয়ালা এক বাড়িতে আশ্রয় নিলাম। বাড়ির লোকজন সাদরেই আমাদের তাদের ওপর তলার ঘরে নিয়ে গিয়েছিল। ছেলে দুটোকে শুকনো খাবার খেতে দিয়েছিলাম। সে বাড়ির ছাদে উঠে পিলে চমকে গেল। উহ! মাগো কত আগুন। যেদিকে নজর যায় শুধু আগুন আর আগুন। দলা দলা আগুনের কু-লি ছুটে আসছে। নারকীয় দৃশ্যে ভয়ে কাট হয়ে গেলাম। যদিও আগুনের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছি, তবু মনে হলো নিস্তার পাব না। কিন্তু কারফিউর মাঝে অন্য আশ্রয়ের সন্ধানে পা বাড়াতে মন সায় দিল না। দোতলার বারান্দায় কয়েক বাড়ি ফিরে এলাম পূর্ববর্তী পথ ধরে। ভাত পুড়ে হাঁড়ি কালো হয়ে গেছে। চুলো নিভে আছে। টি-টুন ঝেড়ে দু’চার মুঠ মুড়ি সবাই ভাগ করে খেলাম। ছেলেদের জুতো, জামা, কাপড়সহ শুয়ে দিলাম। আর তাদের প্যান্টের পকেটে গুঁজে দিলাম কিছু ফাস্ট এইডের জিনিসপত্র। বড়রা পরস্পরের প্রতি পরস্পর নির্দেশ দিলাম। আমাদের মধ্যে যে গুরুতর রূপে আহত হবে, তাকে নিয়ে টানাহেঁচড়া না করে সুস্থদেহীরা যেন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে চলে যাই। একজনের জন্য যেন কয়েকজনের প্রাণ না যায়। বাচ্চাদের বেলায়ও তা প্রযোজ্য। কত বড় বিপদে পড়লে মানুষ নিজ স্বজন-পরিজনের জন্য এ রকম ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। আজ এ কথা ভাবতে গা শিউরে উঠছে। কিন্তু সে রাতে আমিই জোর দিয়ে বলেছিলাম। আর আমারই ছিল ছোট সন্তান। ছেলেরা শুয়ে রইল। আমরা বড়রা দরজার দিকে মুখ করে রইলাম। জ্যান্ত সেদ্ধ হতে হয় কিনা, সে ভাবনায় গোটা রাত উদ্বিগ্ন রইলাম। দূর থেকে গুলির আওয়াজ কানে আসতে লাগল। সময় কারও জন্য বসে থাকে না। যথাসময়ে রাত পোহালো।

২৭ মার্চ সকাল। ট্রানজিসটর খুলে বসে আছি সামরিক বাহিনীর নির্দেশ শোনার জন্য। নির্দেশ দশটা থেকে বারোটা পর্যন্ত কারফিউর বিরতি (পরে অবশ্য বিরতির মেয়াদ বেলা তিনটা পর্যন্ত করেছিল)। আগামী দিন সরকারী-বেসরকারী সব কর্মচারীকে কর্মস্থলে হাজির হতে হবে।

কারফিউর বিরতিতে বিপদের মাঝেও কিছুটা আশ্বস্ত হলাম এ ভেবে যে, বাইরে বের হয়ে অন্য ভাই-বোনের খবরা-খবর নেয়া যাবে বা দেশে অন্য কোথাও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে পারব। বেলা সাড়ে দশটায় আমার সেজো ভাই (যে বের হয়ে যাওয়াতে খুব উদ্বিগ্ন ছিলাম) একটি জীপে করে হাজির। আমাদের টাকা-পয়সা ও সামান্য চাল-ডাল নিয়ে গাড়িতে উঠতে বলল। আমরা যে যেমন অবস্থায় ছিলাম তেমনি গাড়িতে চড়লাম। গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ভাই বলল, সে দু’চারটা ছাত্রাবাস ও টিচারদের কোয়ার্টার ঘুরে যা দেখে এসেছে তা অকল্পনীয়। মেঝেতে রক্ত চটচট হয়ে আছে। রক্তাক্ত দেহ হিরহিরিয়ে টেনে ওপর তলা থেকে নিচে নামিয়েছে, তারই চিহ্ন ফোঁটা ফোঁটা রক্ত সিঁড়ির গায়ে লেগে আছে। ভাই কথা বলছে আর গাড়ি এগিয়ে চলছে। আমরা নাজিমউদ্দিন রোডের মুখে এসে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। লাশ লাশ...ছড়িয়ে ছিটিয়ে বেশ কিছু লাশ জড়াজড়ি হয়ে পড়ে আছে। আমার গা শিউরে উঠল। গাড়ি এগোল ফজলুল হক হলের দিকে। সেখানেও লাশ। বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড়-চোপড় পরা লোক যেন রাস্তায় শুয়ে ঘুমাচ্ছে। তাদের কারও গুলি লেগেছে খুলিতে, কারও পায়ে বা বুকে। ঘুমাচ্ছে। ঘুমাচ্ছে/ চির ঘুমে ঘুমাচ্ছে। ইয়াহিয়ার সৈন্যরা তাদের বর্বরতা দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে। লাশদের পাশ কাটিয়ে গাড়ি এগোবার সময় আমার ছোট্ট অবুঝ ছেলে শুধাল, এরা রাস্তায় শুয়ে আছে কেন? ওদের ঘর নেই। ওদের বালিশ কোথায়, ওমা ওদের গায়ে রক্ত কেন? বড় ছেলেটি বলল, দূর বোকা, তুই বুঝিসনে, ওদেরকে মেরে ফেলেছে। কে মেরেছে। পাঞ্জাবীরা মেরেছে। এবার আমার ভাই জবাব দিল, বাঙালী বলে। সামনে ট্রাকভর্তি মিলিটারি দেখে আমি ছেলের মুখে হাত দিলাম। ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম, শব্দ করতে নেই। কথা বলতে নেই। ঐ যে বেয়নট ওচানো সৈন্য আসছে, রাস্তা দিয়ে ওরা আমাদেরকে ধরে নিয়ে যাবে। ছেলে নিশ্চুপ। গাড়ি এগোচ্ছে আর সামনের দিক থেকে ট্রাকের পর ট্রাক মিলিটারি আসছে। আরও সামনে রাস্তার দু’পাশে সঙ্গিন উচানো পিপীলিকার মতো সৈন্য আর সৈন্য। আমাদের সবার মুখ শুকিয়ে গেল। কী জানি হয়। তবু আমরা গন্তব্য স্থানে পৌঁছে গেলাম। ওমা একি! যেখানে আশ্রয় নিতে এসেছি, সেখানকার কেউ নেই। সবাই অন্যত্র গেছে। আশপাশের সব ফ্ল্যাট খালি। সবাই নিরাপত্তার প্রত্যাশায় খুব সম্ভবত পুরনো শহরে ভিড় জমিয়েছে। আর আমরা পুরনো শহর ছেড়ে আশ্রয় নিতে এসেছি শহরের নতুন অংশে ইস্কাটনে। রুমিনা কোয়ার্টার্সে। ভাইয়ের বন্ধু, যার বাড়িতে থাকব তিনি অনুপস্থিত। ঘর খোলা, আমরা ঢুকলাম। বাড়ির সামনে দিয়ে জীপের পর জীপ মিলিটারিরা আধুনিক অস্ত্র নিয়ে টহল দিচ্ছে। বাড়ির পাশেই মিলিটারি ক্যাম্প। আর সেখানে থাকার সাহস হলো না। আর আধঘণ্টা পরে কারফিউ আরম্ভ হবে। কারফিউর মাঝে যদি মিলিটারি এসে ঢোকে, তখন কী হবে। ওদের কাছে যে মা-বোনের ইজ্জতের দাম কানাকড়িও নেই। আমি মরিয়া হয়ে উঠলাম, আমার পুরনো শহরের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য। আমার ভাই ফিরে যাবে কিনা তা স্থির করে উঠতে পারল না। আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল। এমন সময় এক অকল্পনীয় জিনিস আমাদের আবিষ্কারে এলো। খবর শোনার জন্য ট্রানজিসটরে নব ঘোরাতেই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে খবর শুনলাম। শেখ মুজিব বেঁচে আছেন। আমরা তাঁরই নির্দেশে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য লড়ে যাচ্ছি। আপনারা মনোবল হারাবেন না।

এই দুর্যোগের মাঝেও আমাদের মনোবল এলো, আমরা নিশ্চিহ্ন হব না। আমরা লড়ছি। আমরা জয়ী হব। শাশ্বতে ফিরে আসলাম ঘড়ি দেখে। আর মাত্র তেইশ মিনিট... তারপর কারফিউ আরম্ভ হবে। আমরা ত্বরিত গতিতে জীপে এসে বসলাম। গাড়ি উল্কার মতো ছুটে চলছে। সামনে-পেছনে মিলিটারির গাড়িকে উপেক্ষা করে জীপ উল্কার মতো ছুটে চলেছে। রাস্তায় মাঝে মাঝে অগণিত লোকের লাইন দেখলাম। অস্ত্র জমা দিচ্ছে। আমার ভাইয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের কথা মনে হলো। বললাম, জমা দিবেন না। সে দৃঢ় কণ্ঠে বললেনÑ না।

দশ মিনিটের মধ্যে বাসায় ফিরে এলাম। হাত-পা ছড়িয়ে বসলাম। বুকে ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস ওঠানামা করতে লাগল। ছোট ভাই ট্রানজিসটরে ঢাকা স্টেশন ধরতেই শুনতে পেলাম, কারফিউর বিরতির মেয়াদ বেলা ৩টা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী দিন সকল সাড়ে সাতটায় সব সরকারী-বেসরকারী কর্মচারীকে কাজে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় কঠোর শাস্তি।

আমি একজন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকুরে। আমার আদৌ ইচ্ছা নেই চাকরি করা। আমার আদৌ ইচ্ছা নেই চাকরিতে যোগ দেয়ার। কিন্তু যোগ না দিলে যদি ঘর থেকে ধরে নিয়ে যায়। কী হবে। কী করব? দ্বিধাদ্বন্দ্বে, সংশয় ও দুশ্চিন্তায় মাথা ঝিম ঝিম করছিল, মাথায় পানি দিয়ে বিছানায় শুলাম, ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে গেলাম।

তারপর দীর্ঘ নয় মাস নানা রকমের অসুবিধা ও দুর্যোগের মাঝে দিন কাটানোর পর আমাদের আকাক্সিক্ষত স্বাধীনতাকে হাতে পেয়েছি। দীর্ঘ নয় মাসের মধ্যে বাধা-বিঘেœর সম্মুখীন তো কম হইনি। কিন্তু তার মধ্যে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে ঐ তিনটে দিনই। ২৫, ২৬, ২৭ মার্চ। এ দিনগুলো কখনও ভোলার মতো নয়, তাই ভুলতে পারিনি। ভুলব না। প্রতিবছরই মার্চে ঐ দিন ক’টা আমার সমস্ত স্নায়ুকে নাড়া দিয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে আর আমি ফেলে আসা ভয়ঙ্কর অতীতকে রোমন্থন করি।

লেখক : প্রাবন্ধিক, গবেষক

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫

২৫/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: