আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

তামাকজাত সব পণ্যই ক্ষতিকারক

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫
  • ঘোষণা আন্তর্জাতিক সম্মেলনের

সব ধরনের তামাকের ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব আরোপের মধ্যদিয়ে শনিবার আবুধাবিতে শেষ হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উদ্যোগে আয়োজিত তামাক বিষয়ক ১৬তম আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এতে তামাককে বিশ্বে রোগ ও মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ বলে উল্লেখ করা হয়। খবর এএফপির।

তামাক বিষয়ক ১৬তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণায় ধূমপানের মাত্রা কমানো এবং হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রমণজনিত রোগের (এনসিডি) প্রকোপ ঠেকাতে ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়া হয়। এবারের সম্মেলনটি পাঁচদিন ধরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চূড়ান্ত ঘোষণায় বলা হয় যে, সব ধরনের তামাক পণ্যই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চিকিৎসা খাতের ব্যয় স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তামাক পণ্য যেভাবেই ব্যবহার করা হোক না কেন সেটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং শ্বাসকষ্টের মতো অনেক এনসিডির জন্য দায়ী তামাক সেবন। সম্মেলনের আয়োজনকারীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিশ্বে এনসিডি বা অসংক্রমণজনিত কারণে যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটে তার প্রতি ছয়টির মধ্যে একটির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে তামাক ব্যবহারের। তামাক বিরোধী সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের ফলে বিভিন্ন দেশে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার সম্প্রতি কিছুটা কমে এসেছে কিন্তু ২০২৫ সালের মধ্যে এর ব্যবহার আরও ৩০ শতাংশ কমাতে হলে এখনও অনেক কিছু করা প্রয়োজন বলে ডব্লিউএইচও মনে করে। সংস্থাটির হিসাব মতে, বিশ্বে প্রতি ছয় সেকেন্ডে একজন তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে অর্থাৎ বছরে মারা যায় প্রায় ৬০ লাখ মানুষ। সম্মেলনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়েছে এখনই সতর্কতামূক পদক্ষেপগুলো নেয়া না হলে ২০৩০ সাল নাগাদ তামাকজনিত বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ৮০ লাখে গিয়ে ঠেকতে পারে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এনসিডিতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর সাড়ে তিন কোটি মানুষ মারা যায়। এসব মৃত্যুর শতকরা ৮০ ভাগই ঘটে মধ্য ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে। ডব্লিউএইচওর উদ্যোগে গৃহীত তামাক বিরোধী কনভেনশনে ইতোমধ্যেই ১৮০টি সই করলেও এর বাস্তবায়নের হার সন্তোষজনক নয় বলে জানানো হয়েছে। সম্মেলনে ২০১৮ সালের মধ্যেই সবগুলো দেশের প্রতি চুক্তিটি অনুমোদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৫

২৩/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: