মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

২৭ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘হরিযূপীয়া’

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫
২৭ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে  মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘হরিযূপীয়া’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘হরিযূপীয়া’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৭ মার্চ। রাজধানী ঢাকার যমুনা ব্লকবাস্টার, স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা, শ্যামলী, জোনাকী ও খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংসহ মোট ২০টি সিনেমা হলে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। ‘হরিযূপীয়া’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেছেন গোলাম মোস্তফা শিমুল। চলচ্চিত্রের প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ, বিথী রানী সরকার, খায়রুল আলম সবুজ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, কাজী রাজু, রিয়াজ মাহমুদ জুয়েল, পাভেল ইসলাম, জুনায়েদ হালিম, শফিউল আলম, নাফা প্রমুখ।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানী ও তাদের এদেশীয় দোসররা যে গণহত্যা চালিয়েছিল সেটাকে ঘিরেই ‘হরিযূপীয়া’ চলচ্চিত্রের গল্প আবর্তিত হয়েছে। মূলত বিজয়ের ঠিক আগে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের হত্যার মাধ্যমে এ দেশকে মেধাশূন্য করবার যে পরিকল্পনা তারা করেছিল, সেই বিষয়কে উপজীব্য করেই এই চলচ্চিত্রের গল্প আবর্তিত হয়েছে। একজন প্রতœতত্ত্ব গবেষক যুদ্ধের কারণে তার একটি স্থানে খননের কাজ সমাপ্ত করতে পারে না, মাঝপথে তাকে থেমে যেতে হয়। তবে থেমে যাওয়ার আগে সেই স্থানটিতে কিছু পোড়ামাটির টালি পায় সে। টালিগুলোতে কিছু ছবি আঁকা ছিল। আর নিচে সামান্য কিছু লেখা ছিল। তরুণ গবেষক সেই লেখা আর ছবির অর্থ বুঝতে পারছিল না, তাই সে আরও কিছু চিন্তাশীল মানুষের সাহায্য নেয়। তারা বেশ কয়েকজন মিলে সেই ছবি একে কিছু বলতে চাওয়ার গল্পটা খুঁজে বের করতে চায়। আর এই অনুসন্ধানেই বেরিয়ে আসে বাংলা আর বাঙালীর নৃতাত্ত্বিক ইতিহাসের কিছু অংশ। তারা খুঁজে পায় ইতিহাসের কিছু গণহত্যার কথা। ইতিহাসের গণহত্যার ঘটনা খুঁজতে খুঁজতে তাঁরা নিজেরাও গণহত্যার শিকার হয়। মৃত্যুর আগে তারা আবিষ্কার করে হরিযূপীয়া অর্থাৎ গণহত্যার কোন নির্দিষ্ট স্থান নেই, নেই কোন নির্দিষ্ট সময়। সে ঘোরে ফেরে কাল থেকে কালে, স্থান থেকে স্থানে, দেশ থেকে দেশে। হরি শব্দটি ম্যাস পিপলকে বোঝাতে বলা হয়েছে। এখানে যূপ হচ্ছে যূপকাষ্ঠ অর্থাৎ যে বিশেষ কাঠের ফাঁকে প্রাণীর গলা ঢুকিয়ে তাকে বলি দেয়া হয়। আর যূপীয়া বলির স্থানটিকে নির্দেশ করে। হরিযূপীয়া নামটি এই চলচ্চিত্রে গণহত্যার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘হরিযূপীয়া’ শব্দটা কত প্রাচীন তা নিশ্চিত করে বলাটা কঠিন। তবে বহুশত বছর আগে হরপ্পায় যে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল সে কারণে হরপ্পার আরও একটি পরিচয় ছিল হরিযূপীয়া। এ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় আসছেন সাব্বির আহমেদ।

এ প্রসঙ্গে সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘ছোটপর্দায় কাজের বাইরে সবসময় বড়পর্দায় কাজের ইচ্ছে ছিল। এ সুযোগটা করে দেন গোলাম মোস্তফা শিমুল। তার নিকট আমি কৃতজ্ঞ। এ চলচ্চিত্রে প্রেমের বাইরে অনেক এক্সপ্রেশন দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। আমি দর্শকদের রেসপন্স দেখার অপেক্ষা করছি। আশা করি, দর্শকরা পছন্দ করবেন এ ছবির গল্প ও অভিনয়।

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫

২৩/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: