কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিজ্ঞান বিভাগ

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫
  • গাণিতিক অংশে জোর দাও

জ্ঞান বিভাগে ভাল করতে হলে অবশ্যই গাণিতিক অংশে বেশি জোর দিতে হবে। সূত্রের ব্যবহারে অধিক মনোযোগী হবে।

পদার্থ বিজ্ঞান

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী, প্রস্তুতির এই শেষ মুহূর্তে নতুন কোন প্রশ্নের উত্তর না শেখাই ভাল। কিন্তু যদি এমন কোন প্রশ্ন থাকে যা তোমার কাছে মনে হচ্ছে পরীক্ষাতে আসবেই সেটি প্রথমে বোঝার চেষ্টা কর। যদি তা দুর্বোধ্য মনে হয় তাহলে বারবার পরে সময় নষ্ট করার প্রয়োজন নেই। তবে এমন প্রশ্নের সংখ্যা যেন খুব বেশি না হয়। মনে রাখবে প্রতিটি প্রশ্নের বিকল্প প্রশ্ন থাকবে। পদার্থবিজ্ঞান তত্ত্বীয় ৭৫ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬ নম্বরের সংজ্ঞা উত্তর করতে হয়। বাকি ৬৯ নম্বরের মধ্যে বিশদ প্রশ্ন (৩৭-৪৯) ও গাণিতিক সমস্যাবলী (২০-৩২)। তাই এই দুটি অংশে সমান ভাবে গুরুত্ব দেয়া উচিত। অনেকের গাণিতিক সমস্যাবলীর প্রতি ভীতি রয়েছে। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের এই অংশ থেকে খুব অল্প সময়ে বেশি নম্বর উত্তর করা যায়। তাই বিভিন্ন সূত্র বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে এই ভীতি দূর করা দরকার। গাণিতিক সমস্যার প্রশ্নটি মনোযোগ সহকারে একাধিক বার পড়তে হবে এবং উপাত্তগুলো সঠিক প্রতীকসহ লিখতে পারলেই প্রযোজ্য সূত্রটি তুমি মনে করতে পারবে এবং সমস্যাটি খুব সহজেই সমাধান করতে পারবে। অবশ্যই মাথা ঠাণ্ডা রেখে হিসাব করবে। অনেক সময় সূত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও হিসাবের ভুলে উত্তর সঠিক হয় না যা খুবই দুঃখজনক। মনে রাখবে পদার্থবিজ্ঞানের গাণিতিক সমস্যাবলীতে তেমন জটিল কোন হিসাব থাকে না। অবশ্যই সব শেষে সঠিক একক লিখতে হবে। কারণ একক না লিখলে বা ভুল লিখলে এক নম্বর কাটা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান উভয় পত্রই তিনটি অংশে বিভক্ত। প্রথম পত্রের ১ম থেকে ১০ম অধ্যায় পর্যন্ত বলবিদ্যা, ১১তম থেকে ১৬তম অধ্যায় পর্যন্ত তাপ এবং ১৭তম থেকে ১৯তম অধ্যায় পর্যন্ত শব্দ। প্রতিটি অংশ থেকে একটি করে বিশদ প্রশ্নের সেট থাকবে। এছাড়া বাকি ছয়টি প্রশ্নও তিনটি অংশ থেকে আনুপাতিক হারে থাকবে। তাই প্রতিটি অংশেই গুরুত্ব দেয়া উচিত। সকল অধ্যায় সমান গুরুত্বপূর্ণ তথাপি যে সকল অধ্যায়ের প্রতি বেশি জোর দেয়া উচিত তা হলো ভেক্টর, রৈখিক গতি, দ্বিমাত্রিক গতি, কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা, মহাকর্ষ, স্থিতিস্থাপকতা, প্রবাহী পদার্থ, তাপ ও গ্যাস, তাপ গতিবিদ্যার প্রথম সূত্র, তাপ বিকিরণ, অবস্থার পরিবর্তন, তরঙ্গ ও শব্দ এবং শব্দ ।

পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের ১ম থেকে ৬ষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত তড়িৎ ও চৌম্বক, ৭ম থেকে ১২তম অধ্যায় পর্যন্ত আলোক এবং ১৩তম থেকে ১৫তম অধ্যায় পর্যন্ত আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান। মান বণ্টন প্রথম পত্রের অনুরূপ। দ্বিতীয় পত্রের যে সকল অধ্যায়ের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে : স্থির তড়িৎ, তড়িৎ প্রবাহ ও বর্তনী, তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া, চৌম্বক পদার্থ ও ভূ-চুম্বকত্ব, তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ, আলোর প্রতিফলন, আলোর প্রতিসরণ, আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব, ইলেকট্রন ও ফোটন, আপেক্ষিক তত্ত্ব ও জ্যোতি পদার্থবিদ্যা। কিছু প্রশ্ন চিত্র নির্ভর হয়ে থাকে (তড়িৎ বর্তনী, দর্পণ, লেন্স ) সেগুলো উত্তর করার সময় অবশ্যই সঠিকভাবে চিত্র আঁকতে হবে এবং তীর চিহ্ন দিতে হবে।

সর্বোপরি ভাল ফলাফলের জন্য অবশ্যই শর্ট-কার্ট কোন পথ অনুসরণ করা উচিত নয়। অবশ্যই বেশি বেশি পড়া ও বারবার লিখার কোন বিকল্প নেই ।

মোঃ আসাদুজ্জামান (আজাদ)

প্রভাষক, পদার্থবিজ্ঞান

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, ঢাকা

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫

২৩/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: